কক্সবাজারে অস্ত্র তৈরির কারখানা জব্দ, গ্রেপ্তার মিন্টু বাহিনীর প্রধান
- আপডেট সময় : ০৫:৪৭:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারের মহেশখালী থানার হোয়ানকের কেরুনতলী সংলগ্ন গহীন পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে একটি অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে কোস্ট গার্ড। শুক্রবার বিকেলে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী চক্র পাহাড়ে গোপনে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল।
অভিযানটি শুক্রবার সকাল ৬টায় শুরু হয়। এতে কোস্ট গার্ড স্টেশন শাহপরী, টেকনাফ, বাহারছড়া, ইনানী, কক্সবাজার ও মহেশখালীর সমন্বয়ে একটি বিশেষ দল অংশ নেয়। অভিযানে কুখ্যাত সন্ত্রাসী ‘মিন্টু বাহিনী’র প্রধান ইমাম হোসেন মিন্টুকে (৩৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি মহেশখালী থানার হোয়ানক ইউনিয়নের কেরুনতলীর বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে ১৫টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযানকালে কোস্ট গার্ড ৫টি দেশীয় একনলা বন্দুক, ৯টি দেশীয় পিস্তল, ১টি বিদেশি পিস্তলের ম্যাগাজিন, ২০ রাউন্ড তাজা গোলা, ১২ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ৪ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ১টি দেশীয় অস্ত্র এবং ৩ লিটার দেশীয় মদ জব্দ করেছে। এছাড়া অস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামাদিও উদ্ধার করা হয়েছে।
কোস্ট গার্ড জানায়, এই সন্ত্রাসী চক্রটি অবৈধ অস্ত্র বিক্রির পাশাপাশি জলদস্যুতা, ডাকাতি, পর্যটকদের ওপর হামলা এবং স্থানীয়দের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে আসছিল। বিশেষ করে মহেশখালীসহ উপকূলীয় এলাকার সাধারণ জেলে ও লবণ চাষীদের জীবন এই বাহিনীর কারণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। মিন্টু বাহিনীর প্রধানকে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে সাধারণ জেলেদের জন্য নিরাপদ সমুদ্র নিশ্চিত করার একটি প্রচেষ্টা সফল হয়েছে। বর্তমানে উদ্ধারকৃত আলামত ও আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং বাহিনীর অন্যান্য সদস্যদের ধরতে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে।




























