ঢাকা ০৩:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টঙ্গীতে ট্রেনের ধাক্কায় কারখানার নারী কর্মীর মৃত্যু মস্কোর রেস্তোরাঁয় আত্মঘাতী বোমা হামলা: নিহত ৩, আহত ২১ আসিয়ানে সদস্য হওয়ার সুযোগ নেই বাংলাদেশের: মহাসচিব কাও কিম হোর্ন ঢাকা ওয়াসার চেয়ারম্যান হলেন বুয়েট অধ্যাপক সাব্বির মোস্তফা খান অনিয়মের অভিযোগে যবিপ্রবির ১১ গবেষণাপত্র প্রত্যাহার, তালিকায় সাবেক উপাচার্য দুই সপ্তাহেও কাটেনি গ্যাস সংকট, বিপাকে শিল্প ও আবাসিক খাত শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর ফরিদপুরের নগরকান্দায় ৯ বছরের শিশু হত্যা: তদন্তে আটক ২ বনানীর ফুডকোর্টকে খালি জায়গা দেখিয়ে বিএনপি নেতাকে ভাড়া দিল ডিএনসিসি আগস্টেই যোগদানের দাবিতে শাহবাগে অবস্থান নিলেন ১৪ হাজার শিক্ষক

ইসলামের দৃষ্টিতে যুব উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার উপায়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২১:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী, যুবসমাজ কেবল ভবিষ্যতের ধারক নয়, বরং তারা বর্তমান সময়ের রূপান্তরকারী শক্তি। একটি জাতির সামগ্রিক অগ্রগতির প্রতিটি স্তরে যুবশক্তির প্রভাব অনস্বীকার্য, তাই তাদের একটি জাতির হৃদস্পন্দন হিসেবে গণ্য করা হয়। যৌবন জীবনের এমন এক স্বর্ণালি সময়, যেখানে সাহস, উদ্যম এবং অসীম সম্ভাবনার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। এ বয়সে মানুষের চিন্তাশক্তি ও মনোবল থাকে তুঙ্গে। ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, অধিকাংশ বৈপ্লবিক পরিবর্তনের মূলে ছিল তরুণ প্রজন্ম।

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন, 'আল্লাহই তোমাদের সৃষ্টি করেছেন দুর্বল (শৈশব) থেকে, তারপর দুর্বলতার পর দিয়েছেন শক্তি (যৌবন) এবং শক্তির পর দিয়েছেন দুর্বলতা ও বার্ধক্য।' (সুরা রুম : ৫৪)। এই বাণীর আলোকে এটি স্পষ্ট যে, যৌবনকে সৎ কাজে ব্যবহার করলে উন্নত ভবিষ্যৎ গঠন সম্ভব, অন্যথায় অপব্যবহারে অনিবার্য পতন ঘটে।

একটি সমাজ যদি তার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের অধিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে চায়, তবে যুব উন্নয়নের ক্ষেত্রে তিনটি মূল ভিত্তিকে গুরুত্ব দিতে হবে। প্রথমত, নৈতিকতা ও আদর্শ, যা সত্যবাদিতা, আমানতদারি, ইনসাফ, তাকওয়া ও কঠোর পরিশ্রমের ওপর প্রতিষ্ঠিত। দ্বিতীয়ত, কারিগরি ও পেশাগত শিক্ষা। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগেও তরুণদের কৃষি, ব্যবসা, চিকিৎসা, রণকৌশল ও নৌযান পরিচালনার মতো কৌশলগত শিক্ষায় উৎসাহিত করা হতো।

তৃতীয়ত, সামাজিক ও নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ। এর একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হলো উসামা ইবনে জায়েদ (রা.), যাকে মাত্র ১৮ বছর বয়সে বিশাল বাহিনীর সেনাপতি নিযুক্ত করা হয়েছিল, যা যুবকদের ওপর আস্থা রাখার এক অনন্য উদাহরণ।

১. নৈতিকতা ও আদর্শ : সত্যবাদিতা, আমানতদারি, ইনসাফ, তাকওয়া ও পরিশ্রম এগুলো হচ্ছে ইসলামি চরিত্র গঠনের ভিত্তি।

২. কারিগরি ও পেশাগত শিক্ষা : রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগেও তরুণদের কৌশলগত শিক্ষায় উৎসাহ দেওয়া হতো- যেমন: কৃষি, ব্যবসা, চিকিৎসা, রণকৌশল, নৌযান পরিচালনা ইত্যাদি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসলামের দৃষ্টিতে যুব উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার উপায়

আপডেট সময় : ১১:২১:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
print news

ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী, যুবসমাজ কেবল ভবিষ্যতের ধারক নয়, বরং তারা বর্তমান সময়ের রূপান্তরকারী শক্তি। একটি জাতির সামগ্রিক অগ্রগতির প্রতিটি স্তরে যুবশক্তির প্রভাব অনস্বীকার্য, তাই তাদের একটি জাতির হৃদস্পন্দন হিসেবে গণ্য করা হয়। যৌবন জীবনের এমন এক স্বর্ণালি সময়, যেখানে সাহস, উদ্যম এবং অসীম সম্ভাবনার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। এ বয়সে মানুষের চিন্তাশক্তি ও মনোবল থাকে তুঙ্গে। ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, অধিকাংশ বৈপ্লবিক পরিবর্তনের মূলে ছিল তরুণ প্রজন্ম।

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন, 'আল্লাহই তোমাদের সৃষ্টি করেছেন দুর্বল (শৈশব) থেকে, তারপর দুর্বলতার পর দিয়েছেন শক্তি (যৌবন) এবং শক্তির পর দিয়েছেন দুর্বলতা ও বার্ধক্য।' (সুরা রুম : ৫৪)। এই বাণীর আলোকে এটি স্পষ্ট যে, যৌবনকে সৎ কাজে ব্যবহার করলে উন্নত ভবিষ্যৎ গঠন সম্ভব, অন্যথায় অপব্যবহারে অনিবার্য পতন ঘটে।

একটি সমাজ যদি তার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের অধিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে চায়, তবে যুব উন্নয়নের ক্ষেত্রে তিনটি মূল ভিত্তিকে গুরুত্ব দিতে হবে। প্রথমত, নৈতিকতা ও আদর্শ, যা সত্যবাদিতা, আমানতদারি, ইনসাফ, তাকওয়া ও কঠোর পরিশ্রমের ওপর প্রতিষ্ঠিত। দ্বিতীয়ত, কারিগরি ও পেশাগত শিক্ষা। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগেও তরুণদের কৃষি, ব্যবসা, চিকিৎসা, রণকৌশল ও নৌযান পরিচালনার মতো কৌশলগত শিক্ষায় উৎসাহিত করা হতো।

তৃতীয়ত, সামাজিক ও নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ। এর একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হলো উসামা ইবনে জায়েদ (রা.), যাকে মাত্র ১৮ বছর বয়সে বিশাল বাহিনীর সেনাপতি নিযুক্ত করা হয়েছিল, যা যুবকদের ওপর আস্থা রাখার এক অনন্য উদাহরণ।

১. নৈতিকতা ও আদর্শ : সত্যবাদিতা, আমানতদারি, ইনসাফ, তাকওয়া ও পরিশ্রম এগুলো হচ্ছে ইসলামি চরিত্র গঠনের ভিত্তি।

২. কারিগরি ও পেশাগত শিক্ষা : রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগেও তরুণদের কৌশলগত শিক্ষায় উৎসাহ দেওয়া হতো- যেমন: কৃষি, ব্যবসা, চিকিৎসা, রণকৌশল, নৌযান পরিচালনা ইত্যাদি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh