ঢাকা ০৯:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
খালাসের পরও ৮ বছর জেল, ইব্রাহিমকে ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রুল অপতথ্য ও এআইয়ের অপব্যবহার রোধে বৈশ্বিক ঐক্যের ডাক তথ্য প্রতিমন্ত্রীর ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২০৩৬ জন বোয়িং কেনায় কোনো গোপন এজেন্ডা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এশিয়ান গেমসে ভারতের কাছে বড় ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ শেরপুরে ব্রক্ষপুত্র নদ থেকে যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার লালমোহনে দুর্গোৎসব ও সরকারি সেবামূলক কার্যক্রম নিয়ে প্রশাসনের সভা মিয়ানমারে বাজারে বিমান হামলা, নিহত অন্তত ৩৩ ২২টি লাইসেন্সবিহীন অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মে লেনদেন না করার সতর্কবার্তা ডেঙ্গু প্রতিরোধে ডিএসসিসিতে ১২ দিনব্যাপী এডিস মশার লার্ভা জরিপ শুরু

ইসলামের দৃষ্টিতে যুব উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার উপায়

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:২১:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬ ৩১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী, যুবসমাজ কেবল ভবিষ্যতের ধারক নয়, বরং তারা বর্তমান সময়ের রূপান্তরকারী শক্তি। একটি জাতির সামগ্রিক অগ্রগতির প্রতিটি স্তরে যুবশক্তির প্রভাব অনস্বীকার্য, তাই তাদের একটি জাতির হৃদস্পন্দন হিসেবে গণ্য করা হয়। যৌবন জীবনের এমন এক স্বর্ণালি সময়, যেখানে সাহস, উদ্যম এবং অসীম সম্ভাবনার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। এ বয়সে মানুষের চিন্তাশক্তি ও মনোবল থাকে তুঙ্গে। ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, অধিকাংশ বৈপ্লবিক পরিবর্তনের মূলে ছিল তরুণ প্রজন্ম।

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন, 'আল্লাহই তোমাদের সৃষ্টি করেছেন দুর্বল (শৈশব) থেকে, তারপর দুর্বলতার পর দিয়েছেন শক্তি (যৌবন) এবং শক্তির পর দিয়েছেন দুর্বলতা ও বার্ধক্য।' (সুরা রুম : ৫৪)। এই বাণীর আলোকে এটি স্পষ্ট যে, যৌবনকে সৎ কাজে ব্যবহার করলে উন্নত ভবিষ্যৎ গঠন সম্ভব, অন্যথায় অপব্যবহারে অনিবার্য পতন ঘটে।

একটি সমাজ যদি তার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের অধিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে চায়, তবে যুব উন্নয়নের ক্ষেত্রে তিনটি মূল ভিত্তিকে গুরুত্ব দিতে হবে। প্রথমত, নৈতিকতা ও আদর্শ, যা সত্যবাদিতা, আমানতদারি, ইনসাফ, তাকওয়া ও কঠোর পরিশ্রমের ওপর প্রতিষ্ঠিত। দ্বিতীয়ত, কারিগরি ও পেশাগত শিক্ষা। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগেও তরুণদের কৃষি, ব্যবসা, চিকিৎসা, রণকৌশল ও নৌযান পরিচালনার মতো কৌশলগত শিক্ষায় উৎসাহিত করা হতো।

তৃতীয়ত, সামাজিক ও নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ। এর একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হলো উসামা ইবনে জায়েদ (রা.), যাকে মাত্র ১৮ বছর বয়সে বিশাল বাহিনীর সেনাপতি নিযুক্ত করা হয়েছিল, যা যুবকদের ওপর আস্থা রাখার এক অনন্য উদাহরণ।

১. নৈতিকতা ও আদর্শ : সত্যবাদিতা, আমানতদারি, ইনসাফ, তাকওয়া ও পরিশ্রম এগুলো হচ্ছে ইসলামি চরিত্র গঠনের ভিত্তি।

২. কারিগরি ও পেশাগত শিক্ষা : রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগেও তরুণদের কৌশলগত শিক্ষায় উৎসাহ দেওয়া হতো- যেমন: কৃষি, ব্যবসা, চিকিৎসা, রণকৌশল, নৌযান পরিচালনা ইত্যাদি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসলামের দৃষ্টিতে যুব উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার উপায়

আপডেট সময় : ১১:২১:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী, যুবসমাজ কেবল ভবিষ্যতের ধারক নয়, বরং তারা বর্তমান সময়ের রূপান্তরকারী শক্তি। একটি জাতির সামগ্রিক অগ্রগতির প্রতিটি স্তরে যুবশক্তির প্রভাব অনস্বীকার্য, তাই তাদের একটি জাতির হৃদস্পন্দন হিসেবে গণ্য করা হয়। যৌবন জীবনের এমন এক স্বর্ণালি সময়, যেখানে সাহস, উদ্যম এবং অসীম সম্ভাবনার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। এ বয়সে মানুষের চিন্তাশক্তি ও মনোবল থাকে তুঙ্গে। ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, অধিকাংশ বৈপ্লবিক পরিবর্তনের মূলে ছিল তরুণ প্রজন্ম।

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন, 'আল্লাহই তোমাদের সৃষ্টি করেছেন দুর্বল (শৈশব) থেকে, তারপর দুর্বলতার পর দিয়েছেন শক্তি (যৌবন) এবং শক্তির পর দিয়েছেন দুর্বলতা ও বার্ধক্য।' (সুরা রুম : ৫৪)। এই বাণীর আলোকে এটি স্পষ্ট যে, যৌবনকে সৎ কাজে ব্যবহার করলে উন্নত ভবিষ্যৎ গঠন সম্ভব, অন্যথায় অপব্যবহারে অনিবার্য পতন ঘটে।

একটি সমাজ যদি তার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের অধিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে চায়, তবে যুব উন্নয়নের ক্ষেত্রে তিনটি মূল ভিত্তিকে গুরুত্ব দিতে হবে। প্রথমত, নৈতিকতা ও আদর্শ, যা সত্যবাদিতা, আমানতদারি, ইনসাফ, তাকওয়া ও কঠোর পরিশ্রমের ওপর প্রতিষ্ঠিত। দ্বিতীয়ত, কারিগরি ও পেশাগত শিক্ষা। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগেও তরুণদের কৃষি, ব্যবসা, চিকিৎসা, রণকৌশল ও নৌযান পরিচালনার মতো কৌশলগত শিক্ষায় উৎসাহিত করা হতো।

তৃতীয়ত, সামাজিক ও নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ। এর একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হলো উসামা ইবনে জায়েদ (রা.), যাকে মাত্র ১৮ বছর বয়সে বিশাল বাহিনীর সেনাপতি নিযুক্ত করা হয়েছিল, যা যুবকদের ওপর আস্থা রাখার এক অনন্য উদাহরণ।

১. নৈতিকতা ও আদর্শ : সত্যবাদিতা, আমানতদারি, ইনসাফ, তাকওয়া ও পরিশ্রম এগুলো হচ্ছে ইসলামি চরিত্র গঠনের ভিত্তি।

২. কারিগরি ও পেশাগত শিক্ষা : রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগেও তরুণদের কৌশলগত শিক্ষায় উৎসাহ দেওয়া হতো- যেমন: কৃষি, ব্যবসা, চিকিৎসা, রণকৌশল, নৌযান পরিচালনা ইত্যাদি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh