গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকা নিয়ে যা জানাল নির্বাচন কমিশন

- আপডেট সময় : ০৪:১৫:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের সংসদ সদস্য পদ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, শুধুমাত্র দলের বহিষ্কারের চিঠির ভিত্তিতে সংসদ সদস্য পদ থাকা বা না থাকা নিয়ে কমিশনের এককভাবে কিছু করার নেই।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের পদ নিয়ে স্পিকার বা জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক রেফারেন্স বা চিঠি পেলে কমিশন বিষয়টি পর্যালোচনা করবে। এ ক্ষেত্রে সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সদস্যের অযোগ্যতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে শুনানি ও বিতর্কের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। জামায়াতে ইসলামীও তাদের দলের পক্ষ থেকে বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে বলে জানিয়েছে।
এর আগে গত সোমবার রাতে গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত মুহূর্তের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে তাঁকে এক তরুণীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে দেখা যায়। প্রাথমিকভাবে জামায়াতের অনেক নেতা-কর্মী ভিডিওগুলো এআই প্রযুক্তিতে তৈরি বলে দাবি করলেও, পরবর্তী সময়ে গাজী নজরুল ইসলাম নিজের ফেসবুক পেজে ওই তরুণীকে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগম বলে দাবি করেন। তাঁর ভাষ্যমতে, গত ১৭ জুন প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়েছে।
ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জামায়াতের খুলনা অঞ্চলের পরিচালক ও দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ইজ্জত উল্লাহর নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য গ্রহণ করে কেন্দ্রে প্রতিবেদন জমা দেয়। বুধবার দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে আলোচনার পর গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তদন্ত কমিটির অনুসন্ধানে উঠে আসে, বিয়ের আগে তিনি ওই নারীর সঙ্গে একাধিকবার দেখা করেছেন, যা দলের দৃষ্টিতে ‘পর্দা লঙ্ঘন’ এবং এতে সংগঠনের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জামায়াতের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, গাজী নজরুল ইসলাম ঢাকায় এলে মাঝেমধ্যে ওই আত্মীয়ের বাসায় উঠতেন।




























