ঢাকা ০৪:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আজ রাতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৯৫ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা দিনাজপুরে আগাম সবজি চাষে ব্যস্ত কৃষকেরা, লক্ষ্য ভালো দাম ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ: ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা কক্সবাজারে নিখোঁজ পর্যটক ইব্রাহিমের মরদেহ সোনাদিয়ায় উদ্ধার নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৩৮ দলবাজ ও দলদাসের সূক্ষ্ম পার্থক্য নিয়ে মহিউদ্দিন আহমদের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ গোপন সূচির রোমাঞ্চ নিয়ে বসছে ৫৩তম টেলুরাইড চলচ্চিত্র উৎসব ঠাকুরগাঁওয়ে হাফ ম্যারাথন: রাষ্ট্রপতিকে উৎসর্গ করে দৌড়বিদের মিলনমেলা ইন্টার মায়ামির নতুন প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ পেলেন কিলি গঞ্জালেস প্রকৌশলী অধিকার দিবস উপলক্ষে বেরোবিতে মোমবাতি প্রজ্বলন

বৃটেন থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করল রাশিয়া, লন্ডনের নীতি নিয়ে অসন্তোষ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৩:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কূটনৈতিক সম্পর্কের চরম অবনতির আশঙ্কার মধ্যে বৃটেন থেকে নিজেদের রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করে নিয়েছে রাশিয়া। লন্ডনে মস্কোর প্রধান প্রতিনিধি হিসেবে সাত বছরেরও বেশি সময় দায়িত্ব পালন করা আন্দ্রেই কেলিন গত ২১ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে তার কূটনৈতিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন। এখন পর্যন্ত তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি, যার ফলে দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ আরও দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

রুশ দূতাবাসের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, রাষ্ট্রদূত কেলিন লন্ডনের সঙ্গে সংলাপ ও যোগাযোগের বিভিন্ন চ্যানেল সচল রাখতে ব্যাপক প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন। তবে তার মতে, বৃটিশ সরকার রাশিয়ার সঙ্গে সংঘাতের পথ বেছে নিচ্ছে। কেলিন এমন এক প্রত্যাশা নিয়ে বৃটেন ছেড়েছেন যে, যুক্তরাজ্য রাশিয়ার প্রতি তাদের বর্তমান নীতি পুনর্বিবেচনা করলে ভবিষ্যতে সম্মানজনক ও গঠনমূলক সংলাপ পুনরায় প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।

বর্তমানে লন্ডনে রুশ দূতাবাসের দায়িত্ব পালন করছেন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স। ক্রেমলিন এখন পর্যন্ত বৃটিশ পররাষ্ট্র দপ্তরের কাছে নতুন কোনো রাষ্ট্রদূতের নাম প্রস্তাব করেনি। রাষ্ট্রদূত কেলিনের বিদায়ের বিষয়টি গত ১১ জুন ‘রাশিয়া দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক অভ্যন্তরীণ অনুষ্ঠানে জানানো হলেও এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। একই দিনে মস্কোতে বৃটিশ রাষ্ট্রদূত নাইজেল ক্যাসি ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের নিন্দা জানিয়ে জার্মানি ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন।

বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার সাধারণত কোনো দেশের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশের একটি আনুষ্ঠানিক মাধ্যম। গত সোমবার বৃটিশ নির্মিত ড্রোন রাশিয়ার ভূখণ্ডে হামলায় ব্যবহৃত হওয়ার পর মস্কো বৃটেনকে এর পরিণতি ভোগ করার হুমকি দিয়েছিল। কেলিন কেন দায়িত্ব ছাড়লেন এবং রাশিয়া দীর্ঘমেয়াদে সেখানে নিম্নপদস্থ কোনো কর্মকর্তাকে রাখবে কিনা, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

একই দিনে বৃটেনের মস্কোস্থ রাষ্ট্রদূত নাইজেল ক্যাসি রাশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জার্মানি ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিরল এক বৈঠকে অংশ নেন। সেখানে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের নিন্দা জানানো হয়।২০১৯ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করা কেলিন কেন পদ ছাড়লেন, তা স্পষ্ট নয়। রাশিয়া তার জায়গায় নিম্নপদস্থ কোনো কর্মকর্তাকে দীর্ঘমেয়াদে

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

বৃটেন থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করল রাশিয়া, লন্ডনের নীতি নিয়ে অসন্তোষ

আপডেট সময় : ০৪:৪৩:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

কূটনৈতিক সম্পর্কের চরম অবনতির আশঙ্কার মধ্যে বৃটেন থেকে নিজেদের রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করে নিয়েছে রাশিয়া। লন্ডনে মস্কোর প্রধান প্রতিনিধি হিসেবে সাত বছরেরও বেশি সময় দায়িত্ব পালন করা আন্দ্রেই কেলিন গত ২১ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে তার কূটনৈতিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন। এখন পর্যন্ত তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি, যার ফলে দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ আরও দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

রুশ দূতাবাসের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, রাষ্ট্রদূত কেলিন লন্ডনের সঙ্গে সংলাপ ও যোগাযোগের বিভিন্ন চ্যানেল সচল রাখতে ব্যাপক প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন। তবে তার মতে, বৃটিশ সরকার রাশিয়ার সঙ্গে সংঘাতের পথ বেছে নিচ্ছে। কেলিন এমন এক প্রত্যাশা নিয়ে বৃটেন ছেড়েছেন যে, যুক্তরাজ্য রাশিয়ার প্রতি তাদের বর্তমান নীতি পুনর্বিবেচনা করলে ভবিষ্যতে সম্মানজনক ও গঠনমূলক সংলাপ পুনরায় প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।

বর্তমানে লন্ডনে রুশ দূতাবাসের দায়িত্ব পালন করছেন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স। ক্রেমলিন এখন পর্যন্ত বৃটিশ পররাষ্ট্র দপ্তরের কাছে নতুন কোনো রাষ্ট্রদূতের নাম প্রস্তাব করেনি। রাষ্ট্রদূত কেলিনের বিদায়ের বিষয়টি গত ১১ জুন ‘রাশিয়া দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক অভ্যন্তরীণ অনুষ্ঠানে জানানো হলেও এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। একই দিনে মস্কোতে বৃটিশ রাষ্ট্রদূত নাইজেল ক্যাসি ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের নিন্দা জানিয়ে জার্মানি ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন।

বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার সাধারণত কোনো দেশের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশের একটি আনুষ্ঠানিক মাধ্যম। গত সোমবার বৃটিশ নির্মিত ড্রোন রাশিয়ার ভূখণ্ডে হামলায় ব্যবহৃত হওয়ার পর মস্কো বৃটেনকে এর পরিণতি ভোগ করার হুমকি দিয়েছিল। কেলিন কেন দায়িত্ব ছাড়লেন এবং রাশিয়া দীর্ঘমেয়াদে সেখানে নিম্নপদস্থ কোনো কর্মকর্তাকে রাখবে কিনা, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

একই দিনে বৃটেনের মস্কোস্থ রাষ্ট্রদূত নাইজেল ক্যাসি রাশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জার্মানি ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিরল এক বৈঠকে অংশ নেন। সেখানে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের নিন্দা জানানো হয়।২০১৯ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করা কেলিন কেন পদ ছাড়লেন, তা স্পষ্ট নয়। রাশিয়া তার জায়গায় নিম্নপদস্থ কোনো কর্মকর্তাকে দীর্ঘমেয়াদে

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin