ঢাকা ০৮:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্রিকেটার রবিন দাসের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, আদালতে হাজিরা ৯ অক্টোবর বিকাশ, রবিসহ ৪ ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক শাহ আলীতে পলিথিন ব্যাগ থেকে নবজাতক উদ্ধার, ৯৯৯-এ ফোন সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতা রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাসুয়ার কোপে মা নিহত, বাবা আহত সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত গোবিপ্রবির ৫ শিক্ষার্থী মক্কা-জেদ্দাসহ সৌদির বিভিন্ন এলাকায় সিভিল ডিফেন্সের সতর্কতা জারি আ.লীগ ফিরলে জামায়াত নেতাদের আবারও ফাঁসি দেবে: রাশেদ খাঁন মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সহমর্মিতা ইসলামের চিরন্তন শিক্ষা এমপি গাজী নজরুল আবারও রিমান্ডে, এবার ৪ দিনের

দাম্পত্য জীবনে ‘স্লিপ ডিভোর্স’ কী এবং কেন বাড়ছে এর প্রবণতা?

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৪৮:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ৪৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



স্লিপ ডিভোর্স বলতে বোঝায় যখন কোনো দম্পতি একই ছাদের নিচে বসবাস করেও আলাদা ঘরে বা আলাদা বিছানায় ঘুমানোর সিদ্ধান্ত নেন। এটি বিবাহবিচ্ছেদ বা ডিভোর্সের মতো সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন করা নয়। আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব স্লিপ মেডিসিনের সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষায় ২০০০ জন প্রাপ্তবয়স্কের ওপর জরিপ চালিয়ে দেখা গেছে, এক-তৃতীয়াংশ মানুষই রাতে সঙ্গীর থেকে আলাদা ঘুমাতে পছন্দ করেন। এই সমীক্ষায় ৪৫ শতাংশ পুরুষ এবং ২৫ শতাংশ নারী জানিয়েছেন যে, তারা স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য মাঝেমধ্যে বা নিয়মিত অন্য ঘরের সোফায় কিংবা অতিথিদের রুমে গিয়ে ঘুমানো বেছে নেন।

বর্তমান যান্ত্রিক ও কর্মব্যস্ত জীবনে স্লিপ ডিভোর্সের প্রবণতা বিশ্বজুড়ে বাড়ছে। অনেক দম্পতিই এখন কর্মজীবী এবং তাদের রোস্টার বা রুটিনমাফিক ডিউটির ঝক্কি-ঝামেলা রয়েছে। কখনো কখনো দুজনের ভিন্ন ভিন্ন টাইমে ডিউটি থাকে। এছাড়া দাম্পত্য অশান্তি বা সঙ্গীর নাক ডাকার মতো অভ্যাসের কারণেও অনেকে শান্তির ঘুমের জন্য আলাদা ঘরে ঘুমানোর সিদ্ধান্ত নেন। যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাকলিন হাসপাতালের মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ স্টেফানি কলিয়ারের মতে, অনেকে শারীরিক সমস্যার কারণে যেমন- নাক ডাকা, ঘুমের মধ্যে পা নাড়ানো, ঘুমের ঘোরে হাঁটা (স্লিপ ওয়াকিং) বা শারীরিক সমস্যার কারণে ঘনঘন বাথরুমে যাওয়ার কারণে সঙ্গীর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটান, যা এই পরিস্থিতির জন্ম দেয়।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, অনিদ্রা কেবল শরীরের ক্ষতি করে না, বরং মন ও মেজাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, যা দম্পতিদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক বাড়িয়ে দেয়। মনোবিদদের মতে, আলাদা ঘুমানোর ফলে সম্পর্কে ছন্দপতন হতে পারে এবং ভুল-বোঝাবুঝি বা অকারণে একে অপরকে সন্দেহ করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তাই এটি স্থায়ী সমাধান না করে কেবল সাময়িক বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। সম্পর্ক ঠিক রাখার জন্য সাপ্তাহিক ছুটির দিনে একসঙ্গে ঘুমানোর পরিকল্পনা করা এবং কেন আলাদা ঘুমানোর প্রয়োজন হচ্ছে, সেই মূল কারণটি খুঁজে বের করে সমাধানের পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। আলাদা ঘুমানোটা কেবল এর পরের ধাপের বিকল্প হওয়া উচিত।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

দাম্পত্য জীবনে ‘স্লিপ ডিভোর্স’ কী এবং কেন বাড়ছে এর প্রবণতা?

আপডেট সময় : ১১:৪৮:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

স্লিপ ডিভোর্স বলতে বোঝায় যখন কোনো দম্পতি একই ছাদের নিচে বসবাস করেও আলাদা ঘরে বা আলাদা বিছানায় ঘুমানোর সিদ্ধান্ত নেন। এটি বিবাহবিচ্ছেদ বা ডিভোর্সের মতো সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন করা নয়। আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব স্লিপ মেডিসিনের সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষায় ২০০০ জন প্রাপ্তবয়স্কের ওপর জরিপ চালিয়ে দেখা গেছে, এক-তৃতীয়াংশ মানুষই রাতে সঙ্গীর থেকে আলাদা ঘুমাতে পছন্দ করেন। এই সমীক্ষায় ৪৫ শতাংশ পুরুষ এবং ২৫ শতাংশ নারী জানিয়েছেন যে, তারা স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য মাঝেমধ্যে বা নিয়মিত অন্য ঘরের সোফায় কিংবা অতিথিদের রুমে গিয়ে ঘুমানো বেছে নেন।

বর্তমান যান্ত্রিক ও কর্মব্যস্ত জীবনে স্লিপ ডিভোর্সের প্রবণতা বিশ্বজুড়ে বাড়ছে। অনেক দম্পতিই এখন কর্মজীবী এবং তাদের রোস্টার বা রুটিনমাফিক ডিউটির ঝক্কি-ঝামেলা রয়েছে। কখনো কখনো দুজনের ভিন্ন ভিন্ন টাইমে ডিউটি থাকে। এছাড়া দাম্পত্য অশান্তি বা সঙ্গীর নাক ডাকার মতো অভ্যাসের কারণেও অনেকে শান্তির ঘুমের জন্য আলাদা ঘরে ঘুমানোর সিদ্ধান্ত নেন। যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাকলিন হাসপাতালের মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ স্টেফানি কলিয়ারের মতে, অনেকে শারীরিক সমস্যার কারণে যেমন- নাক ডাকা, ঘুমের মধ্যে পা নাড়ানো, ঘুমের ঘোরে হাঁটা (স্লিপ ওয়াকিং) বা শারীরিক সমস্যার কারণে ঘনঘন বাথরুমে যাওয়ার কারণে সঙ্গীর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটান, যা এই পরিস্থিতির জন্ম দেয়।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, অনিদ্রা কেবল শরীরের ক্ষতি করে না, বরং মন ও মেজাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, যা দম্পতিদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক বাড়িয়ে দেয়। মনোবিদদের মতে, আলাদা ঘুমানোর ফলে সম্পর্কে ছন্দপতন হতে পারে এবং ভুল-বোঝাবুঝি বা অকারণে একে অপরকে সন্দেহ করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তাই এটি স্থায়ী সমাধান না করে কেবল সাময়িক বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। সম্পর্ক ঠিক রাখার জন্য সাপ্তাহিক ছুটির দিনে একসঙ্গে ঘুমানোর পরিকল্পনা করা এবং কেন আলাদা ঘুমানোর প্রয়োজন হচ্ছে, সেই মূল কারণটি খুঁজে বের করে সমাধানের পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। আলাদা ঘুমানোটা কেবল এর পরের ধাপের বিকল্প হওয়া উচিত।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh