ঢাকা ০১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কুষ্টিয়ায় পুশ-ইন চেষ্টা প্রতিহত, সীমান্তে বিজিবির নজরদারি বৃদ্ধি প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর নিয়ে তাড়াহুড়োর কিছু নেই: দীনেশ ত্রিবেদী ইরানকে কোনো ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব দেননি, দাবি ট্রাম্পের ৩৩ ঘণ্টা পর মুক্ত সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষকরা বৃহস্পতিবার ফেনী সফরে প্রধানমন্ত্রী: দিনভর থাকছে নানা উন্নয়নমূলক কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষিণ এশীয়দের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বেড়েছে ২৪০ শতাংশ সুবর্ণচরে চোরাই গরু বিক্রির অভিযোগে যুবদল নেতা ফারুক বহিষ্কার আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার ঘোষণা বিএনপির, পাশে থাকার আহ্বান জনগণের প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে বিশেষ সহায়তা দেবে সরকার: ড. তিতুমীর ইসিবি চত্বরে আবাসন প্রকল্পে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী শাহরিয়া

এলপিএলে জাফনার বিশাল জয়, উজ্জ্বল সাকিব ও তাওহীদ হৃদয়

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৯:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ ৪১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএল) তাওহীদ হৃদয় দলে ফিরতেই যেন ভাগ্য বদলে গেল জাফনা কিংসের। টুর্নামেন্টের মাঝপথে দলে যোগ দেওয়া এই বাংলাদেশি ব্যাটারকে লাকি চার্ম মেনেই জয়ের ধারায় ফিরেছে তারা। ডাম্বুলায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে ক্যান্ডি রয়্যালসকে ৯৩ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে জাফনা কিংস। ব্যাট হাতে তাওহীদ হৃদয়ের কার্যকর ইনিংসের পর বল হাতে দারুণ অবদান রেখেছেন আরেক বাংলাদেশি তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন জাফনা কিংসের অধিনায়ক ভানুকা রাজাপক্ষে। জাফনার একাদশে এদিন সাকিব আল হাসানের পাশাপাশি সুযোগ পান তাওহীদ হৃদয়। ওয়ান ডাউনে খেলার জন্য হৃদয়কে অবশ্য দীর্ঘক্ষণ প্যাড ও গ্লাভস পরে অপেক্ষা করতে হয়েছিল। কারণ জাফনার দুই ওপেনারই প্রথম ১২.৫ ওভার ক্রিজে কাটিয়ে দেন এবং ১২৯ রানের এক বিধ্বংসী উদ্বোধনী জুটি গড়েন। ৩৬ বলে ১০টি চার ও ২টি ছক্কায় ৬৬ রান করে অভিষকা ফার্নান্দো বিদায় নিলে এই জুটি ভাঙে। এরপর অপর ওপেনার কামিল মিশারাকে নিয়ে ৩১ রানের জুটি গড়েন হৃদয়। মিশারা ৫৩ বল খেলে ৬টি চার ও ৪টি ছক্কার সাহায্যে ৭৮ রান করে আউট হন।

ত্রয়োদশ ওভারে উইকেটে আসা তাওহীদ হৃদয় ইনিংসের শেষ ওভার পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন। মাঝে শাহীন শাহ আফ্রিদি ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের কারণে জাফনার রান তোলার গতি কিছুটা কমে গিয়েছিল। তবে শেষ ওভারে ঝড় তোলেন হৃদয়। তার ব্যাটে ভর করে শেষ ওভারে ১৯ রান সংগ্রহ করে জাফনা কিংস। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৯৯ রানের বিশাল পুঁজি দাঁড় করায় তারা। ২১ বল খেলে ২টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৩৫ রান করে অপরাজিত থাকেন হৃদয়।

২০০ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই বিপাকে পড়ে ক্যান্ডি রয়্যালস। জাফনার হয়ে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই বল হাতে নেন সাকিব আল হাসান। শুরু থেকেই অত্যন্ত মিতব্যয়ী বোলিং করা সাকিব ইনিংসের ১৩তম ওভারে ক্যান্ডির অলরাউন্ডার মঈন আলীকে সাজঘরে ফেরান। তার আঁটসাঁট বোলিং ক্যান্ডির ব্যাটারদের হাত খুলে খেলতে দেয়নি। শেষ পর্যন্ত ৩ ওভার বল করে মাত্র ১৮ রান খরচায় ১টি উইকেট নেন সাকিব। ক্যান্ডির ইনিংস ১০৬ রানে গুটিয়ে যাওয়ায় সাকিবকে চতুর্থ ওভার করার সুযোগই পেতে হয়নি। ৯৩ রানের এই দাপুটে জয়ে ৫ ম্যাচে ৩টি জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জাফনা কিংস।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

এলপিএলে জাফনার বিশাল জয়, উজ্জ্বল সাকিব ও তাওহীদ হৃদয়

আপডেট সময় : ০৮:৪৯:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএল) তাওহীদ হৃদয় দলে ফিরতেই যেন ভাগ্য বদলে গেল জাফনা কিংসের। টুর্নামেন্টের মাঝপথে দলে যোগ দেওয়া এই বাংলাদেশি ব্যাটারকে লাকি চার্ম মেনেই জয়ের ধারায় ফিরেছে তারা। ডাম্বুলায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে ক্যান্ডি রয়্যালসকে ৯৩ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে জাফনা কিংস। ব্যাট হাতে তাওহীদ হৃদয়ের কার্যকর ইনিংসের পর বল হাতে দারুণ অবদান রেখেছেন আরেক বাংলাদেশি তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন জাফনা কিংসের অধিনায়ক ভানুকা রাজাপক্ষে। জাফনার একাদশে এদিন সাকিব আল হাসানের পাশাপাশি সুযোগ পান তাওহীদ হৃদয়। ওয়ান ডাউনে খেলার জন্য হৃদয়কে অবশ্য দীর্ঘক্ষণ প্যাড ও গ্লাভস পরে অপেক্ষা করতে হয়েছিল। কারণ জাফনার দুই ওপেনারই প্রথম ১২.৫ ওভার ক্রিজে কাটিয়ে দেন এবং ১২৯ রানের এক বিধ্বংসী উদ্বোধনী জুটি গড়েন। ৩৬ বলে ১০টি চার ও ২টি ছক্কায় ৬৬ রান করে অভিষকা ফার্নান্দো বিদায় নিলে এই জুটি ভাঙে। এরপর অপর ওপেনার কামিল মিশারাকে নিয়ে ৩১ রানের জুটি গড়েন হৃদয়। মিশারা ৫৩ বল খেলে ৬টি চার ও ৪টি ছক্কার সাহায্যে ৭৮ রান করে আউট হন।

ত্রয়োদশ ওভারে উইকেটে আসা তাওহীদ হৃদয় ইনিংসের শেষ ওভার পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন। মাঝে শাহীন শাহ আফ্রিদি ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের কারণে জাফনার রান তোলার গতি কিছুটা কমে গিয়েছিল। তবে শেষ ওভারে ঝড় তোলেন হৃদয়। তার ব্যাটে ভর করে শেষ ওভারে ১৯ রান সংগ্রহ করে জাফনা কিংস। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৯৯ রানের বিশাল পুঁজি দাঁড় করায় তারা। ২১ বল খেলে ২টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৩৫ রান করে অপরাজিত থাকেন হৃদয়।

২০০ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই বিপাকে পড়ে ক্যান্ডি রয়্যালস। জাফনার হয়ে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই বল হাতে নেন সাকিব আল হাসান। শুরু থেকেই অত্যন্ত মিতব্যয়ী বোলিং করা সাকিব ইনিংসের ১৩তম ওভারে ক্যান্ডির অলরাউন্ডার মঈন আলীকে সাজঘরে ফেরান। তার আঁটসাঁট বোলিং ক্যান্ডির ব্যাটারদের হাত খুলে খেলতে দেয়নি। শেষ পর্যন্ত ৩ ওভার বল করে মাত্র ১৮ রান খরচায় ১টি উইকেট নেন সাকিব। ক্যান্ডির ইনিংস ১০৬ রানে গুটিয়ে যাওয়ায় সাকিবকে চতুর্থ ওভার করার সুযোগই পেতে হয়নি। ৯৩ রানের এই দাপুটে জয়ে ৫ ম্যাচে ৩টি জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জাফনা কিংস।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh