ঢাকা ০৬:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মেধা তালিকায় দ্বিতীয় হয়েও নিয়োগবঞ্চিত ভোলার ফয়জুল আলম নেত্রকোণায় গোরস্থানের গাছে মিলল নিখোঁজ সাবেক সেনাসদস্যের লাশ সিডনিতে গাড়ির স্টিয়ারিংয়ে শাবনূর, পাশে বসে গান শোনালেন রবি চৌধুরী মাদ্রাসাসহ পুরো শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবি বিএমজিটিএ-এর ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন আইনজ্ঞ নাভি পিল্লাই মোহনগঞ্জে নিখোঁজ অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের লাশ উদ্ধার, মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ মেট্রোরেলের পিলারে আঁকা হবে খালেদা জিয়া ও জুলাই শহীদদের ছবি জমিসংক্রান্ত বিরোধকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার অপচেষ্টা, লালমনিরহাট বিএনপির নিন্দা আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণী পাচারে ট্রানজিট রুট এখন বাংলাদেশ বাংলাদেশে সক্রিয় আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণী পাচার সিন্ডিকেট

ফাইনালের আগে ড্রেসিংরুমে মেসির রহস্যঘেরা সেই বক্তব্য নিয়ে জল্পনা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:১১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ৪৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



২০২২ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুমে ফাইনাল ম্যাচের আগে লিওনেল মেসির দেওয়া একটি বক্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা আলোচনা। স্পেনের বিপক্ষে সেই ফাইনালের আগে সতীর্থদের উদ্দেশে অধিনায়কের বলা ‘সবকিছু ভুলে যাও’ কথাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক জল্পনা চলছে। আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, ড্রেসিংরুমের প্রবেশপথে দাঁড়িয়ে মেসি শান্ত কণ্ঠে সতীর্থদের বলেছিলেন, চলো ছেলেরা, শান্ত হও। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আমাদের শান্ত থাকা। এরপরই তিনি যোগ করেন, সবকিছু ভুলে যাও। শুধু খেলার দিকে মনোযোগ দাও। শুধু দৌড়ানোর কথা ভাবো, ছেলেরা।

ম্যাচটিতে শেষ পর্যন্ত স্পেন জয়ী হয় এবং ফেরান তোরেসের করা অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধের একমাত্র গোলে আর্জেন্টিনা ০-১ ব্যবধানে শিরোপা হাতছাড়া করে। মেসির এই রহস্যময় বার্তার কারণ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সমর্থকদের মাঝে নানা বিশ্লেষণ চলছে। অনেকের ধারণা, ফাইনালের আগে স্পেন শিবির থেকে ওঠা রেফারিং বিতর্ককে মাথায় রেখেই মেসি এমন মন্তব্য করেছিলেন। স্পেনের ডিফেন্ডার এমেরিক লাপোর্তে (৩২) এক সাক্ষাৎকারে অভিযোগ করেছিলেন যে, টুর্নামেন্টজুড়ে রেফারিদের কিছু সিদ্ধান্তের কারণে আর্জেন্টিনা বাড়তি সুবিধা পেয়েছে। তিনি বলেছিলেন, শেষ কয়েকটি ম্যাচে আমরা এমন কিছু বিষয় দেখেছি, যা আমাদের অনেক বিস্মিত করেছে। এমন কিছু ঘটনা ঘটেছে, যেগুলো শাস্তিযোগ্য ছিল; কিন্তু সেগুলো উপেক্ষা করা হয়েছে।

তবে স্থানীয় পর্যায়ে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা হলো, মাঠের বাইরের সমালোচনা, চাপ এবং প্রতিপক্ষের মানসিক লড়াই থেকে দলকে সরিয়ে ফুটবলে মনোযোগী করতেই মেসি এমন বার্তা দিয়েছিলেন। মেসির এই আবেগঘন আহ্বানের পরেও আর্জেন্টিনা পুরো ৯০ মিনিটে প্রতিপক্ষের গোলমুখে একটি শটও নিতে পারেনি। ম্যাচ শেষে পরিস্থিতির অবনতি ঘটে এবং আর্জেন্টিনার কয়েকজন খেলোয়াড় প্রতিপক্ষের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। ধাক্কাধাক্কি, গলা চেপে ধরা এবং ঘুষি মারার মতো ঘটনাও ঘটে। মাঠের সেই বিশৃঙ্খল আচরণ নিয়েই এখন তদন্ত শুরু করেছে ফিফা। শেষ পর্যন্ত দলটি পরাজিত হয় এবং মেসির সেই অনুপ্রেরণামূলক বার্তা সতীর্থদের কাছে প্রত্যাশিতভাবে পৌঁছায়নি বলেই মনে করা হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

ফাইনালের আগে ড্রেসিংরুমে মেসির রহস্যঘেরা সেই বক্তব্য নিয়ে জল্পনা

আপডেট সময় : ০৩:১১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

২০২২ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুমে ফাইনাল ম্যাচের আগে লিওনেল মেসির দেওয়া একটি বক্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা আলোচনা। স্পেনের বিপক্ষে সেই ফাইনালের আগে সতীর্থদের উদ্দেশে অধিনায়কের বলা ‘সবকিছু ভুলে যাও’ কথাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক জল্পনা চলছে। আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, ড্রেসিংরুমের প্রবেশপথে দাঁড়িয়ে মেসি শান্ত কণ্ঠে সতীর্থদের বলেছিলেন, চলো ছেলেরা, শান্ত হও। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আমাদের শান্ত থাকা। এরপরই তিনি যোগ করেন, সবকিছু ভুলে যাও। শুধু খেলার দিকে মনোযোগ দাও। শুধু দৌড়ানোর কথা ভাবো, ছেলেরা।

ম্যাচটিতে শেষ পর্যন্ত স্পেন জয়ী হয় এবং ফেরান তোরেসের করা অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধের একমাত্র গোলে আর্জেন্টিনা ০-১ ব্যবধানে শিরোপা হাতছাড়া করে। মেসির এই রহস্যময় বার্তার কারণ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সমর্থকদের মাঝে নানা বিশ্লেষণ চলছে। অনেকের ধারণা, ফাইনালের আগে স্পেন শিবির থেকে ওঠা রেফারিং বিতর্ককে মাথায় রেখেই মেসি এমন মন্তব্য করেছিলেন। স্পেনের ডিফেন্ডার এমেরিক লাপোর্তে (৩২) এক সাক্ষাৎকারে অভিযোগ করেছিলেন যে, টুর্নামেন্টজুড়ে রেফারিদের কিছু সিদ্ধান্তের কারণে আর্জেন্টিনা বাড়তি সুবিধা পেয়েছে। তিনি বলেছিলেন, শেষ কয়েকটি ম্যাচে আমরা এমন কিছু বিষয় দেখেছি, যা আমাদের অনেক বিস্মিত করেছে। এমন কিছু ঘটনা ঘটেছে, যেগুলো শাস্তিযোগ্য ছিল; কিন্তু সেগুলো উপেক্ষা করা হয়েছে।

তবে স্থানীয় পর্যায়ে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা হলো, মাঠের বাইরের সমালোচনা, চাপ এবং প্রতিপক্ষের মানসিক লড়াই থেকে দলকে সরিয়ে ফুটবলে মনোযোগী করতেই মেসি এমন বার্তা দিয়েছিলেন। মেসির এই আবেগঘন আহ্বানের পরেও আর্জেন্টিনা পুরো ৯০ মিনিটে প্রতিপক্ষের গোলমুখে একটি শটও নিতে পারেনি। ম্যাচ শেষে পরিস্থিতির অবনতি ঘটে এবং আর্জেন্টিনার কয়েকজন খেলোয়াড় প্রতিপক্ষের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। ধাক্কাধাক্কি, গলা চেপে ধরা এবং ঘুষি মারার মতো ঘটনাও ঘটে। মাঠের সেই বিশৃঙ্খল আচরণ নিয়েই এখন তদন্ত শুরু করেছে ফিফা। শেষ পর্যন্ত দলটি পরাজিত হয় এবং মেসির সেই অনুপ্রেরণামূলক বার্তা সতীর্থদের কাছে প্রত্যাশিতভাবে পৌঁছায়নি বলেই মনে করা হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh