ঢাকা ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইউপি নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানত ৫ গুণ বাড়ালো ইসি মেসির বিদায়ী ম্যাচের টিকিট বিক্রির নতুন সময়সূচি ঘোষণা নোয়াখালীতে নিম্নমানের সেতু নির্মাণ, দুই প্রকৌশলীর কৈফিয়ত তলব নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে আগাম আলু চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন বরিশালে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সাবেক সাত এমপি ও তাদের স্বজনদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা আপা আর ফিরে আসবে না, খুনিদের ছাড় নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বারিধারায় গাড়িচাপা: কিশোর চালক আজান আলী শরীফ অবশেষে গ্রেপ্তার সম্ভাবনা থেকে সংকটে গণঅধিকার পরিষদ: রাজনীতির মাঠে টিকে থাকার লড়াই মাস্টার্স পরীক্ষার আগেই বিচারক হলেন ইবির রাজু আহমেদ

পথ হারিয়ে ফেললে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে এসে পথ খুঁজে নেবো: ড. ইউনূস

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৩৩:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর অতীতকে ধারণ করে ভবিষ্যৎ রচনা করছে। বুধবার (৫ আগস্ট) জাদুঘরটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ড. ইউনূস আরও বলেন, আমরা যদি কখনো পথ হারিয়ে ফেলি বা আমাদের চিন্তায় কোনো গাফিলতি আসে, তবে এই জাদুঘরে এসে আমরা নতুন করে ঠিকানা খুঁজে পাবো এবং নতুন যাত্রা শুরু করতে পারবো।

পৃথিবীর অন্যান্য জাদুঘরের তুলনায় এই জাদুঘরের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন বলে মন্তব্য করেন অধ্যাপক ইউনূস। তিনি বলেন, এখানে বহু বছরের পুরোনো ইতিহাসের বদলে গণ-অভ্যুত্থানের তাৎক্ষণিক ঘটনাপ্রবাহের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে, যা ইতিহাসের নতুন পর্যায় তৈরি করেছে। এটি কেবল স্মৃতি সংরক্ষণের স্থান নয়, বরং নতুন বাংলাদেশ গঠনের একটি প্রেরণার কেন্দ্র।

আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, অনেক তরুণ কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছাড়াই তাদের অনুভূতি লিখে গেছেন। পরিবারের বাধা উপেক্ষা করে কেন তারা রাজপথে নেমেছিলেন, সেসব চিঠিতে উঠে এসেছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এই দলিলগুলো অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। ড. ইউনূস প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশের প্রতিটি তরুণ যেন সেই চিঠির লেখকদের মতো সাহসী হয় এবং নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে আসে।

প্রতিটি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও সাধারণ নাগরিককে অন্তত একবার এই জাদুঘর পরিদর্শনের আহ্বান জানান তিনি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দর্শনার্থীরা শুধু দেখে চলে যাবেন না, বরং এখানে বসে নিজেদের স্বপ্ন, প্রত্যাশা ও ভবিষ্যতের পরিকল্পনা লিখে রেখে যাবেন। এছাড়া এই জাদুঘরটি ভবিষ্যতে শিল্প, সংস্কৃতি, সংগীত, চিত্রকলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

জাদুঘরে থাকা প্রতীকী কবরগুলোর বিষয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি কবরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শহীদের পরিচয় ও আত্মত্যাগের ইতিহাস সংরক্ষিত রাখা হয়েছে, যাতে মানুষ জানতে পারে তারা কেন এবং কীভাবে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

পথ হারিয়ে ফেললে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে এসে পথ খুঁজে নেবো: ড. ইউনূস

আপডেট সময় : ১২:৩৩:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর অতীতকে ধারণ করে ভবিষ্যৎ রচনা করছে। বুধবার (৫ আগস্ট) জাদুঘরটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ড. ইউনূস আরও বলেন, আমরা যদি কখনো পথ হারিয়ে ফেলি বা আমাদের চিন্তায় কোনো গাফিলতি আসে, তবে এই জাদুঘরে এসে আমরা নতুন করে ঠিকানা খুঁজে পাবো এবং নতুন যাত্রা শুরু করতে পারবো।

পৃথিবীর অন্যান্য জাদুঘরের তুলনায় এই জাদুঘরের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন বলে মন্তব্য করেন অধ্যাপক ইউনূস। তিনি বলেন, এখানে বহু বছরের পুরোনো ইতিহাসের বদলে গণ-অভ্যুত্থানের তাৎক্ষণিক ঘটনাপ্রবাহের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে, যা ইতিহাসের নতুন পর্যায় তৈরি করেছে। এটি কেবল স্মৃতি সংরক্ষণের স্থান নয়, বরং নতুন বাংলাদেশ গঠনের একটি প্রেরণার কেন্দ্র।

আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, অনেক তরুণ কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছাড়াই তাদের অনুভূতি লিখে গেছেন। পরিবারের বাধা উপেক্ষা করে কেন তারা রাজপথে নেমেছিলেন, সেসব চিঠিতে উঠে এসেছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এই দলিলগুলো অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। ড. ইউনূস প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশের প্রতিটি তরুণ যেন সেই চিঠির লেখকদের মতো সাহসী হয় এবং নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে আসে।

প্রতিটি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও সাধারণ নাগরিককে অন্তত একবার এই জাদুঘর পরিদর্শনের আহ্বান জানান তিনি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দর্শনার্থীরা শুধু দেখে চলে যাবেন না, বরং এখানে বসে নিজেদের স্বপ্ন, প্রত্যাশা ও ভবিষ্যতের পরিকল্পনা লিখে রেখে যাবেন। এছাড়া এই জাদুঘরটি ভবিষ্যতে শিল্প, সংস্কৃতি, সংগীত, চিত্রকলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

জাদুঘরে থাকা প্রতীকী কবরগুলোর বিষয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি কবরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শহীদের পরিচয় ও আত্মত্যাগের ইতিহাস সংরক্ষিত রাখা হয়েছে, যাতে মানুষ জানতে পারে তারা কেন এবং কীভাবে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin