ঢাকা ১২:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিটিএস ভক্ত তিন কিশোরী উদ্ধার: যেভাবে বাড়ি ফিরল তারা জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন বিলাইছড়িতে বিজিবির হেফাজত থেকে ২ ভারতীয়কে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি বিশু, সম্পাদক ওয়াহেদ খালাসের পরও ৮ বছর জেল, ইব্রাহিমকে ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রুল অপতথ্য ও এআইয়ের অপব্যবহার রোধে বৈশ্বিক ঐক্যের ডাক তথ্য প্রতিমন্ত্রীর ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২০৩৬ জন বোয়িং কেনায় কোনো গোপন এজেন্ডা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এশিয়ান গেমসে ভারতের কাছে বড় ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ শেরপুরে ব্রক্ষপুত্র নদ থেকে যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার

খাগড়াছড়ির দুর্গম পাহাড়ে ৩৯৭ শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৩২:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬ ৩৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ভৌগোলিক প্রতিকূলতা, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট জয় করে খাগড়াছড়ির দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার অদম্য আগ্রহকে উৎসাহিত করতে এগিয়ে এসেছে 'এলিভেটিং সোসাইটি ফর স্কিল ডেভেলপমেন্ট' (ESSD)। ডিবিএল সিরামিকস লিমিটেডের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিলের সহায়তায় সম্প্রতি সাতটি বিদ্যালয় ও শিক্ষাকেন্দ্রের মোট ৩৯৭ জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষা উপকরণ হিসেবে চক ও স্লেট প্রদান করা হয়েছে।

গত ২৬ থেকে ২৮ জুলাই পর্যন্ত খাগড়াছড়ি সদর, মাটিরাঙ্গা ও পানছড়ি উপজেলার অত্যন্ত দুর্গম এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। ESSD-এর পরিচালক (ম্যানেজমেন্ট, প্রোগ্রামস ও ফাইন্যান্স) শাদমান বিন সামাদ এবং প্রোগ্রাম ম্যানেজার ফারহান ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থেকে এই বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন করেন।

এই কর্মসূচির আওতায় খাগড়াছড়ি সদরের উত্তর গঞ্জপাড়া নন-গভর্নমেন্ট প্রাইমারি স্কুলের ৮৩ জন ও রবিধন পাড়া নন-গভর্নমেন্ট প্রাইমারি স্কুলের ৭৩ জন শিক্ষার্থী সহায়তা পেয়েছে। এছাড়া মাটিরাঙ্গার দলদলি আশা হফনং নন-গভর্নমেন্ট প্রাইমারি স্কুলের ৯২ জন এবং আদর্শগ্রাম আনোয়ারা বেগম তা’লিমুল কোরআন মাদ্রাসার ৯৯ জন শিক্ষার্থী এই শিক্ষা উপকরণ গ্রহণ করে। পাশাপাশি পানছড়ির পূর্ব ডমডমপড়া কেন্দ্র, ডমডমপড়া কেন্দ্র ও সাঁওতালপড়া কেন্দ্রের শিক্ষার্থীরাও এই উদ্যোগের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

মাঠপর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে আয়োজক দলটি পাহাড়ি এলাকার বাস্তব জীবনের কঠিন চিত্র প্রত্যক্ষ করেছে। দুর্গম কেন্দ্রগুলোতে পৌঁছাতে তাদের পাহাড়ি জিপ, চাঁদের গাড়ি এবং মোটরসাইকেলের ওপর নির্ভর করতে হয়েছে। যাতায়াতের পাশাপাশি খাবার পানির সংকট সেখানে বড় একটি চ্যালেঞ্জ। স্থানীয় পরিবারগুলোকে বিশুদ্ধ পানির জন্য ৭ থেকে ১০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয়, আর রবিধন পাড়ার মতো কিছু বিদ্যালয় নিকটবর্তী বাজার থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বর্ষাকালে সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও শোচনীয় হয়ে পড়ে। এত প্রতিকূলতার মধ্যেও শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে ESSD ভবিষ্যতে শিক্ষা ও কমিউনিটি উন্নয়নমূলক নানামুখী কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy

নিউজটি শেয়ার করুন

খাগড়াছড়ির দুর্গম পাহাড়ে ৩৯৭ শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

আপডেট সময় : ১০:৩২:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

ভৌগোলিক প্রতিকূলতা, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট জয় করে খাগড়াছড়ির দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার অদম্য আগ্রহকে উৎসাহিত করতে এগিয়ে এসেছে 'এলিভেটিং সোসাইটি ফর স্কিল ডেভেলপমেন্ট' (ESSD)। ডিবিএল সিরামিকস লিমিটেডের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিলের সহায়তায় সম্প্রতি সাতটি বিদ্যালয় ও শিক্ষাকেন্দ্রের মোট ৩৯৭ জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষা উপকরণ হিসেবে চক ও স্লেট প্রদান করা হয়েছে।

গত ২৬ থেকে ২৮ জুলাই পর্যন্ত খাগড়াছড়ি সদর, মাটিরাঙ্গা ও পানছড়ি উপজেলার অত্যন্ত দুর্গম এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। ESSD-এর পরিচালক (ম্যানেজমেন্ট, প্রোগ্রামস ও ফাইন্যান্স) শাদমান বিন সামাদ এবং প্রোগ্রাম ম্যানেজার ফারহান ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থেকে এই বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন করেন।

এই কর্মসূচির আওতায় খাগড়াছড়ি সদরের উত্তর গঞ্জপাড়া নন-গভর্নমেন্ট প্রাইমারি স্কুলের ৮৩ জন ও রবিধন পাড়া নন-গভর্নমেন্ট প্রাইমারি স্কুলের ৭৩ জন শিক্ষার্থী সহায়তা পেয়েছে। এছাড়া মাটিরাঙ্গার দলদলি আশা হফনং নন-গভর্নমেন্ট প্রাইমারি স্কুলের ৯২ জন এবং আদর্শগ্রাম আনোয়ারা বেগম তা’লিমুল কোরআন মাদ্রাসার ৯৯ জন শিক্ষার্থী এই শিক্ষা উপকরণ গ্রহণ করে। পাশাপাশি পানছড়ির পূর্ব ডমডমপড়া কেন্দ্র, ডমডমপড়া কেন্দ্র ও সাঁওতালপড়া কেন্দ্রের শিক্ষার্থীরাও এই উদ্যোগের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

মাঠপর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে আয়োজক দলটি পাহাড়ি এলাকার বাস্তব জীবনের কঠিন চিত্র প্রত্যক্ষ করেছে। দুর্গম কেন্দ্রগুলোতে পৌঁছাতে তাদের পাহাড়ি জিপ, চাঁদের গাড়ি এবং মোটরসাইকেলের ওপর নির্ভর করতে হয়েছে। যাতায়াতের পাশাপাশি খাবার পানির সংকট সেখানে বড় একটি চ্যালেঞ্জ। স্থানীয় পরিবারগুলোকে বিশুদ্ধ পানির জন্য ৭ থেকে ১০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয়, আর রবিধন পাড়ার মতো কিছু বিদ্যালয় নিকটবর্তী বাজার থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বর্ষাকালে সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও শোচনীয় হয়ে পড়ে। এত প্রতিকূলতার মধ্যেও শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে ESSD ভবিষ্যতে শিক্ষা ও কমিউনিটি উন্নয়নমূলক নানামুখী কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy