ঢাকা ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাজাহানপুরে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে বসতবাড়ী পুরে ছাই, ৬-৭ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

মিজানুর রহমান মিলন, শাজাহানপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:১৬:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ মার্চ ২০২৩ ২৭৫ বার পড়া হয়েছে

শাজাহানপুরে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে বসতবাড়ী পুরে ছাই, ৬-৭ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

মিজানুর রহমান মিলন শাজাহানপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ বগুড়ার শাজাহানপুরে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ভস্মীভূত হয়েছে বসতবাড়ী। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে জানিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ।

গত শনিবার (৪ মার্চ) বিকেল তিনটার দিকে উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের ফুলকোট গ্রামের মোন্নাপাড়ায় আমানুল্লাহ ফকিরের (৩৮) বসতবাড়ীতে এই দূর্ঘটনা ঘটে। তিনি মৃত আশরাফ আলী ওরফে বাবলু ফকিরের ছেলে।

অগ্নিকান্ডে প্রায় ৬-৭ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ।

আমানুল্লাহ ফকিরের স্ত্রী লিমা বেগম জানান, তার মোবাইল ফোনের চার্জার নষ্ট হয়ে যাওয়ায় পাশের বাড়িতে মোবাইল চার্জ দিতে যান। মোবাইল চার্জে দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তা থেকে ঘরের জানালা দিয়ে আগুনের লেলিহান শিখা ও ধুয়া বের হতে দেখেন। এসময় তার ২ বছর বয়সী শিশুপুত্র ঘরে ঘুমিয়ে ছিল। সাড়ে ৩ বছর বয়সী অপর শিশুপুত্র বাড়ীর উঠানে খেলা করছিল। দাউদাউ করে আগুন জ্বলতে দেখে চিৎকার দিয়ে দৌড়ে গিয়ে ঘর থেকে ঘুমন্ত শিশুটিকে বের করেন। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। ততক্ষনে ৪টি কক্ষের সমস্ত আসবাবপএ দাউদাউ করে আগুনে জ্বলতে থাকে। তিনি কান্না জড়িত কন্ঠে জানান ,অনেক কষ্ট করে তিনি এবং তার স্বামী ৪ কক্ষ বিশিষ্ট ইটের টিনসেড বাড়ী করেছেন। আগুনে তার ৪টি কক্ষে থাকা টিভি, ফ্রিজ, সেলিং ফ্যান, সোফা, আলমারি, বাস্ক, জামাকাপড় থেকে শুরু করে যাবতীয় আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে করে তাদের প্রায় ৬-৭ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখন নিঃস্ব অবস্থায় দুই শিশুপুত্রকে নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা।

আমরুল ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য জাহিদুল ইসলাম উজ্জল জানান, আগুন লাগার পরপরই গ্রামের মসজিদের মাইকে ঘোষনার সাথে সাথে আশপাশের নারী-পুরুষ যে যার মত করে পানি নিয়ে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। দীর্ঘক্ষন চেষ্টার পর আগুন নিভে গেলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা চলে আসেন।

আমরুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বিমান জানান, দূর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজখবর নেয়া হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন তাৎক্ষনিকভাবে সহযোগীতার আশ্বাস দিয়েছেন। আগুন লাগার কারণ নিশ্চিত ভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে বৈদ্যুতিক সর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

শাজাহানপুরে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে বসতবাড়ী পুরে ছাই, ৬-৭ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

আপডেট সময় : ০৯:১৬:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ মার্চ ২০২৩
print news

মিজানুর রহমান মিলন শাজাহানপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ বগুড়ার শাজাহানপুরে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ভস্মীভূত হয়েছে বসতবাড়ী। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে জানিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ।

গত শনিবার (৪ মার্চ) বিকেল তিনটার দিকে উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের ফুলকোট গ্রামের মোন্নাপাড়ায় আমানুল্লাহ ফকিরের (৩৮) বসতবাড়ীতে এই দূর্ঘটনা ঘটে। তিনি মৃত আশরাফ আলী ওরফে বাবলু ফকিরের ছেলে।

অগ্নিকান্ডে প্রায় ৬-৭ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ।

আমানুল্লাহ ফকিরের স্ত্রী লিমা বেগম জানান, তার মোবাইল ফোনের চার্জার নষ্ট হয়ে যাওয়ায় পাশের বাড়িতে মোবাইল চার্জ দিতে যান। মোবাইল চার্জে দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তা থেকে ঘরের জানালা দিয়ে আগুনের লেলিহান শিখা ও ধুয়া বের হতে দেখেন। এসময় তার ২ বছর বয়সী শিশুপুত্র ঘরে ঘুমিয়ে ছিল। সাড়ে ৩ বছর বয়সী অপর শিশুপুত্র বাড়ীর উঠানে খেলা করছিল। দাউদাউ করে আগুন জ্বলতে দেখে চিৎকার দিয়ে দৌড়ে গিয়ে ঘর থেকে ঘুমন্ত শিশুটিকে বের করেন। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। ততক্ষনে ৪টি কক্ষের সমস্ত আসবাবপএ দাউদাউ করে আগুনে জ্বলতে থাকে। তিনি কান্না জড়িত কন্ঠে জানান ,অনেক কষ্ট করে তিনি এবং তার স্বামী ৪ কক্ষ বিশিষ্ট ইটের টিনসেড বাড়ী করেছেন। আগুনে তার ৪টি কক্ষে থাকা টিভি, ফ্রিজ, সেলিং ফ্যান, সোফা, আলমারি, বাস্ক, জামাকাপড় থেকে শুরু করে যাবতীয় আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে করে তাদের প্রায় ৬-৭ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখন নিঃস্ব অবস্থায় দুই শিশুপুত্রকে নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা।

আমরুল ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য জাহিদুল ইসলাম উজ্জল জানান, আগুন লাগার পরপরই গ্রামের মসজিদের মাইকে ঘোষনার সাথে সাথে আশপাশের নারী-পুরুষ যে যার মত করে পানি নিয়ে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। দীর্ঘক্ষন চেষ্টার পর আগুন নিভে গেলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা চলে আসেন।

আমরুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বিমান জানান, দূর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজখবর নেয়া হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন তাৎক্ষনিকভাবে সহযোগীতার আশ্বাস দিয়েছেন। আগুন লাগার কারণ নিশ্চিত ভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে বৈদ্যুতিক সর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ।