সেমিফাইনাল ঘিরে আর্জেন্টিনা দলের কানসাস সিটিকে বিদায় ও মেসির বার্তা
- আপডেট সময় : ০৩:৩৪:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ম্যাচকে সামনে রেখে নিজেদের প্রধান প্রস্তুতি ঘাঁটি কানসাস সিটিকে বিদায় জানিয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। শেষ অনুশীলনের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শহরটির প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসি। বর্তমানে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যদের পুরো মনোযোগ আটলান্টায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সেমিফাইনাল লড়াইয়ের দিকে।
সোমবার কানসাস সিটিতে শেষ অনুশীলন শেষে নিজের ভেরিফায়েড ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে চারটি ছবি পোস্ট করেন মেসি। সেখানে তিনি লেখেন, ‘কানসাস সিটিতে আমাদের শেষ অনুশীলন! সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ।’ এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু আবেগঘন বার্তার মাধ্যমে বিগত কয়েক মাসে শহরটির সঙ্গে আর্জেন্টিনা দলের গড়ে ওঠা বিশেষ সম্পর্কের চিত্র ফুটে উঠেছে। মেসির পথ ধরে ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্টিনেজও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে লিখেছেন, ‘ধন্যবাদ কানসাস! আমাদের যাত্রা এখনও অব্যাহত আছে।’
বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বের প্রস্তুতির উদ্দেশ্যে গত ৩১ মার্চ কানসাস সিটিতে পৌঁছায় আর্জেন্টিনা দল। এরপর থেকে দীর্ঘ সময় ধরে শহরটি লিওনেল স্কালোনির দলের অনুশীলনের প্রধান কেন্দ্র ছিল। এখান থেকেই তারা টুর্নামেন্টের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোর প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
কানসাস অধ্যায় শেষ করে আলবিসেলেস্তেরা এখন আটলান্টার পথে। আগামীকাল মার্সিডিজ-বেনজ স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচের ফলাফলের ওপরই নির্ভর করছে মেসিদের পরবর্তী গন্তব্য। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে উঠতে পারলে আর্জেন্টিনা যাবে নিউইয়র্কের নিউজার্সিতে। আগামী রোববার (১৯ জুলাই) সেখানে অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ বিশ্বকাপের মহাফাইনাল, যেখানে টানা দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
তবে সেমিফাইনালে পরাজিত হলে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে দলটিকে যেতে হবে মায়ামিতে। শহরটির সঙ্গে মেসির বিশেষ ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে; ২০২৩ সালে ইন্টার মিয়ামিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে ৩৯ বছর বয়সী এই ফুটবল কিংবদন্তি সপরিবারে সেখানেই বসবাস করছেন। আপাতত মায়ামিতে ফেরার কথা না ভেবে মেসি ও তার সতীর্থদের মূল লক্ষ্য ইংল্যান্ডকে হারিয়ে নিউইয়র্কের ফাইনালে জায়গা করে নেওয়া। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে দিয়েগো ম্যারাডোনার নেতৃত্বে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সেই ঐতিহাসিক জয়ের স্মৃতি ও উত্তরাধিকার ধরে রেখে আরেকটি স্মরণীয় জয় উপহার দেওয়ার প্রত্যাশা নিয়েই আটলান্টায় নামছে আর্জেন্টিনা দল।

























