ঢাকা ০১:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালগঞ্জে ৪ স্টোন ক্রাশারকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা জরিমানা জাতীয় স্বার্থেই বোয়িং কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন সিরাজগঞ্জে সাইবার সুরক্ষা ও সিআর মামলায় ৩ আসামি আদালতে প্রেরণ প্রশাসনিক কারণে শাহ আলী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলমকে প্রত্যাহার তাড়াশে গভীর রাতে বাঁশকল ডিউটি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে ৩ লাখ টাকার ক্ষতি আগ্রাসন চালালে নতুন সামরিক প্রযুক্তির ‘চমক’ দেখাবে ইরান জাসদ কার্যালয় থেকে আটক ২৮৯ জনের মধ্যে ১০৬ জনকে মুক্তি আসিয়ান কাপে টিকে থাকতে সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়া ম্যাচে চোখ বাংলাদেশের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় আর আস্থা নেই ইরানের: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান

যাত্রাবাড়ীর গণহত্যার বিচার দ্রুত শেষ করার অঙ্গীকার ট্রাইব্যুনালের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:২০:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর অন্যতম রক্তাক্ত এলাকা ছিল যাত্রাবাড়ী। সেখানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের ভয়াবহতার বিচার কাজ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত শেষ করার অঙ্গীকার করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রবিবার যাত্রাবাড়ীর নবী টাওয়ারে আয়োজিত এক গণশুনানিতে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম এই আশ্বাস দেন।

গণশুনানিতে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের স্বজন, আহত ব্যক্তি এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত হয়ে তাদের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা, অভিযোগ এবং ঘটনার নানা তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরেন। চিফ প্রসিকিউটর জানান, এখন পর্যন্ত যাত্রাবাড়ীতে শহীদদের প্রাথমিক তালিকায় ৮৫ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তবে তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

চিফ প্রসিকিউটর আরও জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সব হত্যাকাণ্ডের মামলা এখনো ট্রাইব্যুনালের আওতায় আসেনি। স্থানীয় থানায় থাকা মামলাগুলোও ট্রাইব্যুনালের অধীনে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। যেসব মামলার তদন্ত এখনো শেষ হয়নি, সেগুলো ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করবে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, যাত্রাবাড়ীর মামলাগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে কেবল তাইয়ুম ভূঁইয়া হত্যা মামলার বিচারকাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং অন্য মামলাগুলোর কার্যক্রমও ত্বরান্বিত করা হচ্ছে।

শুনানিতে অংশগ্রহণকারীরা যাত্রাবাড়ীর গণহত্যায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা নিহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়ন, ঘটনার প্রকৃত চিত্র জাতির সামনে উন্মোচন এবং ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

যাত্রাবাড়ীর গণহত্যার বিচার দ্রুত শেষ করার অঙ্গীকার ট্রাইব্যুনালের

আপডেট সময় : ০৯:২০:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর অন্যতম রক্তাক্ত এলাকা ছিল যাত্রাবাড়ী। সেখানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের ভয়াবহতার বিচার কাজ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত শেষ করার অঙ্গীকার করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রবিবার যাত্রাবাড়ীর নবী টাওয়ারে আয়োজিত এক গণশুনানিতে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম এই আশ্বাস দেন।

গণশুনানিতে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের স্বজন, আহত ব্যক্তি এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত হয়ে তাদের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা, অভিযোগ এবং ঘটনার নানা তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরেন। চিফ প্রসিকিউটর জানান, এখন পর্যন্ত যাত্রাবাড়ীতে শহীদদের প্রাথমিক তালিকায় ৮৫ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তবে তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

চিফ প্রসিকিউটর আরও জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সব হত্যাকাণ্ডের মামলা এখনো ট্রাইব্যুনালের আওতায় আসেনি। স্থানীয় থানায় থাকা মামলাগুলোও ট্রাইব্যুনালের অধীনে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। যেসব মামলার তদন্ত এখনো শেষ হয়নি, সেগুলো ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করবে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, যাত্রাবাড়ীর মামলাগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে কেবল তাইয়ুম ভূঁইয়া হত্যা মামলার বিচারকাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং অন্য মামলাগুলোর কার্যক্রমও ত্বরান্বিত করা হচ্ছে।

শুনানিতে অংশগ্রহণকারীরা যাত্রাবাড়ীর গণহত্যায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা নিহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়ন, ঘটনার প্রকৃত চিত্র জাতির সামনে উন্মোচন এবং ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin