ঢাকা ০৫:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
খেলার সময় সেপটিক ট্যাংকে পড়ে পাঁচ বছরের শিশুর মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীকে সভাপতি করে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন ফ্রান্সের দল নিয়ে স্পেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে তীব্র বিতর্ক নারায়ণগঞ্জে দুই ডাকাতি মামলার রহস্য উন্মোচন: গ্রেফতার ৫ ঢাকায় টানা বৃষ্টিতে জনদুর্ভোগ, অচল জনজীবন বরকলে বন্যাদুর্গতদের সহায়তায় এগিয়ে এল বিজিবি মেয়েদের স্নাতক পর্যন্ত পড়াশোনা ফ্রি করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আজও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের গভীর আস্থা রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী প্রশান্ত মহাসাগরে চীনের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার নেপথ্যে

সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের গভীর আস্থা রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০৪:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব রহমতপুর এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় মহড়াস্থলে পৌঁছে তিনি পায়ে হেঁটে বিস্তীর্ণ জঙ্গলজুড়ে সেনাসদস্যদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় উপস্থিত সেনাকর্মকর্তারা তাকে মহড়ার বিভিন্ন কৌশলগত দিক এবং সেনাসদস্যদের প্রস্তুতির বিষয়ে অবহিত করেন। পরিদর্শনের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শত্রুপক্ষের ড্রোন শনাক্ত ও প্রতিরোধে ব্যবহৃত অ্যান্টি-ড্রোন মাল্টি-ব্যারেল সিস্টেমের কার্যপদ্ধতিও প্রত্যক্ষ করেন।

প্রশিক্ষণরত সেনাসদস্যদের সঙ্গে এই সফরে প্রধানমন্ত্রী আন্তরিকভাবে সময় কাটিয়েছেন। তিনি জঙ্গলের ভেতরে দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের কাছে গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেন এবং নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে উৎসাহ দেন। একপর্যায়ে তিনি সেনাসদস্যদের সঙ্গে মাটিতে বসে তাদের মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার কথা শোনেন। এমনকি যুদ্ধক্ষেত্রের পরিবেশে তাৎক্ষণিকভাবে প্রস্তুত করা খাবার—সাদা ভাত, ডাল, আলুভর্তা, চিংড়ি মাছ ও ডিমের তরকারি—তিনি সেনাসদস্যদের সঙ্গেই গ্রহণ করেন।

সেনাসদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের গভীর আস্থা রয়েছে। জাতীয় সংকট মোকাবেলা, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী সবসময় পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তিনি আরও বলেন, সেনাসদস্যদের শৃঙ্খলা, দক্ষতা, আত্মত্যাগ ও কর্তব্যনিষ্ঠা দেশের মানুষের মনে বিশেষ মর্যাদা তৈরি করেছে। এই আস্থা ও মর্যাদা ধরে রাখতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও পেশাদার প্রশিক্ষণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

নিজের পারিবারিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি একটি সেনা পরিবারে বড় হয়েছেন, তাই সেনাসদস্যদের সান্নিধ্যে এলে তিনি শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করেন। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিশ্বজুড়ে আরও সুনাম ও পেশাগত স্বীকৃতি অর্জন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সেনাসদস্যদের সক্ষমতা ও আধুনিকায়নে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

পরিদর্শনকালে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিকসহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের গভীর আস্থা রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:০৪:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
print news

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব রহমতপুর এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় মহড়াস্থলে পৌঁছে তিনি পায়ে হেঁটে বিস্তীর্ণ জঙ্গলজুড়ে সেনাসদস্যদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় উপস্থিত সেনাকর্মকর্তারা তাকে মহড়ার বিভিন্ন কৌশলগত দিক এবং সেনাসদস্যদের প্রস্তুতির বিষয়ে অবহিত করেন। পরিদর্শনের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শত্রুপক্ষের ড্রোন শনাক্ত ও প্রতিরোধে ব্যবহৃত অ্যান্টি-ড্রোন মাল্টি-ব্যারেল সিস্টেমের কার্যপদ্ধতিও প্রত্যক্ষ করেন।

প্রশিক্ষণরত সেনাসদস্যদের সঙ্গে এই সফরে প্রধানমন্ত্রী আন্তরিকভাবে সময় কাটিয়েছেন। তিনি জঙ্গলের ভেতরে দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের কাছে গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেন এবং নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে উৎসাহ দেন। একপর্যায়ে তিনি সেনাসদস্যদের সঙ্গে মাটিতে বসে তাদের মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার কথা শোনেন। এমনকি যুদ্ধক্ষেত্রের পরিবেশে তাৎক্ষণিকভাবে প্রস্তুত করা খাবার—সাদা ভাত, ডাল, আলুভর্তা, চিংড়ি মাছ ও ডিমের তরকারি—তিনি সেনাসদস্যদের সঙ্গেই গ্রহণ করেন।

সেনাসদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের গভীর আস্থা রয়েছে। জাতীয় সংকট মোকাবেলা, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী সবসময় পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তিনি আরও বলেন, সেনাসদস্যদের শৃঙ্খলা, দক্ষতা, আত্মত্যাগ ও কর্তব্যনিষ্ঠা দেশের মানুষের মনে বিশেষ মর্যাদা তৈরি করেছে। এই আস্থা ও মর্যাদা ধরে রাখতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও পেশাদার প্রশিক্ষণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

নিজের পারিবারিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি একটি সেনা পরিবারে বড় হয়েছেন, তাই সেনাসদস্যদের সান্নিধ্যে এলে তিনি শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করেন। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিশ্বজুড়ে আরও সুনাম ও পেশাগত স্বীকৃতি অর্জন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সেনাসদস্যদের সক্ষমতা ও আধুনিকায়নে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

পরিদর্শনকালে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিকসহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।