ঢাকা ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চাপ অব্যাহত থাকলে মোদি সরকারের পতন নিশ্চিত: রাহুল গান্ধী ১১ বছর ধরে বন্ধ এমআরআই, দিনাজপুর মেডিকেলে ব্যাহত চিকিৎসাসেবা ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন নাভি পিলাই শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসের জন্য বিগত সরকারকে দায়ী করলেন রিজভী মাদারগঞ্জে আরও দুটি কূপ খননের উদ্যোগ নিয়েছে বাপেক্স শিক্ষকদের বেতন সংকটে বন্ধ লামার মিরিঞ্জা প্রাথমিক বিদ্যালয় সিরাজগঞ্জে তিন মাদক মামলায় পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচারের পরিকল্পনা ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র বিতর্ক মানচিত্রে ‘লিটল ইতালি’ বাদ, নিউইয়র্কের তহবিল বন্ধের হুমকি ট্রাম্পের বিশ্ব অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে রাশিয়ার জ্বালানি: পুতিন

যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় সামরিক রদবদল ও প্রস্তুতি বাড়াচ্ছে ইরান

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



প্রায় ছয় মাস আড়ালে থাকার পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি দেশটির শাসনব্যবস্থা নিয়ে তার অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তিনি শীর্ষস্থানীয় নিরাপত্তা ও সামরিক পদগুলোতে বেশ কয়েকজন কট্টরপন্থি ও প্রবীণ কমান্ডারকে নিয়োগ দিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, এই রদবদলের মাধ্যমে তিনি ইরানকে সম্ভাব্য যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রাখতে চাইছেন। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, তেহরান বর্তমানে এমন একটি কৌশল খুঁজছে যাতে হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে যুদ্ধের সমাপ্তি টানা যায়। যদিও সংঘাতের তীব্রতা কিছুটা হ্রাস পেয়েছে, তবুও হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ওয়াশিংটন বা তেহরান—কেউই ছাড় দিতে রাজি নয়। এদিকে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চুক্তির জন্য বেঁধে দেওয়া ৬০ দিনের সময়সীমাও সোমবার শেষ হয়েছে। এই পরিস্থিতি পুরো অঞ্চলকে এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে, যেখানে যেকোনো সময় পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরু হতে পারে।

আয়াতুল্লাহ খামেনির সাম্প্রতিক নিয়োগগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোরের নেতৃত্ব দেওয়া মোহসেন রেজাই। তাকে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান করা হয়েছে। এছাড়া সাবেক গোয়েন্দা প্রধান ও ধর্মীয় নেতা হোসেইন তায়েবকে আধাসামরিক বাহিনী ‘বাসিজ’-এর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা সাধারণত সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কাজ করে।

এই রদবদলের অংশ হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর নতুন জেনারেল স্টাফ, রেভল্যুশনারি গার্ডসের নতুন প্রধান এবং রেভল্যুশনারি গার্ডসের নৌবাহিনীর কমান্ডারকেও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে নৌবাহিনীর কমান্ডারের পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে, কারণ বর্তমানে হরমুজ প্রণালি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল অবস্থানে রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় সামরিক রদবদল ও প্রস্তুতি বাড়াচ্ছে ইরান

আপডেট সময় : ০৩:৩৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

প্রায় ছয় মাস আড়ালে থাকার পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি দেশটির শাসনব্যবস্থা নিয়ে তার অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তিনি শীর্ষস্থানীয় নিরাপত্তা ও সামরিক পদগুলোতে বেশ কয়েকজন কট্টরপন্থি ও প্রবীণ কমান্ডারকে নিয়োগ দিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, এই রদবদলের মাধ্যমে তিনি ইরানকে সম্ভাব্য যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রাখতে চাইছেন। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, তেহরান বর্তমানে এমন একটি কৌশল খুঁজছে যাতে হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে যুদ্ধের সমাপ্তি টানা যায়। যদিও সংঘাতের তীব্রতা কিছুটা হ্রাস পেয়েছে, তবুও হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ওয়াশিংটন বা তেহরান—কেউই ছাড় দিতে রাজি নয়। এদিকে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চুক্তির জন্য বেঁধে দেওয়া ৬০ দিনের সময়সীমাও সোমবার শেষ হয়েছে। এই পরিস্থিতি পুরো অঞ্চলকে এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে, যেখানে যেকোনো সময় পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরু হতে পারে।

আয়াতুল্লাহ খামেনির সাম্প্রতিক নিয়োগগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোরের নেতৃত্ব দেওয়া মোহসেন রেজাই। তাকে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান করা হয়েছে। এছাড়া সাবেক গোয়েন্দা প্রধান ও ধর্মীয় নেতা হোসেইন তায়েবকে আধাসামরিক বাহিনী ‘বাসিজ’-এর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা সাধারণত সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কাজ করে।

এই রদবদলের অংশ হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর নতুন জেনারেল স্টাফ, রেভল্যুশনারি গার্ডসের নতুন প্রধান এবং রেভল্যুশনারি গার্ডসের নৌবাহিনীর কমান্ডারকেও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে নৌবাহিনীর কমান্ডারের পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে, কারণ বর্তমানে হরমুজ প্রণালি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল অবস্থানে রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor