ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পীরগাছায় নকল সার কারখানায় অভিযানে ৭২ বস্তা সার জব্দ পুরান ঢাকায় বর্ণিল শোভাযাত্রা, উদযাপিত হলো ঢাকার ৪১৬ বছর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নিরসনে সংলাপই একমাত্র পথ: বেইজিং আশা ভোঁসলের শেষ রেকর্ড করা গান মুক্তি পাবে জন্মদিনে নেপালে হিমবাহধসে ভয়াবহ বন্যা: নিহত ৫৪৭, নিখোঁজ সহস্রাধিক নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসে সহযোগিতা, হুঁশিয়ারি ইরানের জীবিত থাকতেই নিজের চল্লিশার আয়োজন, দাওয়াত ৬ হাজার মানুষকে নেপালে আকস্মিক বন্যায় ৩২০ ভারতীয় নাগরিক নিখোঁজ আবাসন সংকটে ২০তম এশিয়ান গেমস, বিপাকে আয়োজক জাপান নারীদের স্বাবলম্বী করতে পারলে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ বদলাবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

শেষ ওয়ানডে জিতে হোয়াইটওয়াশ এড়ালো বাংলাদেশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৯:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬ ৩১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতার কারণে জিম্বাবুয়ের কাছে ওয়ানডে সিরিজ হারার পর, শনিবার শেষ ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। হারারেতে অনুষ্ঠিত এই শেষ ম্যাচে স্বাগতিক জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়িয়েছে টাইগাররা। টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়ে বোলারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জিম্বাবুয়েকে ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রানেই অলআউট করে দেয় বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৪ ওভার হাতে রেখেই ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় সফরকারীরা।

ম্যাচের শুরুতে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং লাইনআপকে চাপে ফেলেন ফাস্ট বোলার শরিফুল ইসলাম। মাত্র ১০৮ রানের মধ্যে স্বাগতিকদের ৬ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় বাংলাদেশ। শরিফুল ৪৪ রান খরচায় ৪টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট শিকার করেন। এছাড়া তাসকিন আহমেদ ও তানভীর ইসলাম ২টি করে উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং মেরুদণ্ড ভেঙে দেন। জিম্বাবুয়ের হয়ে ওয়েসলি মাধেভেরে এক প্রান্ত আগলে রেখে ৭৪ বলে ৭৫ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন এবং শেষদিকে ব্র্যাড ইভান্স ৪৩ বলে ৫০ রানের ঝড়ো ফিফটি করলে দল ১৯৯ রানের পুঁজি পায়।

২০০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা ওপেনিং জুটির সাক্ষী হয় হারারে। তানজিদ হাসান তামিম এবং সৌম্য সরকার মিলে উদ্বোধনী জুটিতে ১৫১ রান যোগ করেন, যা বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসের সর্বোচ্চ ওপেনিং জুটির রেকর্ড। জিম্বাবুয়ের দুর্বল ফিল্ডিং ও ৫টি ক্যাচ মিসের সুযোগ কাজে লাগিয়ে এই দুই বাঁহাতি ব্যাটার দাপটের সাথে ব্যাট করেন। সৌম্য সরকার ৮২ বলে ৬টি চার ও ২টি ছক্কায় ৬৯ রান করে তানাকা চিভাঙ্গার বলে আউট হন। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েও আক্ষেপ নিয়ে ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম; তিনি ১০১ বলে ৮টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৯৪ রান করে আর্নেস্ট মাসুকুর বলে লং-অনে ক্যাচ দেন। এরপর তাওহীদ হৃদয় শূন্য রানে আউট হলেও, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১৮ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

শেষ ওয়ানডে জিতে হোয়াইটওয়াশ এড়ালো বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ১০:৪৯:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতার কারণে জিম্বাবুয়ের কাছে ওয়ানডে সিরিজ হারার পর, শনিবার শেষ ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। হারারেতে অনুষ্ঠিত এই শেষ ম্যাচে স্বাগতিক জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়িয়েছে টাইগাররা। টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়ে বোলারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জিম্বাবুয়েকে ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রানেই অলআউট করে দেয় বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৪ ওভার হাতে রেখেই ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় সফরকারীরা।

ম্যাচের শুরুতে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং লাইনআপকে চাপে ফেলেন ফাস্ট বোলার শরিফুল ইসলাম। মাত্র ১০৮ রানের মধ্যে স্বাগতিকদের ৬ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় বাংলাদেশ। শরিফুল ৪৪ রান খরচায় ৪টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট শিকার করেন। এছাড়া তাসকিন আহমেদ ও তানভীর ইসলাম ২টি করে উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং মেরুদণ্ড ভেঙে দেন। জিম্বাবুয়ের হয়ে ওয়েসলি মাধেভেরে এক প্রান্ত আগলে রেখে ৭৪ বলে ৭৫ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন এবং শেষদিকে ব্র্যাড ইভান্স ৪৩ বলে ৫০ রানের ঝড়ো ফিফটি করলে দল ১৯৯ রানের পুঁজি পায়।

২০০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা ওপেনিং জুটির সাক্ষী হয় হারারে। তানজিদ হাসান তামিম এবং সৌম্য সরকার মিলে উদ্বোধনী জুটিতে ১৫১ রান যোগ করেন, যা বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসের সর্বোচ্চ ওপেনিং জুটির রেকর্ড। জিম্বাবুয়ের দুর্বল ফিল্ডিং ও ৫টি ক্যাচ মিসের সুযোগ কাজে লাগিয়ে এই দুই বাঁহাতি ব্যাটার দাপটের সাথে ব্যাট করেন। সৌম্য সরকার ৮২ বলে ৬টি চার ও ২টি ছক্কায় ৬৯ রান করে তানাকা চিভাঙ্গার বলে আউট হন। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েও আক্ষেপ নিয়ে ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম; তিনি ১০১ বলে ৮টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৯৪ রান করে আর্নেস্ট মাসুকুর বলে লং-অনে ক্যাচ দেন। এরপর তাওহীদ হৃদয় শূন্য রানে আউট হলেও, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১৮ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh