ঢাকা ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাসপাতাল ব্যবস্থা ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিকাশে মুসলমানদের ঐতিহাসিক অবদান প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন পাস হলে বুমেরাং হতে পারে: টিআইবি বন্ধ কারখানা চালুর ঋণ বিতরণে মন্দা, বিতরণ মাত্র ৫৬১ কোটি টাকা আজকের খেলার সূচি: আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়ে ওয়ানডে ও ইউরোপীয় ফুটবলের লড়াই প্রেসিডেন্টস ট্রফিতে ফিরছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান বাংলাদেশ নারী টি-টোয়েন্টি দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা আক্তার মহাষ্টমী ও কুমারী পূজার আয়োজনে মুখরিত দেশজুড়ে মণ্ডপগুলো মুন্সীগঞ্জ ডিসি অফিসে ৮০ কিলোওয়াটের সোলার প্যানেল স্থাপন কানাডার সামরিক ঘাঁটিতে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড, নিহত অন্তত ৭ বিচ্ছেদের পর প্রকৃতির সান্নিধ্যে শেহতাজ, ভাইরাল নতুন ছবি

দুই দিন ধরে নিখোঁজ ইবি শিক্ষার্থী, পুলিশ দিলো ভিন্ন তথ্য

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৪১:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বায়োমেডিকেল এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সৌভিক সাহা গত দুই দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। তাকে হন্য হয়ে খুঁজছেন তার স্বজন ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তবে এই ঘটনায় পুলিশ ভিন্ন তথ্য প্রদান করেছে।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সৌভিক কুষ্টিয়ার রাজারহাটপুরের নিজ বাড়ি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে করে ক্যাম্পাসে আসেন। এরপর তিনি ঝিনাইদহগামী একটি বাসে চড়ে খুলনায় তার মাসির বাসায় পৌঁছান। বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি বাসা থেকে বেরিয়ে যান।

নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মা জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে সৌভিকের সাথে তার মুঠোফোনে শেষবার কথা হয়। তখন সে কোনো বাস বা ট্রেন না পাওয়ার কথা জানিয়েছিল। এরপর থেকেই তার ফোন বন্ধ রয়েছে এবং পরিবারের সদস্য ও সহপাঠীরা তার সাথে আর যোগাযোগ করতে পারেননি।

দৌলতপুর থানা পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সৌভিক যে বাসা থেকে বেরিয়েছিলেন, সেই একই বাসা থেকে রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তার মাসির ছেলের (মাসতুতো ভাই) স্ত্রীও বেরিয়ে যান। এখন পর্যন্ত দুজনেই নিখোঁজ রয়েছেন। সৌভিকের পরিবার দৌলতপুর থানায় জিডি করেছে, তবে মাসতুতো ভাই তার স্ত্রীর জন্য এখনো জিডি করেননি। পুলিশ ও মাসতুতো ভাইয়ের ধারণা, সৌভিককে পাওয়া গেলে তার স্ত্রীর খোঁজও পাওয়া যেতে পারে।

বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. খাইরুল ইসলাম জানান, তারা বিষয়টি জানার পরপরই প্রক্টরকে অবহিত করেছেন। শিক্ষার্থীর বাবা কুষ্টিয়াতে জিডি করতে গিয়েছিলেন। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীর সর্বশেষ লোকেশন দৌলতপুর এলাকায় হওয়ায় অন্য শিক্ষার্থীরা সেখানে গিয়ে জিডি করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান জানান, বিষয়টি নজরে আসার পর থেকেই প্রশাসন থানা ও বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর নিচ্ছে এবং সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছে। তিনি আরও বলেন, মাসতুতো ভাইয়ের স্ত্রীর নিখোঁজের বিষয়টি জানার পর ঘটনাটি ভিন্ন দিকে মোড় নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আমাদের জায়গা থেকে অনুসন্ধানে আমরা পাগলপ্রায়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

দুই দিন ধরে নিখোঁজ ইবি শিক্ষার্থী, পুলিশ দিলো ভিন্ন তথ্য

আপডেট সময় : ১০:৪১:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বায়োমেডিকেল এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সৌভিক সাহা গত দুই দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। তাকে হন্য হয়ে খুঁজছেন তার স্বজন ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তবে এই ঘটনায় পুলিশ ভিন্ন তথ্য প্রদান করেছে।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সৌভিক কুষ্টিয়ার রাজারহাটপুরের নিজ বাড়ি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে করে ক্যাম্পাসে আসেন। এরপর তিনি ঝিনাইদহগামী একটি বাসে চড়ে খুলনায় তার মাসির বাসায় পৌঁছান। বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি বাসা থেকে বেরিয়ে যান।

নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মা জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে সৌভিকের সাথে তার মুঠোফোনে শেষবার কথা হয়। তখন সে কোনো বাস বা ট্রেন না পাওয়ার কথা জানিয়েছিল। এরপর থেকেই তার ফোন বন্ধ রয়েছে এবং পরিবারের সদস্য ও সহপাঠীরা তার সাথে আর যোগাযোগ করতে পারেননি।

দৌলতপুর থানা পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সৌভিক যে বাসা থেকে বেরিয়েছিলেন, সেই একই বাসা থেকে রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তার মাসির ছেলের (মাসতুতো ভাই) স্ত্রীও বেরিয়ে যান। এখন পর্যন্ত দুজনেই নিখোঁজ রয়েছেন। সৌভিকের পরিবার দৌলতপুর থানায় জিডি করেছে, তবে মাসতুতো ভাই তার স্ত্রীর জন্য এখনো জিডি করেননি। পুলিশ ও মাসতুতো ভাইয়ের ধারণা, সৌভিককে পাওয়া গেলে তার স্ত্রীর খোঁজও পাওয়া যেতে পারে।

বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. খাইরুল ইসলাম জানান, তারা বিষয়টি জানার পরপরই প্রক্টরকে অবহিত করেছেন। শিক্ষার্থীর বাবা কুষ্টিয়াতে জিডি করতে গিয়েছিলেন। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীর সর্বশেষ লোকেশন দৌলতপুর এলাকায় হওয়ায় অন্য শিক্ষার্থীরা সেখানে গিয়ে জিডি করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান জানান, বিষয়টি নজরে আসার পর থেকেই প্রশাসন থানা ও বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর নিচ্ছে এবং সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছে। তিনি আরও বলেন, মাসতুতো ভাইয়ের স্ত্রীর নিখোঁজের বিষয়টি জানার পর ঘটনাটি ভিন্ন দিকে মোড় নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আমাদের জায়গা থেকে অনুসন্ধানে আমরা পাগলপ্রায়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin