মুম্বাইয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মাদক মামলায় ফাঁসানোর হুমকি পুলিশের
- আপডেট সময় : ০৬:০৩:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে

ভারতের মহারাষ্ট্রে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) পক্ষে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে মুম্বাইয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পুলিশের পক্ষ থেকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। মুম্বাই কংগ্রেসের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেল থেকে একটি ভিডিও শেয়ার করার পর এ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ভিডিওটিতে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে শিক্ষার্থীদের একটি দলকে উদ্দেশ্য করে বলতে শোনা যায়, তারা যদি আবারও আন্দোলনে অংশ নেয়, তবে তাদের ব্যাগে ৫০ গ্রাম করে মাদক গুঁজে দিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হবে। এতে তাদের জীবন শেষ হয়ে যাবে বলেও তিনি হুমকি দেন। ওই পুলিশ সদস্য আরও অভিযোগ করেন যে, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে তার জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।
ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে মুম্বাই পুলিশ ওই ভিডিওটির সত্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু করেছে। তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্ত ইউনিফর্মধারী পুলিশ সদস্যকে তার দায়িত্ব থেকে সাময়িকভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
কংগ্রেসের মুম্বাই শাখা জানিয়েছে, এটি কেবল শিক্ষার্থীদের ভয় দেখানো নয়, বরং গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর সরাসরি আক্রমণ। তাদের দাবি, আওয়াজ তোলা অপরাধ নয় এবং পুলিশের উচিত হুমকি না দিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের জবাব দেওয়া। সাম্প্রতিক সময়ে শিবাজি পার্ক, চেম্বুর ও আজাদ ময়দানসহ মুম্বাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ও সাধারণ নাগরিক প্রতিবাদে অংশ নিচ্ছেন।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দমনে মুম্বাই পুলিশের কৌশল নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, আন্দোলনকারীদের ডিজিটাল ট্র্যাকিং, নজরদারি এবং বাড়িতে বাড়িতে তল্লাশির মতো কৌশল অবলম্বন করছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। যেসব আন্দোলনকারীর নামে এফআইআর বা আইনি নোটিশ রয়েছে, তাদের স্থানীয় থানা থেকে সরাসরি ফোন ও মেসেজ পাঠানো হচ্ছে। এছাড়া ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ৩৫(৩) ধারার অধীনে ভোররাতে অ্যাপের মাধ্যমে ডিজিটাল নোটিশ পাঠানো এবং হোয়াটসঅ্যাপে লাইভ লোকেশন শেয়ারের নির্দেশ দেওয়ার মতো ঘটনাও সামনে এসেছে।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।.ভিডিওতে ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি তোদের ব্যাগে ৫০-৫০ গ্রাম পাউডার (মাদক) ঢুকিয়ে দেব।





























