ঢাকা ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

চাঁদের বুকে আছড়ে পড়ল ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠানের পরিত্যক্ত রকেট

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:১১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ধনকুবের ইলন মাস্কের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের একটি পরিত্যক্ত রকেট বুধবার রাতে চাঁদের বুকে আছড়ে পড়েছে। বিজ্ঞানীরা এই ঘটনাকে অত্যন্ত বিরল হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। রকেটটির নাম ফ্যালকন ৯, যা ২০২৫ সালে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী রকেটের ব্যবহৃত অংশ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ফিরে আসার কথা থাকলেও, ওই বিশেষ অভিযানে অধিক শক্তির প্রয়োজন হওয়ায় রকেটের দ্বিতীয় ধাপটি আর পৃথিবীতে ফিরে আসেনি। ফলে এটি দীর্ঘ সময় মহাকাশে ভাসমান অবস্থায় ছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, রকেটটি চাঁদে আছড়ে পড়লেও এতে পৃথিবীর কোনো ঝুঁকি নেই। তবে এই সংঘর্ষের ফলে চাঁদের পৃষ্ঠে প্রায় ১৮ মিটার চওড়া এবং ৪ মিটার গভীর একটি গর্ত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া সংঘর্ষের প্রভাবে চাঁদের বুকে ধুলাবালুর বিশাল মেঘ সৃষ্টি হবে।

চলতি বছরের শুরুর দিকে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হয়েছিলেন যে, রকেটের অংশটি চাঁদের দিকে ধাবিত হচ্ছে। স্পেসএক্সের কর্মকর্তা জুলিয়ানা শেইম্যানের ভাষ্যমতে, সৌরশক্তি ও মহাকর্ষীয় শক্তির সম্মিলিত প্রভাবে রকেটটি চাঁদের দিকে চলে যায়। অন্যদিকে, জ্যোতির্বিজ্ঞান-সংক্রান্ত সফটওয়্যার নির্মাতা বিল গ্রে জানিয়েছেন, এই ঘটনা থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

চাঁদে রকেট আছড়ে পড়ার ঘটনা সচরাচর ঘটে না। এর আগে ২০২২ সালে একটি চীনা রকেটের অংশ চাঁদে আঘাত করেছিল। এছাড়া ২০০৯ সালে নাসা গবেষণার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে একটি রকেটের অংশ চাঁদে ফেলেছিল। এর বাইরেও বেশ কয়েকটি মহাকাশযান চাঁদে অবতরণের চেষ্টা করতে গিয়ে বিধ্বস্ত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ২০১৯ সালে ভারতের চন্দ্রযান-২ ল্যান্ডার ও ইসরায়েলের বেরেশিট এবং ২০২৩ সালে রাশিয়ার লুনা-২৫।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

চাঁদের বুকে আছড়ে পড়ল ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠানের পরিত্যক্ত রকেট

আপডেট সময় : ১১:১১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

ধনকুবের ইলন মাস্কের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের একটি পরিত্যক্ত রকেট বুধবার রাতে চাঁদের বুকে আছড়ে পড়েছে। বিজ্ঞানীরা এই ঘটনাকে অত্যন্ত বিরল হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। রকেটটির নাম ফ্যালকন ৯, যা ২০২৫ সালে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী রকেটের ব্যবহৃত অংশ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ফিরে আসার কথা থাকলেও, ওই বিশেষ অভিযানে অধিক শক্তির প্রয়োজন হওয়ায় রকেটের দ্বিতীয় ধাপটি আর পৃথিবীতে ফিরে আসেনি। ফলে এটি দীর্ঘ সময় মহাকাশে ভাসমান অবস্থায় ছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, রকেটটি চাঁদে আছড়ে পড়লেও এতে পৃথিবীর কোনো ঝুঁকি নেই। তবে এই সংঘর্ষের ফলে চাঁদের পৃষ্ঠে প্রায় ১৮ মিটার চওড়া এবং ৪ মিটার গভীর একটি গর্ত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া সংঘর্ষের প্রভাবে চাঁদের বুকে ধুলাবালুর বিশাল মেঘ সৃষ্টি হবে।

চলতি বছরের শুরুর দিকে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হয়েছিলেন যে, রকেটের অংশটি চাঁদের দিকে ধাবিত হচ্ছে। স্পেসএক্সের কর্মকর্তা জুলিয়ানা শেইম্যানের ভাষ্যমতে, সৌরশক্তি ও মহাকর্ষীয় শক্তির সম্মিলিত প্রভাবে রকেটটি চাঁদের দিকে চলে যায়। অন্যদিকে, জ্যোতির্বিজ্ঞান-সংক্রান্ত সফটওয়্যার নির্মাতা বিল গ্রে জানিয়েছেন, এই ঘটনা থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

চাঁদে রকেট আছড়ে পড়ার ঘটনা সচরাচর ঘটে না। এর আগে ২০২২ সালে একটি চীনা রকেটের অংশ চাঁদে আঘাত করেছিল। এছাড়া ২০০৯ সালে নাসা গবেষণার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে একটি রকেটের অংশ চাঁদে ফেলেছিল। এর বাইরেও বেশ কয়েকটি মহাকাশযান চাঁদে অবতরণের চেষ্টা করতে গিয়ে বিধ্বস্ত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ২০১৯ সালে ভারতের চন্দ্রযান-২ ল্যান্ডার ও ইসরায়েলের বেরেশিট এবং ২০২৩ সালে রাশিয়ার লুনা-২৫।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo