ঢাকা ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ তাইজ দখল করতে চায় হুতিরা পেরুর আন্দিজে মেসির নামে নতুন উদ্ভিদ ‘সালভিয়া মেসি’র সন্ধান যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশ্ন ফাঁসে এনবিআর কর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭ রাউজানে এক অপরাধী চক্র গ্রেপ্তারের পর মাথাচাড়া দিচ্ছে আলম-আজিজ বাহিনী জামায়াত, এনসিপি ও গণঅধিকার নেতাদের তীব্র রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়ি আরিফিন শুভর সঙ্গে ছবি পোস্ট করে বিয়ের রহস্য উসকে দিলেন চমক ইরানের পরমাণু কেন্দ্রে যুক্তরাষ্ট্রের ‘মাদার অব অল বম্বস’ হামলার ছক মানুষের প্রকৃত পরিচয়: লালন সাঁইয়ের দর্শনে এক গভীর অনুসন্ধান মুসলিমবিরোধী স্লোগান দেওয়ায় স্পেনকে অর্থদণ্ড ও গ্যালারি নিষেধাজ্ঞা দিল ফিফা সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ছাত্রলীগ নেত্রী প্রমা গ্রেপ্তার

স্পেনের কাছে হেরে ইউরো থেকে বিদায় নিল এমবাপ্পের ফ্রান্স

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ৪৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে এক বিষাদময় পরিস্থিতির সাক্ষী হলো ফুটবল বিশ্ব। ইউরো ২০২৪-এর সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে পরাজিত হয়ে শিরোপার স্বপ্ন চূর্ণ হলো ফ্রান্সের। মাঠের ঘাসের দিকে তাকিয়ে প্রায় এক মিনিট স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, তার সতীর্থদের মধ্যেও ছিল চরম হতাশা। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে অপ্রতিরোধ্য হিসেবে বিবেচিত ফ্রান্স স্পেনের কৌশলী ফুটবলের কাছে পুরোপুরি কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল।

ম্যাচের শুরু থেকেই স্পেনের নিয়ন্ত্রণ ছিল চোখে পড়ার মতো। ফরাসিদের প্রধান ভয়ের কারণ ছিলেন তরুণ তুর্কি লামিন ইয়ামাল। ম্যাচের এক পর্যায়ে ডিফেন্ডার লুকাস দিনিয়েকে ফাঁকি দিয়ে ডি-বক্সের ভেতরে ঢুকে পড়েন ইয়ামাল। বল নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ইয়ামালের শরীরে স্পর্শ লাগলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিখুঁত শটে গোল করেন মিকেল ওইয়ারজাবাল, এ নিয়ে বিশ্বকাপে তার গোল সংখ্যা হলো ৫। এই গোলের পর স্পেনের আধিপত্য আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

ফ্রান্সের সাবেক অধিনায়ক প্যাট্রিক ভিয়েরা আইটিভিকে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় জানান, ফরাসি দলে আত্মবিশ্বাসের অভাব ছিল। তিনি বলেন, তারা সম্ভবত স্প্যানিশ দলটিকে নিয়ে অতিরিক্ত ভয় পেয়েছিল এবং দলের মধ্যে নেতৃত্ব দেয়ার মতো ব্যক্তিত্বের ঘাটতি ছিল। ম্যাচে কিলিয়ান এমবাপ্পে বলের সন্ধানে ডানে-বামে ছুটলেও সফল হতে পারেননি। ফরাসিদের আক্রমণভাগে ওলিসে এবং দেম্বেলের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক।

ফরাসি দৈনিক লেকিপের মতে, স্পেন প্রতিটি ক্ষেত্রে ফ্রান্সকে কোণঠাসা করে রেখেছিল এবং এই পরাজয় ছিল যুক্তিযুক্ত। ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পিঠের ব্যথার কারণে নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার উইলিয়াম সালিবা মাঠ ছাড়লে ফ্রান্সের রক্ষণভাগ আরও দুর্বল হয়ে পড়ে। যদিও ফ্রান্স গোল পরিশোধের চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তাদের আক্রমণ ছিল এলোমেলো ও নিয়ন্ত্রণহীন। অন্যদিকে, পেদ্রো পোরো ও কুকুরেয়ার চমৎকার বিল্ডআপে স্পেনের জয় ছিল সুনিশ্চিত। ম্যাচ শেষে গ্যালারিতে স্প্যানিশ সমর্থকদের উল্লাস আর ফরাসি শিবিরে কান্নার মধ্য দিয়ে পর্দা নামে এই নাটকীয় লড়াইয়ের।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

স্পেনের কাছে হেরে ইউরো থেকে বিদায় নিল এমবাপ্পের ফ্রান্স

আপডেট সময় : ০৬:৪৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে এক বিষাদময় পরিস্থিতির সাক্ষী হলো ফুটবল বিশ্ব। ইউরো ২০২৪-এর সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে পরাজিত হয়ে শিরোপার স্বপ্ন চূর্ণ হলো ফ্রান্সের। মাঠের ঘাসের দিকে তাকিয়ে প্রায় এক মিনিট স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, তার সতীর্থদের মধ্যেও ছিল চরম হতাশা। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে অপ্রতিরোধ্য হিসেবে বিবেচিত ফ্রান্স স্পেনের কৌশলী ফুটবলের কাছে পুরোপুরি কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল।

ম্যাচের শুরু থেকেই স্পেনের নিয়ন্ত্রণ ছিল চোখে পড়ার মতো। ফরাসিদের প্রধান ভয়ের কারণ ছিলেন তরুণ তুর্কি লামিন ইয়ামাল। ম্যাচের এক পর্যায়ে ডিফেন্ডার লুকাস দিনিয়েকে ফাঁকি দিয়ে ডি-বক্সের ভেতরে ঢুকে পড়েন ইয়ামাল। বল নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ইয়ামালের শরীরে স্পর্শ লাগলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিখুঁত শটে গোল করেন মিকেল ওইয়ারজাবাল, এ নিয়ে বিশ্বকাপে তার গোল সংখ্যা হলো ৫। এই গোলের পর স্পেনের আধিপত্য আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

ফ্রান্সের সাবেক অধিনায়ক প্যাট্রিক ভিয়েরা আইটিভিকে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় জানান, ফরাসি দলে আত্মবিশ্বাসের অভাব ছিল। তিনি বলেন, তারা সম্ভবত স্প্যানিশ দলটিকে নিয়ে অতিরিক্ত ভয় পেয়েছিল এবং দলের মধ্যে নেতৃত্ব দেয়ার মতো ব্যক্তিত্বের ঘাটতি ছিল। ম্যাচে কিলিয়ান এমবাপ্পে বলের সন্ধানে ডানে-বামে ছুটলেও সফল হতে পারেননি। ফরাসিদের আক্রমণভাগে ওলিসে এবং দেম্বেলের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক।

ফরাসি দৈনিক লেকিপের মতে, স্পেন প্রতিটি ক্ষেত্রে ফ্রান্সকে কোণঠাসা করে রেখেছিল এবং এই পরাজয় ছিল যুক্তিযুক্ত। ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পিঠের ব্যথার কারণে নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার উইলিয়াম সালিবা মাঠ ছাড়লে ফ্রান্সের রক্ষণভাগ আরও দুর্বল হয়ে পড়ে। যদিও ফ্রান্স গোল পরিশোধের চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তাদের আক্রমণ ছিল এলোমেলো ও নিয়ন্ত্রণহীন। অন্যদিকে, পেদ্রো পোরো ও কুকুরেয়ার চমৎকার বিল্ডআপে স্পেনের জয় ছিল সুনিশ্চিত। ম্যাচ শেষে গ্যালারিতে স্প্যানিশ সমর্থকদের উল্লাস আর ফরাসি শিবিরে কান্নার মধ্য দিয়ে পর্দা নামে এই নাটকীয় লড়াইয়ের।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin