রাষ্ট্রকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি ভাবলে জুলাইয়ের মতো গণঅভ্যুত্থান বারবার ফিরবে: মঞ্জু
- আপডেট সময় : ০৮:০১:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

ক্ষমতার মোহে রাষ্ট্রকে নিজের ব্যক্তিগত সম্পত্তি মনে করলে জুলাইয়ের মতো গণঅভ্যুত্থান বারবার ফিরে আসবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর বিজয়-৭১ চত্বরে আয়োজিত এক প্রতীকী কফিন মিছিলের শুরুতে তিনি এ কথা বলেন। দলটির পক্ষ থেকে পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, জুলাইয়ের শহীদরা একাত্তরের শহীদদের প্রকৃত উত্তরসূরি। তারা অকাতরে রক্ত দিয়ে প্রমাণ করেছেন যে তারা তাদের আদর্শের অনুসারী। তিনি আরও বলেন, জুলাইয়ের স্লোগান ছিল ‘লাখো শহীদের রক্তে কেনা, দেশটা কারও বাপের না’। যারা ক্ষমতার লোভে দেশকে নিজেদের বাপের সম্পত্তি এবং জনগণকে গোলাম ভাবতে শুরু করবে, তাদের বিরুদ্ধে জুলাই বারবার ফিরে আসবে।
জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের দায়িত্ব এখন প্রধানত তিনটি দলের ওপর ন্যস্ত বলে মন্তব্য করেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত তাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যগুলো অর্জন করেছে, যার মধ্যে রয়েছে খালেদা জিয়ার মুক্তি, তারেক রহমানের দেশে ফেরা, নেতাকর্মীদের মুক্তি, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং নির্বাচনে ভালো ফল। তিনি উল্লেখ করেন, যারা জুলাইয়ে সামনের সারিতে নেতৃত্ব দিয়েছে, তারা নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করে সংসদে দ্বিতীয় বড় বিরোধী দল হিসেবে অবস্থান নিয়েছে। এখন গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির পথে রাষ্ট্রকে নতুনভাবে গড়ে তোলার দায়িত্ব এই দলগুলোর ওপরই বর্তায়।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রসঙ্গ টেনে মজিবুর রহমান বলেন, সেই সময় বিএনপি নেতারা সংস্কারের মূল দায়িত্ব সংসদের বলে জানিয়েছিলেন। এখন সেই দায়িত্ব বাস্তবায়নের প্রকৃত সময় এসেছে। একই সঙ্গে তিনি পরাজিত রাজনৈতিক শক্তিকে অতীতের ভুলের জন্য অনুতপ্ত হয়ে জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান।
এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, দুই বছর অতিক্রান্ত হলেও এখনো জুলাই শহীদদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। তার মতে, একাত্তরের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে যে প্রকৃত শহীদদের স্বীকৃতি নিশ্চিত না হলে ইতিহাস বিকৃত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
উল্লেখ্য, প্রতীকী কফিন মিছিলটি বিজয়নগরের বিজয়-৭১ চত্বর থেকে শুরু হয়ে কাকরাইল মোড়, নাইটিংগেল মোড় ও পল্টন মোড় এলাকা প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বিজয়-৭১ চত্বরে এসে শেষ হয়।


























