ঢাকা ১২:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফিফার নতুন বাণিজ্যিক পরিকল্পনা: বিশ্ব ফুটবলের ক্ষমতার সমীকরণ বদলের ইঙ্গিত স্পেনের সিউতা সীমান্তে অভিবাসীদের ঢল, পদদলিত হয়ে ৯ জনের মৃত্যু অনুমতি ছাড়া পোস্টারে ব্যক্তিগত ছবি: ‘বঙ্গ’র ওপর ক্ষুব্ধ প্রভা ঢামেক হাসপাতালের আটতলা থেকে লাফ দিয়ে রোগীর মৃত্যু তাপপ্রবাহে দক্ষিণ এশিয়ায় কর্মসংস্থান ও প্রবৃদ্ধি বড় ঝুঁকির মুখে: বিশ্বব্যাংক নলছিটি-বরিশাল মহাসড়ক কেটে ড্রেজারের পাইপ স্থাপন, ধসের আশঙ্কা নেপালে হিন্দু-মুসলিম সংঘর্ষে ৩ জন নিহত, প্রধানমন্ত্রীর শান্তির আহ্বান বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট গড়ল সৌদি আরব ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরি ২ লাখ ২৩ হাজার টাকা ছাড়াল পোল্যান্ডে রুশ ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, সীমান্তে ন্যাটোর যুদ্ধবিমান মোতায়েন

গাজায় নিরস্ত্রীকরণে নীতিগত সম্মত হামাস, ‘যুগান্তকারী’ বললেন ট্রাম্প

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০০:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

গাজা উপত্যকায় সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের একটি ঐতিহাসিক চুক্তিতে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসসহ অন্যান্য স্বাধীনতাকামী সংগঠন। হামাসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, শিগগিরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে। মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গাজার এই পদক্ষেপকে ‘যুগান্তকারী’ বলে অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, নিরস্ত্রীকরণের একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ আগামী ১৪ দিনের মধ্যে প্রস্তুত করতে হবে। তবে আন্তর্জাতিক যাচাইকারী সংস্থার অনুমোদন সাপেক্ষে এই সময়সীমা আরও বাড়ানো যেতে পারে। হামাসের আলোচক দলের সদস্য গাজি হামাদ এই আলোচনাকে অত্যন্ত কঠিন ও জটিল বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি জানান, তারা এমন একটি বাস্তবায়নযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছেন যা কার্যকর করা সম্ভব।

তবে গাজি হামাদ সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ইসরায়েল যদি তার নিজস্ব দায়বদ্ধতাগুলো পালন না করে, তবে হামাসও এই চুক্তির কোনো অংশ বাস্তবায়ন করবে না। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়াটি মূলত গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড পুনর্গঠনের অগ্রগতির ওপর নির্ভর করছে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই চুক্তিকে গাজার শাসন তদারকির জন্য গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’-এর একটি বড় সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেছেন। গত বৃহস্পতিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, এই চুক্তি গাজায় একটি নতুন ফিলিস্তিনি সরকার গঠনের পথে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই নতুন সরকার বোর্ড অব পিসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে এবং ফিলিস্তিনি জনগণকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। এর ফলে গাজা আর কখনো সন্ত্রাসী হামলার ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হবে না এবং ইসরায়েল তার প্রাপ্য নিরাপত্তা পাবে।

বোর্ড অব পিসের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানা গেছে, হামাস ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠী তাদের অস্ত্র গাজার প্রশাসনের জন্য গঠিতব্য একটি জাতীয় কমিটির কাছে হস্তান্তর করবে। প্রথম ধাপে পুলিশের কাছে থাকা অস্ত্র হস্তান্তর করা হবে এবং পরবর্তীতে ধাপে ধাপে ভারী অস্ত্র নিষ্ক্রিয় করা হবে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী গাজায় সব ধরনের সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে হবে, তবে পুরো প্রক্রিয়াটি বাস্তবায়নে বেশ কিছুটা সময় লাগবে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও জানান, ধাপে ধাপে এই নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়াটি গত অক্টোবরে তার মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তিরই একটি অংশ। ওই যুদ্ধবিরতি মূলত গাজায় ইসরায়েলি যুদ্ধের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে করা হয়েছিল, যে যুদ্ধে এ পর্যন্ত ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং গাজার বিস্তীর্ণ এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ট্রাম্পের মতে, নিরস্ত্রীকরণ সম্পন্ন হলে ইসরায়েল গাজা থেকে তাদের সেনা প্রত্যাহার করবে এবং সেখানে আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী ও একটি নতুন ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনী দায়িত্ব নেবে। এর মাধ্যমে গাজা শেষ পর্যন্ত এমন একটি নতুন ফিলিস্তিনি সরকারের হাতে যাবে, যারা প্রকৃত অর্থেই জনগণের সেবা করবে।

এদিকে, গত সপ্তাহের শেষ দিক থেকে হামাসের শীর্ষ নেতারা মিসরের রাজধানী কায়রোতে অবস্থান করছেন। সেখানে তারা মিসর, কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। হামাসের এক কর্মকর্তা গত বৃহস্পতিবার জানান যে, এই আলোচনা ইতিবাচক এবং এতে অগ্রগতি হচ্ছে। মিসরের আল-কাহেরা নিউজ জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করতে শিগগিরই কায়রোতে মধ্যস্থতাকারীদের নিয়ে নতুন বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। একটি মিসরীয় সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামাস ও অন্যান্য ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রস্তাবটি অনুমোদন করেছে, যার মধ্যে আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েন এবং জাতীয় কমিটির কাজ শুরুর বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তবে গাজাভিত্তিক আরেকটি সশস্ত্র গোষ্ঠী ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ এই চুক্তির খবর অস্বীকার করেছে। তারা জানিয়েছে, বিভিন্ন গোষ্ঠী ও ইসরায়েলের মধ্যে চুক্তি হয়েছে বলে যে খবর ছড়ানো হচ্ছে তা সঠিক নয়। একই সঙ্গে তারা প্রচারিত নথির ভাষা নিয়েও আপত্তি প্রকাশ করেছে। উল্লেখ্য, গত ৬ জুলাই হামাস আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়েছিল যে, প্রায় দুই দশক ধরে গাজা শাসনকারী তাদের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনিক কাঠামোটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় নিরস্ত্রীকরণে নীতিগত সম্মত হামাস, ‘যুগান্তকারী’ বললেন ট্রাম্প

আপডেট সময় : ১০:০০:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
print news

গাজা উপত্যকায় সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের একটি ঐতিহাসিক চুক্তিতে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসসহ অন্যান্য স্বাধীনতাকামী সংগঠন। হামাসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, শিগগিরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে। মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গাজার এই পদক্ষেপকে ‘যুগান্তকারী’ বলে অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, নিরস্ত্রীকরণের একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ আগামী ১৪ দিনের মধ্যে প্রস্তুত করতে হবে। তবে আন্তর্জাতিক যাচাইকারী সংস্থার অনুমোদন সাপেক্ষে এই সময়সীমা আরও বাড়ানো যেতে পারে। হামাসের আলোচক দলের সদস্য গাজি হামাদ এই আলোচনাকে অত্যন্ত কঠিন ও জটিল বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি জানান, তারা এমন একটি বাস্তবায়নযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছেন যা কার্যকর করা সম্ভব।

তবে গাজি হামাদ সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ইসরায়েল যদি তার নিজস্ব দায়বদ্ধতাগুলো পালন না করে, তবে হামাসও এই চুক্তির কোনো অংশ বাস্তবায়ন করবে না। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়াটি মূলত গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড পুনর্গঠনের অগ্রগতির ওপর নির্ভর করছে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই চুক্তিকে গাজার শাসন তদারকির জন্য গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’-এর একটি বড় সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেছেন। গত বৃহস্পতিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, এই চুক্তি গাজায় একটি নতুন ফিলিস্তিনি সরকার গঠনের পথে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই নতুন সরকার বোর্ড অব পিসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে এবং ফিলিস্তিনি জনগণকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। এর ফলে গাজা আর কখনো সন্ত্রাসী হামলার ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হবে না এবং ইসরায়েল তার প্রাপ্য নিরাপত্তা পাবে।

বোর্ড অব পিসের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানা গেছে, হামাস ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠী তাদের অস্ত্র গাজার প্রশাসনের জন্য গঠিতব্য একটি জাতীয় কমিটির কাছে হস্তান্তর করবে। প্রথম ধাপে পুলিশের কাছে থাকা অস্ত্র হস্তান্তর করা হবে এবং পরবর্তীতে ধাপে ধাপে ভারী অস্ত্র নিষ্ক্রিয় করা হবে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী গাজায় সব ধরনের সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে হবে, তবে পুরো প্রক্রিয়াটি বাস্তবায়নে বেশ কিছুটা সময় লাগবে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও জানান, ধাপে ধাপে এই নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়াটি গত অক্টোবরে তার মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তিরই একটি অংশ। ওই যুদ্ধবিরতি মূলত গাজায় ইসরায়েলি যুদ্ধের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে করা হয়েছিল, যে যুদ্ধে এ পর্যন্ত ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং গাজার বিস্তীর্ণ এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ট্রাম্পের মতে, নিরস্ত্রীকরণ সম্পন্ন হলে ইসরায়েল গাজা থেকে তাদের সেনা প্রত্যাহার করবে এবং সেখানে আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী ও একটি নতুন ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনী দায়িত্ব নেবে। এর মাধ্যমে গাজা শেষ পর্যন্ত এমন একটি নতুন ফিলিস্তিনি সরকারের হাতে যাবে, যারা প্রকৃত অর্থেই জনগণের সেবা করবে।

এদিকে, গত সপ্তাহের শেষ দিক থেকে হামাসের শীর্ষ নেতারা মিসরের রাজধানী কায়রোতে অবস্থান করছেন। সেখানে তারা মিসর, কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। হামাসের এক কর্মকর্তা গত বৃহস্পতিবার জানান যে, এই আলোচনা ইতিবাচক এবং এতে অগ্রগতি হচ্ছে। মিসরের আল-কাহেরা নিউজ জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করতে শিগগিরই কায়রোতে মধ্যস্থতাকারীদের নিয়ে নতুন বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। একটি মিসরীয় সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামাস ও অন্যান্য ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রস্তাবটি অনুমোদন করেছে, যার মধ্যে আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েন এবং জাতীয় কমিটির কাজ শুরুর বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তবে গাজাভিত্তিক আরেকটি সশস্ত্র গোষ্ঠী ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ এই চুক্তির খবর অস্বীকার করেছে। তারা জানিয়েছে, বিভিন্ন গোষ্ঠী ও ইসরায়েলের মধ্যে চুক্তি হয়েছে বলে যে খবর ছড়ানো হচ্ছে তা সঠিক নয়। একই সঙ্গে তারা প্রচারিত নথির ভাষা নিয়েও আপত্তি প্রকাশ করেছে। উল্লেখ্য, গত ৬ জুলাই হামাস আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়েছিল যে, প্রায় দুই দশক ধরে গাজা শাসনকারী তাদের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনিক কাঠামোটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin