ঢাকা ০৫:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বার্সেলোনায় যাচ্ছেন না হুলিয়ান আলভারেজ, সাফ জানিয়ে দিল অ্যাটলেটিকো জেন-জি কিশোরদের ঘরের নকশা কেমন হওয়া উচিত? বোয়ালখালীর ছন্দারিয়া খাল থেকে ভ্যানচালক সালাউদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার কুড়িগ্রামসহ তিন জেলার দায়িত্বে এলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম নেপালে বন্যায় প্রাণহানি ৫৪৭, মর্গ উপচে পড়ায় বিকল্প ভবনে রাখা হচ্ছে লাশ গুরুদাসপুরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, আসামি ২৫০ নর্দার্ন টেরিটোরিকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে বাংলাদেশ এইচপি সোনিয়া গান্ধীর স্মৃতিকথা প্রকাশে পেঙ্গুইনের অনীহা ও নতুন সম্ভাবনা সরকার ফ্যাসিজমের দিকে এগোচ্ছে, জুলাই সনদ মানছে না: গোলাম পরওয়ার গোবিপ্রবিতে দুই দিনব্যাপী ইন্টারডিসিপ্লিনারি সামিট শুরু

নেত্রকোনায় শিশু ধর্ষণের ঘটনায় ডিএনএ পরীক্ষায় মাদরাসা শিক্ষক শনাক্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৭:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নেত্রকোনার মদনে ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় জন্ম নেওয়া নবজাতকের জৈবিক বাবা হিসেবে মামলার আসামি মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের পরিচয় ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে নিশ্চিত হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে এই প্রতিবেদন উপস্থাপনের পর বিষয়টি নিশ্চিত করেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবীর রুবেল। আদালতে অভিযুক্ত শিক্ষককে হাজির করা হয় এবং আগামী ৬০ দিনের মধ্যে মামলাটির বিচারকাজ শেষ করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন পিপি।

মামলা সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার বছর আগে আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগর একটি মহিলা কওমি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। শিশুটির মা-বাবার বিচ্ছেদের পর সে নানার বাড়িতে থেকে ওই মাদরাসায় পড়াশোনা করত। তার মা জীবিকার প্রয়োজনে সিলেটে গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন। একপর্যায়ে শিশুটি অসুস্থ বোধ করলে এবং তার শরীরে শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে গত ১৮ এপ্রিল তার মা মদন পৌর শহরের একটি ক্লিনিকে মেয়েকে নিয়ে পরীক্ষা করান। সেখানে চিকিৎসক জানান, শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ২৩ এপ্রিল শিশুটির মা বাদী হয়ে মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। গত ৬ মে র‍্যাব তাকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে গ্রেপ্তার করে এবং পরদিন আদালত তাকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠান। রিমান্ড শেষে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত অভিযুক্তের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেন।

শিশুটির নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে গত ১২ মে আদালতের নির্দেশে তাকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন সিলেটের একটি সেফ হোমে পাঠানো হয়। সেখানে গত ২ জুলাই সে একটি কন্যাশিশুর জন্ম দেয়। পরে নবজাতকের ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ৯ জুলাই পুলিশ আদালতে আবেদন করে। আদালতের নির্দেশে ২৮ জুলাই সিলেটের ওই সেফ হোমে নবজাতকের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ডিএনএ প্রতিবেদন আদালতে উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে মামলাটিতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা দ্রুত বিচার শেষ করে ভুক্তভোগী শিশু ও তার নবজাতকের নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

নেত্রকোনায় শিশু ধর্ষণের ঘটনায় ডিএনএ পরীক্ষায় মাদরাসা শিক্ষক শনাক্ত

আপডেট সময় : ১১:৫৭:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

নেত্রকোনার মদনে ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় জন্ম নেওয়া নবজাতকের জৈবিক বাবা হিসেবে মামলার আসামি মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের পরিচয় ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে নিশ্চিত হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে এই প্রতিবেদন উপস্থাপনের পর বিষয়টি নিশ্চিত করেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবীর রুবেল। আদালতে অভিযুক্ত শিক্ষককে হাজির করা হয় এবং আগামী ৬০ দিনের মধ্যে মামলাটির বিচারকাজ শেষ করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন পিপি।

মামলা সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার বছর আগে আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগর একটি মহিলা কওমি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। শিশুটির মা-বাবার বিচ্ছেদের পর সে নানার বাড়িতে থেকে ওই মাদরাসায় পড়াশোনা করত। তার মা জীবিকার প্রয়োজনে সিলেটে গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন। একপর্যায়ে শিশুটি অসুস্থ বোধ করলে এবং তার শরীরে শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে গত ১৮ এপ্রিল তার মা মদন পৌর শহরের একটি ক্লিনিকে মেয়েকে নিয়ে পরীক্ষা করান। সেখানে চিকিৎসক জানান, শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ২৩ এপ্রিল শিশুটির মা বাদী হয়ে মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। গত ৬ মে র‍্যাব তাকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে গ্রেপ্তার করে এবং পরদিন আদালত তাকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠান। রিমান্ড শেষে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত অভিযুক্তের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেন।

শিশুটির নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে গত ১২ মে আদালতের নির্দেশে তাকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন সিলেটের একটি সেফ হোমে পাঠানো হয়। সেখানে গত ২ জুলাই সে একটি কন্যাশিশুর জন্ম দেয়। পরে নবজাতকের ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ৯ জুলাই পুলিশ আদালতে আবেদন করে। আদালতের নির্দেশে ২৮ জুলাই সিলেটের ওই সেফ হোমে নবজাতকের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ডিএনএ প্রতিবেদন আদালতে উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে মামলাটিতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা দ্রুত বিচার শেষ করে ভুক্তভোগী শিশু ও তার নবজাতকের নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh