ঢাকা ১২:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার: ভুয়া নামে কারাগারে ৪ জেলে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি সৌদি বিমানবন্দরে ১০৭ ফ্লাইট বাতিল, আটকা সাড়ে ১৬ হাজার যাত্রী তরুণদের বিক্ষোভে মোদির ভাবমূর্তি চ্যালেঞ্জের মুখে, বাড়ছে রাজনৈতিক আলোচনা টিআইবি: ক্ষমতার রাজনীতি ও আমলাতান্ত্রিক দুষ্টচক্রে জিম্মি রাষ্ট্রসংস্কার দিল্লিতে জাতীয় পতাকা মিছিলের আগে অভিজিৎ ও নেহা আটক দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা: ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার গোয়ালঘর নিয়ে বিরোধ: বড় ভাইয়ের পিটুনিতে ছোট ভাইয়ের মৃত্যু, গাইবান্ধায় চাঞ্চল্য ‘তেরঙ্গা ওড়াও’ কর্মসূচির আগে অভিজিৎ দীপকে ও নেহা বোরা আটক ক্রিকেটের নতুন ফরম্যাট টেস্ট টুয়েন্টি: এক দিনে ৮০ ওভারের লড়াই

বিদেশি প্রকল্পের গ্যারান্টি বৈদেশিক মুদ্রায় দিতে পারবে ব্যাংকগুলো

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৭:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে বাস্তবায়িত স্থানীয় প্রকল্পগুলোর জন্য বিদেশি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যাংক গ্যারান্টি ও স্ট্যান্ডবাই লেটার অব ক্রেডিট (এসবিএলসি) ইস্যু করার সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই নতুন নির্দেশনার ফলে স্থানীয় ব্যাংকগুলো এখন বিদেশি প্রতিষ্ঠানের চুক্তির বিপরীতে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কর্তৃপক্ষের জন্য এ ধরনের গ্যারান্টি ও এসবিএলসি ইস্যু করতে পারবে। এর মাধ্যমে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করা দেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্যারান্টি সংক্রান্ত বিদ্যমান বিধান আংশিক সংশোধন করা হলো।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কৌশলগত অংশীদার, স্থানীয় এজেন্ট বা অনুমোদিত প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করা দেশি প্রতিষ্ঠানগুলো প্রকল্পের প্রয়োজনে বিড বন্ড, পারফরম্যান্স গ্যারান্টি বা এসবিএলসি সংগ্রহ করতে পারবে। তবে এই সুবিধা গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে বেশ কিছু শর্ত পরিপালন করতে হবে। এর মধ্যে অন্যতম হলো, মূল চুক্তিতেই বৈদেশিক মুদ্রায় গ্যারান্টি বা এসবিএলসি গ্রহণের স্পষ্ট সুযোগ থাকতে হবে। পাশাপাশি, দেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিদেশি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত ও গ্রহণযোগ্য বাণিজ্যিক সম্পর্কের সপক্ষে বৈধ দলিলাদি থাকা বাধ্যতামূলক।

গ্যারান্টি বা এসবিএলসি ইস্যু করার ফলে সৃষ্ট ঝুঁকি ও দায়ের বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে পর্যাপ্ত জামানত বা কাউন্টার-সিকিউরিটি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জামানতের পরিমাণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে ঝুঁকির মাত্রা এবং গ্রাহকের সঙ্গে ব্যাংকের সম্পর্কের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে। এছাড়া, গ্যারান্টি কার্যকর বা ক্যাশ হলে বিদেশি প্রতিষ্ঠান কীভাবে অর্থ ফেরত দেবে এবং স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের দায় বা ব্যয় কীভাবে পরিশোধ করা হবে, তা চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। ব্যাংকগুলোকে তাদের নিজস্ব ঋণনীতি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং একক গ্রাহক ঋণসীমা মেনে চলার পাশাপাশি প্রয়োজনে পর্ষদ বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতাও পালন করতে হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

বিদেশি প্রকল্পের গ্যারান্টি বৈদেশিক মুদ্রায় দিতে পারবে ব্যাংকগুলো

আপডেট সময় : ০৫:৫৭:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে বাস্তবায়িত স্থানীয় প্রকল্পগুলোর জন্য বিদেশি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যাংক গ্যারান্টি ও স্ট্যান্ডবাই লেটার অব ক্রেডিট (এসবিএলসি) ইস্যু করার সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই নতুন নির্দেশনার ফলে স্থানীয় ব্যাংকগুলো এখন বিদেশি প্রতিষ্ঠানের চুক্তির বিপরীতে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কর্তৃপক্ষের জন্য এ ধরনের গ্যারান্টি ও এসবিএলসি ইস্যু করতে পারবে। এর মাধ্যমে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করা দেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্যারান্টি সংক্রান্ত বিদ্যমান বিধান আংশিক সংশোধন করা হলো।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কৌশলগত অংশীদার, স্থানীয় এজেন্ট বা অনুমোদিত প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করা দেশি প্রতিষ্ঠানগুলো প্রকল্পের প্রয়োজনে বিড বন্ড, পারফরম্যান্স গ্যারান্টি বা এসবিএলসি সংগ্রহ করতে পারবে। তবে এই সুবিধা গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে বেশ কিছু শর্ত পরিপালন করতে হবে। এর মধ্যে অন্যতম হলো, মূল চুক্তিতেই বৈদেশিক মুদ্রায় গ্যারান্টি বা এসবিএলসি গ্রহণের স্পষ্ট সুযোগ থাকতে হবে। পাশাপাশি, দেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিদেশি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত ও গ্রহণযোগ্য বাণিজ্যিক সম্পর্কের সপক্ষে বৈধ দলিলাদি থাকা বাধ্যতামূলক।

গ্যারান্টি বা এসবিএলসি ইস্যু করার ফলে সৃষ্ট ঝুঁকি ও দায়ের বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে পর্যাপ্ত জামানত বা কাউন্টার-সিকিউরিটি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জামানতের পরিমাণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে ঝুঁকির মাত্রা এবং গ্রাহকের সঙ্গে ব্যাংকের সম্পর্কের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে। এছাড়া, গ্যারান্টি কার্যকর বা ক্যাশ হলে বিদেশি প্রতিষ্ঠান কীভাবে অর্থ ফেরত দেবে এবং স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের দায় বা ব্যয় কীভাবে পরিশোধ করা হবে, তা চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। ব্যাংকগুলোকে তাদের নিজস্ব ঋণনীতি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং একক গ্রাহক ঋণসীমা মেনে চলার পাশাপাশি প্রয়োজনে পর্ষদ বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতাও পালন করতে হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo