৫ সেপ্টেম্বর শাপলা চত্বর থেকে ১১ দলের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ শুরু
- আপডেট সময় : ০৫:৩৪:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে লক্ষাধিক মানুষের সমাবেশের মাধ্যমে শুরু হতে যাচ্ছে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠন ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে এই কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন জোটের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। বৃহস্পতিবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে তিনি এ তথ্য জানান।
ঘোষিত এই লংমার্চটি ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করে নারায়ণগঞ্জের মদনপুর, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড এবং চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পথসভা করবে। এরপর চট্টগ্রামে গিয়ে এই কর্মসূচি সমাপ্ত হবে। লংমার্চের বহরকে পথিমধ্যে বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় বাসিন্দারা অভ্যর্থনা জানাবেন এবং উপজেলা পর্যায়ে অভ্যর্থনা শেষে স্থানীয় জনগণও এই বহরে যোগ দেবেন বলে জানানো হয়েছে।
৫ সেপ্টেম্বরের এই কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে মগবাজারে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় লংমার্চ বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এতে বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বশীলদের প্রস্তুতি, সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং কর্মসূচি সফল করার বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। সভায় সভাপতির বক্তব্যে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে লংমার্চকে জাতীয় সিরিজ কর্মসূচি হিসেবে নেওয়া হয়েছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পরদিনই ১১ দলের শীর্ষ বৈঠকে সংসদে ও রাজপথে জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলন যৌথভাবে চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।
বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে হামিদুর রহমান আযাদ অভিযোগ করেন, সরকার জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি মুছে দিতে চায়। একই সঙ্গে বিএনপির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, বিএনপি জাতির সঙ্গে বেঈমানি করছে, তবে আমরা জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানকে থামতে বা মুছে যেতে দেব না। কারণ এই অভ্যুত্থান কোনো নির্দিষ্ট দলের নয়, এটি জনগণের ইস্যু। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, কৃষকরা সার পাচ্ছেন না এবং দেশের সাতটি সার কারখানার মধ্যে ছয়টিই বন্ধ রয়েছে। এছাড়া তীব্র বিদ্যুৎ সংকটের কারণে শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।
এই প্রস্তুতি সভায় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির ড. হেলাল উদ্দিন, উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মাহফুজুর রহমান ও ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মো. কামাল হোসাইন এমপি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলাম, এফডিইবির কেন্দ্রীয় সভাপতি আব্দুস সাত্তার শাহ এবং দলের প্রচার, মিডিয়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিভাগের দায়িত্বশীলরা।





























