নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২
- আপডেট সময় : ০১:৪৪:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ ৩০ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলে বহিষ্কৃত ছাত্রলীগের নেতাদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়টিকে কেন্দ্র করে এই উত্তেজনার সূত্রপাত হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ছাত্রদলের একটি কর্মসূচি চলাকালে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক কর্মীকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে সিনিয়র ও জুনিয়রদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ছাত্রদলের সদস্য সচিব মামুন সরকার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে নেতা-কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি এবং পরবর্তীতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহজালাল জনি আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।
সাবেক ছাত্রদল নেতা আব্দুর রহিম অভিযোগ করেন, সদস্য সচিব মামুন সরকারের উপস্থিতিতে তার অনুসারী রাব্বি—যিনি পূর্বে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং সাংবাদিকদের মারধরের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিন বছরের জন্য বহিষ্কৃত ছিলেন—তিনিসহ আরও কয়েকজন নেতা-কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর বুধবার সকালে ইইই বিভাগের শিক্ষার্থী এবং বহিষ্কৃত রিজওয়ানুল করিম রাব্বী নিজেও হামলার শিকার হন এবং তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তবে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাবিব এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এটি কোনো দুই পক্ষের লড়াই ছিল না, বরং সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। তিনি ও সদস্য সচিব উপস্থিত থেকে বিষয়টি সমাধান করেছেন। ছাত্রদলে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টদের সুযোগ পাওয়ার বিষয়ে তিনি জানান, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং প্রমাণ পাওয়া গেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সদস্য সচিব মামুন সরকার জানান, জুনিয়র ও সিনিয়রদের মধ্যে ভুল-বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছিল যা পরবর্তীতে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হয়েছে এবং বর্তমানে ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমান জানান, প্রশাসন ও ছাত্রদলের দায়িত্বপ্রাপ্তদের মধ্যস্থতায় সমস্যার সমাধান হয়েছে।





























