ঢাকা ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন না হওয়া পর্যন্ত সহায়তা চলবে: অর্থমন্ত্রী টিস্যু কালচার প্রযুক্তিতে দেশে বাড়ছে উচ্চমূল্যের ফসলের চাষ ৮ জেলায় দুপুরের মধ্যে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস নিউইয়র্কে লেগো দিয়ে তৈরি ২৭ ফুট উঁচু বিশ্বকাপ ট্রফি সাংহাইতে ওয়ার্ল্ড এআই কনফারেন্সে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী আর্জেন্টিনার জয়ের সঙ্গে বিয়ের সম্পর্ক কী? প্রশ্ন তানজিন তিশার শহীদদের আত্মত্যাগ জাতি কোনোদিন ভুলবে না: সোনারগাঁয়ে এমপি মান্নান পুরান ঢাকায় ড্রেন পরিষ্কার করতে গিয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মৃত্যু, মরদেহ উদ্ধার বিশ্বের শীর্ষ ১৫ অর্থনীতির তালিকায় নেই কোনো মুসলিমপ্রধান দেশ বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ: কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?

কক্সবাজারে অস্ত্র তৈরির কারখানা জব্দ, গ্রেপ্তার মিন্টু বাহিনীর প্রধান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৭:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

কক্সবাজারের মহেশখালী থানার হোয়ানকের কেরুনতলী সংলগ্ন গহীন পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে একটি অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে কোস্ট গার্ড। শুক্রবার বিকেলে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী চক্র পাহাড়ে গোপনে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল।

অভিযানটি শুক্রবার সকাল ৬টায় শুরু হয়। এতে কোস্ট গার্ড স্টেশন শাহপরী, টেকনাফ, বাহারছড়া, ইনানী, কক্সবাজার ও মহেশখালীর সমন্বয়ে একটি বিশেষ দল অংশ নেয়। অভিযানে কুখ্যাত সন্ত্রাসী ‘মিন্টু বাহিনী’র প্রধান ইমাম হোসেন মিন্টুকে (৩৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি মহেশখালী থানার হোয়ানক ইউনিয়নের কেরুনতলীর বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে ১৫টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিযানকালে কোস্ট গার্ড ৫টি দেশীয় একনলা বন্দুক, ৯টি দেশীয় পিস্তল, ১টি বিদেশি পিস্তলের ম্যাগাজিন, ২০ রাউন্ড তাজা গোলা, ১২ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ৪ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ১টি দেশীয় অস্ত্র এবং ৩ লিটার দেশীয় মদ জব্দ করেছে। এছাড়া অস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামাদিও উদ্ধার করা হয়েছে।

কোস্ট গার্ড জানায়, এই সন্ত্রাসী চক্রটি অবৈধ অস্ত্র বিক্রির পাশাপাশি জলদস্যুতা, ডাকাতি, পর্যটকদের ওপর হামলা এবং স্থানীয়দের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে আসছিল। বিশেষ করে মহেশখালীসহ উপকূলীয় এলাকার সাধারণ জেলে ও লবণ চাষীদের জীবন এই বাহিনীর কারণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। মিন্টু বাহিনীর প্রধানকে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে সাধারণ জেলেদের জন্য নিরাপদ সমুদ্র নিশ্চিত করার একটি প্রচেষ্টা সফল হয়েছে। বর্তমানে উদ্ধারকৃত আলামত ও আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং বাহিনীর অন্যান্য সদস্যদের ধরতে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy

নিউজটি শেয়ার করুন

কক্সবাজারে অস্ত্র তৈরির কারখানা জব্দ, গ্রেপ্তার মিন্টু বাহিনীর প্রধান

আপডেট সময় : ০৫:৪৭:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
print news

কক্সবাজারের মহেশখালী থানার হোয়ানকের কেরুনতলী সংলগ্ন গহীন পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে একটি অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে কোস্ট গার্ড। শুক্রবার বিকেলে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী চক্র পাহাড়ে গোপনে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল।

অভিযানটি শুক্রবার সকাল ৬টায় শুরু হয়। এতে কোস্ট গার্ড স্টেশন শাহপরী, টেকনাফ, বাহারছড়া, ইনানী, কক্সবাজার ও মহেশখালীর সমন্বয়ে একটি বিশেষ দল অংশ নেয়। অভিযানে কুখ্যাত সন্ত্রাসী ‘মিন্টু বাহিনী’র প্রধান ইমাম হোসেন মিন্টুকে (৩৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি মহেশখালী থানার হোয়ানক ইউনিয়নের কেরুনতলীর বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে ১৫টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিযানকালে কোস্ট গার্ড ৫টি দেশীয় একনলা বন্দুক, ৯টি দেশীয় পিস্তল, ১টি বিদেশি পিস্তলের ম্যাগাজিন, ২০ রাউন্ড তাজা গোলা, ১২ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ৪ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ১টি দেশীয় অস্ত্র এবং ৩ লিটার দেশীয় মদ জব্দ করেছে। এছাড়া অস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামাদিও উদ্ধার করা হয়েছে।

কোস্ট গার্ড জানায়, এই সন্ত্রাসী চক্রটি অবৈধ অস্ত্র বিক্রির পাশাপাশি জলদস্যুতা, ডাকাতি, পর্যটকদের ওপর হামলা এবং স্থানীয়দের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে আসছিল। বিশেষ করে মহেশখালীসহ উপকূলীয় এলাকার সাধারণ জেলে ও লবণ চাষীদের জীবন এই বাহিনীর কারণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। মিন্টু বাহিনীর প্রধানকে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে সাধারণ জেলেদের জন্য নিরাপদ সমুদ্র নিশ্চিত করার একটি প্রচেষ্টা সফল হয়েছে। বর্তমানে উদ্ধারকৃত আলামত ও আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং বাহিনীর অন্যান্য সদস্যদের ধরতে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy