ঢাকা ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারীপুরের শিবচরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বিএনপি নেতা নিহত রাজধানীর ছয় রুটে একক কোম্পানির বাস চালুর সিদ্ধান্ত নেত্রকোনায় দুর্বৃত্তের গুলিতে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান নিহত রিয়াদের কিং খালিদ বিমানবন্দরে হুতিদের ২০ হামলায় নিহত ১৭ যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ৩ শিশু ও শিক্ষক ফ্রান্সে মূল্যস্ফীতি ৩.১%, এক বছরে জ্বালানির দাম বেড়েছে ২১.৩ শতাংশ আইএমএফের নতুন ঋণ পেতে যেসব শর্ত পূরণ করতে হবে বাংলাদেশকে চুল টেনে ৪ ম্যাচ নিষিদ্ধ ভিনিসিয়ুস, খেলা হবে না এল ক্লাসিকো শারদীয় দুর্গাপূজায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০ দিনের ছুটি শুরু আজ ছোট পর্দায় বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল

বিদেশি প্রকল্পের গ্যারান্টি বৈদেশিক মুদ্রায় দিতে পারবে ব্যাংকগুলো

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৭:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে বাস্তবায়িত স্থানীয় প্রকল্পগুলোর জন্য বিদেশি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যাংক গ্যারান্টি ও স্ট্যান্ডবাই লেটার অব ক্রেডিট (এসবিএলসি) ইস্যু করার সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই নতুন নির্দেশনার ফলে স্থানীয় ব্যাংকগুলো এখন বিদেশি প্রতিষ্ঠানের চুক্তির বিপরীতে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কর্তৃপক্ষের জন্য এ ধরনের গ্যারান্টি ও এসবিএলসি ইস্যু করতে পারবে। এর মাধ্যমে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করা দেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্যারান্টি সংক্রান্ত বিদ্যমান বিধান আংশিক সংশোধন করা হলো।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কৌশলগত অংশীদার, স্থানীয় এজেন্ট বা অনুমোদিত প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করা দেশি প্রতিষ্ঠানগুলো প্রকল্পের প্রয়োজনে বিড বন্ড, পারফরম্যান্স গ্যারান্টি বা এসবিএলসি সংগ্রহ করতে পারবে। তবে এই সুবিধা গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে বেশ কিছু শর্ত পরিপালন করতে হবে। এর মধ্যে অন্যতম হলো, মূল চুক্তিতেই বৈদেশিক মুদ্রায় গ্যারান্টি বা এসবিএলসি গ্রহণের স্পষ্ট সুযোগ থাকতে হবে। পাশাপাশি, দেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিদেশি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত ও গ্রহণযোগ্য বাণিজ্যিক সম্পর্কের সপক্ষে বৈধ দলিলাদি থাকা বাধ্যতামূলক।

গ্যারান্টি বা এসবিএলসি ইস্যু করার ফলে সৃষ্ট ঝুঁকি ও দায়ের বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে পর্যাপ্ত জামানত বা কাউন্টার-সিকিউরিটি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জামানতের পরিমাণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে ঝুঁকির মাত্রা এবং গ্রাহকের সঙ্গে ব্যাংকের সম্পর্কের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে। এছাড়া, গ্যারান্টি কার্যকর বা ক্যাশ হলে বিদেশি প্রতিষ্ঠান কীভাবে অর্থ ফেরত দেবে এবং স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের দায় বা ব্যয় কীভাবে পরিশোধ করা হবে, তা চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। ব্যাংকগুলোকে তাদের নিজস্ব ঋণনীতি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং একক গ্রাহক ঋণসীমা মেনে চলার পাশাপাশি প্রয়োজনে পর্ষদ বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতাও পালন করতে হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

বিদেশি প্রকল্পের গ্যারান্টি বৈদেশিক মুদ্রায় দিতে পারবে ব্যাংকগুলো

আপডেট সময় : ০৫:৫৭:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে বাস্তবায়িত স্থানীয় প্রকল্পগুলোর জন্য বিদেশি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যাংক গ্যারান্টি ও স্ট্যান্ডবাই লেটার অব ক্রেডিট (এসবিএলসি) ইস্যু করার সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই নতুন নির্দেশনার ফলে স্থানীয় ব্যাংকগুলো এখন বিদেশি প্রতিষ্ঠানের চুক্তির বিপরীতে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কর্তৃপক্ষের জন্য এ ধরনের গ্যারান্টি ও এসবিএলসি ইস্যু করতে পারবে। এর মাধ্যমে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করা দেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্যারান্টি সংক্রান্ত বিদ্যমান বিধান আংশিক সংশোধন করা হলো।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কৌশলগত অংশীদার, স্থানীয় এজেন্ট বা অনুমোদিত প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করা দেশি প্রতিষ্ঠানগুলো প্রকল্পের প্রয়োজনে বিড বন্ড, পারফরম্যান্স গ্যারান্টি বা এসবিএলসি সংগ্রহ করতে পারবে। তবে এই সুবিধা গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে বেশ কিছু শর্ত পরিপালন করতে হবে। এর মধ্যে অন্যতম হলো, মূল চুক্তিতেই বৈদেশিক মুদ্রায় গ্যারান্টি বা এসবিএলসি গ্রহণের স্পষ্ট সুযোগ থাকতে হবে। পাশাপাশি, দেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিদেশি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত ও গ্রহণযোগ্য বাণিজ্যিক সম্পর্কের সপক্ষে বৈধ দলিলাদি থাকা বাধ্যতামূলক।

গ্যারান্টি বা এসবিএলসি ইস্যু করার ফলে সৃষ্ট ঝুঁকি ও দায়ের বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে পর্যাপ্ত জামানত বা কাউন্টার-সিকিউরিটি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জামানতের পরিমাণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে ঝুঁকির মাত্রা এবং গ্রাহকের সঙ্গে ব্যাংকের সম্পর্কের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে। এছাড়া, গ্যারান্টি কার্যকর বা ক্যাশ হলে বিদেশি প্রতিষ্ঠান কীভাবে অর্থ ফেরত দেবে এবং স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের দায় বা ব্যয় কীভাবে পরিশোধ করা হবে, তা চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। ব্যাংকগুলোকে তাদের নিজস্ব ঋণনীতি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং একক গ্রাহক ঋণসীমা মেনে চলার পাশাপাশি প্রয়োজনে পর্ষদ বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতাও পালন করতে হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo