ঢাকা ০১:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তিন জোড়া কবুতরে শুরু, এখন সংসারের হাল ধরেছেন স্বপ্না রানী চট্টগ্রামের এনসিটি পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে ১৫ বছরের চুক্তি রেলের টিকিট কালোবাজারি বন্ধে এক মাসের দায়িত্ব চাইলেন মাহবুব কবীর পিরোজপুরে ভেজাল শিশুখাদ্য তৈরির কারখানা সিলগালা, মালিকের কারাদণ্ড নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা: ছাত্রদল নেতার স্বীকারোক্তিতে কুষ্টিয়ায় তোলপাড় আইএমএফের সঙ্গে ৪৫০ কোটি ডলারের নতুন ঋণচুক্তি হতে পারে ডিসেম্বরে বাংলাদেশে আর ফেরা হবে না, শঙ্কা তসলিমা নাসরিনের থাইরয়েড সচেতনতা ও আধুনিক চিকিৎসায় সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান জীবননগর সীমান্তে ভারতে পালানোর সময় ২ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের নুরুজ্জামান

বাংলাদেশের কাছে হারের পর ৩৮ লাখ টাকা জরিমানার শঙ্কায় অস্ট্রেলিয়া

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৩৭:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটে হেরে যাওয়ার পর মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি মাঠের বাইরের সমস্যায়ও জড়িয়েছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল। নিউজ কর্প অস্ট্রেলিয়ার ওয়েবসাইট নিউজ ডট কম এইউ এই হারকে ‘হরর শো’ হিসেবে অভিহিত করেছে। একই সঙ্গে প্যাট কামিন্সদের জন্য দুঃসংবাদ হিসেবে জানিয়েছে যে, ধীরগতির ওভার রেটের কারণে আইসিসি অস্ট্রেলিয়ান খেলোয়াড়দের বড় অঙ্কের আর্থিক জরিমানা করার কথা বিবেচনা করছে।

ম্যাচটির দ্বিতীয় দিনে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ৯০ ওভারের চেয়ে ৪ ওভার কম বোলিং করেছে। প্রথম দিনে বাংলাদেশ ২৪ ওভারে ১ উইকেটে ৯৬ রান তুলেছিল এবং দ্বিতীয় দিন শেষে ১১০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩৫১ রান সংগ্রহ করে। অর্থাৎ দ্বিতীয় দিনে খেলা হয়েছে ৮৬ ওভার। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, টেস্টে প্রতি ঘণ্টায় ১৫ ওভার হিসেবে সারা দিনে অন্তত ৯০ ওভার বল করতে হয়। নিয়ম ভঙ্গের কারণে প্রতি ওভার কম হওয়ার জন্য ম্যাচ ফির ৫ শতাংশ কেটে নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে সংস্থাটির।

অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলের প্রত্যেক খেলোয়াড় ম্যাচ ফি হিসেবে ২০ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার পান, যার ৫ শতাংশ হলো ১ হাজার ডলার। চার ওভার কম বোলিং করায় দলের প্রত্যেক খেলোয়াড়কে ৪ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার জরিমানা গুনতে হতে পারে। সব মিলিয়ে জরিমানার এই অঙ্ক দাঁড়াতে পারে ৪৪ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার বা প্রায় ৩৮ লাখ ২৭ হাজার টাকায়।

তবে এই শাস্তি থেকে বাঁচার একটি ক্ষীণ আশা রয়েছে অজিদের। ম্যাচ রেফারি ভেন্যুর তাপমাত্রা এবং উইকেট পতনের মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে জরিমানার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতে পারেন। ডারউইনের ভ্যাপসা গরম ও আর্দ্রতাই খেলোয়াড়দের এই শাস্তি থেকে বাঁচানোর একমাত্র ভরসা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শুধু আর্থিক জরিমানা নয়, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ পয়েন্ট তালিকা থেকেও অস্ট্রেলিয়ার ৪ পয়েন্ট কেটে নেওয়া হতে পারে। বর্তমানে ৮৪ পয়েন্ট ও ৭৭.৭৮ শতাংশ জয় নিয়ে দলটি তালিকার শীর্ষে রয়েছে। ২০২০ সালের বক্সিং ডে টেস্টে একই ধরনের অপরাধের কারণে পয়েন্ট কাটা যাওয়ায় অস্ট্রেলিয়া ২০২১ সালের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয়েছিল।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ দলও অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে নির্ধারিত ওভার রেটের চেয়ে পিছিয়ে ছিল। তবে অস্ট্রেলিয়াকে মাত্র ৫৩ ওভারে অলআউট করতে পারায় বাংলাদেশ শাস্তির হাত থেকে বেঁচে যাচ্ছে। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, কোনো দল যদি অন্তত ৮০ ওভার ব্যাট না করে অথবা দুই ইনিংস মিলিয়ে ১৬০ ওভারের কম খেলে অলআউট হয়, তবে এই ধীরগতির ওভার রেটের শাস্তি প্রযোজ্য হয় না। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ১৩৮ ওভার ব্যাট করায় অস্ট্রেলিয়া এখন শাস্তির ঝুঁকিতে রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশের কাছে হারের পর ৩৮ লাখ টাকা জরিমানার শঙ্কায় অস্ট্রেলিয়া

আপডেট সময় : ১২:৩৭:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটে হেরে যাওয়ার পর মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি মাঠের বাইরের সমস্যায়ও জড়িয়েছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল। নিউজ কর্প অস্ট্রেলিয়ার ওয়েবসাইট নিউজ ডট কম এইউ এই হারকে ‘হরর শো’ হিসেবে অভিহিত করেছে। একই সঙ্গে প্যাট কামিন্সদের জন্য দুঃসংবাদ হিসেবে জানিয়েছে যে, ধীরগতির ওভার রেটের কারণে আইসিসি অস্ট্রেলিয়ান খেলোয়াড়দের বড় অঙ্কের আর্থিক জরিমানা করার কথা বিবেচনা করছে।

ম্যাচটির দ্বিতীয় দিনে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ৯০ ওভারের চেয়ে ৪ ওভার কম বোলিং করেছে। প্রথম দিনে বাংলাদেশ ২৪ ওভারে ১ উইকেটে ৯৬ রান তুলেছিল এবং দ্বিতীয় দিন শেষে ১১০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩৫১ রান সংগ্রহ করে। অর্থাৎ দ্বিতীয় দিনে খেলা হয়েছে ৮৬ ওভার। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, টেস্টে প্রতি ঘণ্টায় ১৫ ওভার হিসেবে সারা দিনে অন্তত ৯০ ওভার বল করতে হয়। নিয়ম ভঙ্গের কারণে প্রতি ওভার কম হওয়ার জন্য ম্যাচ ফির ৫ শতাংশ কেটে নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে সংস্থাটির।

অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলের প্রত্যেক খেলোয়াড় ম্যাচ ফি হিসেবে ২০ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার পান, যার ৫ শতাংশ হলো ১ হাজার ডলার। চার ওভার কম বোলিং করায় দলের প্রত্যেক খেলোয়াড়কে ৪ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার জরিমানা গুনতে হতে পারে। সব মিলিয়ে জরিমানার এই অঙ্ক দাঁড়াতে পারে ৪৪ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার বা প্রায় ৩৮ লাখ ২৭ হাজার টাকায়।

তবে এই শাস্তি থেকে বাঁচার একটি ক্ষীণ আশা রয়েছে অজিদের। ম্যাচ রেফারি ভেন্যুর তাপমাত্রা এবং উইকেট পতনের মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে জরিমানার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতে পারেন। ডারউইনের ভ্যাপসা গরম ও আর্দ্রতাই খেলোয়াড়দের এই শাস্তি থেকে বাঁচানোর একমাত্র ভরসা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শুধু আর্থিক জরিমানা নয়, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ পয়েন্ট তালিকা থেকেও অস্ট্রেলিয়ার ৪ পয়েন্ট কেটে নেওয়া হতে পারে। বর্তমানে ৮৪ পয়েন্ট ও ৭৭.৭৮ শতাংশ জয় নিয়ে দলটি তালিকার শীর্ষে রয়েছে। ২০২০ সালের বক্সিং ডে টেস্টে একই ধরনের অপরাধের কারণে পয়েন্ট কাটা যাওয়ায় অস্ট্রেলিয়া ২০২১ সালের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয়েছিল।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ দলও অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে নির্ধারিত ওভার রেটের চেয়ে পিছিয়ে ছিল। তবে অস্ট্রেলিয়াকে মাত্র ৫৩ ওভারে অলআউট করতে পারায় বাংলাদেশ শাস্তির হাত থেকে বেঁচে যাচ্ছে। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, কোনো দল যদি অন্তত ৮০ ওভার ব্যাট না করে অথবা দুই ইনিংস মিলিয়ে ১৬০ ওভারের কম খেলে অলআউট হয়, তবে এই ধীরগতির ওভার রেটের শাস্তি প্রযোজ্য হয় না। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ১৩৮ ওভার ব্যাট করায় অস্ট্রেলিয়া এখন শাস্তির ঝুঁকিতে রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo