পিরোজপুরে মানব পাচার মামলায় ৫ জনের ১০ বছরের কারাদণ্ড
- আপডেট সময় : ০৭:৫৯:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুরের মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ মেহেদী আল মাসুদ মঙ্গলবার (১৮ জুন) এক জনাকীর্ণ আদালতে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের মামলায় পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। রায়ে আদালত প্রত্যেক আসামিকে ৫ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। অনাদায়ে তাদের আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মঠবাড়িয়া উপজেলার ঘটিচোরা এলাকার মো. কুদ্দুস, হবিগঞ্জের বাহুবল এলাকার মো. কাসেম ওরফে কাদের মোল্লা, চাঁদপুরের শাহরাস্তি এলাকার রবিউল আলম ওরফে মানিক, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকার জামাল সিকদার ওরফে জিয়া এবং কক্সবাজারের কুতুবদিয়া এলাকার পলাশ চৌধুরী।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৩ জুন মঠবাড়িয়া থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ৭ ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্য-প্রমাণ ও উপস্থাপিত তথ্যের ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
রায় ঘোষণার সময় জামাল সিকদার ওরফে জিয়া এবং পলাশ চৌধুরী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালত তাদের সাজা পরোয়ানামূলে পিরোজপুর জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন এবং রায় ঘোষণার দিন থেকেই তাদের সাজা কার্যকর হবে। অন্যদিকে, মামলার অপর তিন আসামি মো. কুদ্দুস, মো. কাসেম ওরফে কাদের মোল্লা এবং রবিউল আলম ওরফে মানিক বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন এবং গ্রেপ্তার বা আত্মসমর্পণের দিন থেকে তাদের সাজা গণনা শুরু হবে বলে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলাটি পরিচালনায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন নারী ও শিশু অপরাধ ট্রাইব্যুনালের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট রহিমা আক্তার হাসি এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মানস কুমার বৈরাগী।



























