ঢাকা ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নতুন কাজের অপেক্ষায় জয়া আহসান, এবার চাইছেন হালকা মেজাজের চরিত্র মতলব সেতুর এপ্রোচ সড়কে বড় ভাঙন, ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন বিশ্বকাপ থেকে বিদায়: ভক্তদের কাছে ক্ষমা চাইলেন ভিনিসিয়ুস বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি স্পেন ও বেলজিয়াম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে আগামী জাতীয় নির্বাচন : আইনমন্ত্রী ইরানের সর্বোচ্চ নেতার উদ্দেশ্যে আদনান সামির নতুন ৪ গান চকরিয়ায় নৌকাডুবিতে কিশোরীর মৃত্যু, জেলায় মৃতের সংখ্যা ২৮ বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম বোর্ডের শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আজ মুখোমুখি স্পেন ও বেলজিয়াম ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা শেখ হাসিনার, বাস্তবতায় কতটুকু প্রস্তুতি

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে আগামী জাতীয় নির্বাচন : আইনমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৯:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন যে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, এটি বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক, নির্বাচনি ও জাতীয় অঙ্গীকার। তিনি আরও উল্লেখ করেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিএনপির দীর্ঘ ১৬ থেকে ১৭ বছরের আন্দোলনের ফসল। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ‘দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও’ সংগ্রামের মূল লক্ষ্যই ছিল যেন মানুষ নিজের ভোট নিজে দিতে পারে।

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী সংক্রান্ত উচ্চ আদালতের রায়ের বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে গণতন্ত্রের কবর রচনা করে ফ্যাসিবাদের নীল নকশা তৈরি করা হয়েছিল। তিনি জানান, হাইকোর্ট বিভাগ এই সংশোধনীর কিছু অংশ অবৈধ ঘোষণা করেছেন এবং বাকি অংশ জাতীয় সংসদের সিদ্ধান্তের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন, যা আপিল বিভাগও বহাল রেখেছেন। রায়ের আলোকে পাবলিক কনসালটেশন ও গণভোটের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক শাসনব্যবস্থার চূড়ান্ত কাঠামো তৈরি করা হবে বলে তিনি জানান।

মন্ত্রী আরও বলেন, সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হবে এবং রায়ে উল্লিখিত ৫৪টি বিষয় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করা হবে। এ ক্ষেত্রে ‘জুলাই সনদ’কে সামনে রেখে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র, সুশাসন, মানবাধিকার এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব সংশোধন ও পরিমার্জন করা হবে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদসহ অন্যান্য সংস্কারের ক্ষেত্রে জনমত এবং উচ্চ আদালতের রায়কে গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং কোনো সিদ্ধান্তই একতরফাভাবে চাপিয়ে দেওয়া হবে না।

জনমত সংগ্রহের প্রক্রিয়ার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, মানবাধিকার কমিশন আইনসহ বিভিন্ন আইনের খসড়া তৈরির সময় যেমন অংশীজন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, কূটনীতিক, মানবাধিকার সংগঠন এবং ভিক্টিম পরিবারগুলোর সাথে পাবলিক কনসালটেশন করা হয়েছে, একইভাবে সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রেও সাধারণ জনগণের মতামত নেওয়া হবে। এছাড়া আগামী সংসদ অধিবেশনেই পরিমার্জিত মানবাধিকার কমিশন আইন পাসের জন্য উপস্থাপন করা হবে বলেও তিনি জানান। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর বিরুদ্ধে করা আপিল খারিজ করে দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে আগামী জাতীয় নির্বাচন : আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০১:৪৯:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
print news

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন যে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, এটি বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক, নির্বাচনি ও জাতীয় অঙ্গীকার। তিনি আরও উল্লেখ করেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিএনপির দীর্ঘ ১৬ থেকে ১৭ বছরের আন্দোলনের ফসল। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ‘দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও’ সংগ্রামের মূল লক্ষ্যই ছিল যেন মানুষ নিজের ভোট নিজে দিতে পারে।

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী সংক্রান্ত উচ্চ আদালতের রায়ের বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে গণতন্ত্রের কবর রচনা করে ফ্যাসিবাদের নীল নকশা তৈরি করা হয়েছিল। তিনি জানান, হাইকোর্ট বিভাগ এই সংশোধনীর কিছু অংশ অবৈধ ঘোষণা করেছেন এবং বাকি অংশ জাতীয় সংসদের সিদ্ধান্তের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন, যা আপিল বিভাগও বহাল রেখেছেন। রায়ের আলোকে পাবলিক কনসালটেশন ও গণভোটের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক শাসনব্যবস্থার চূড়ান্ত কাঠামো তৈরি করা হবে বলে তিনি জানান।

মন্ত্রী আরও বলেন, সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হবে এবং রায়ে উল্লিখিত ৫৪টি বিষয় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করা হবে। এ ক্ষেত্রে ‘জুলাই সনদ’কে সামনে রেখে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র, সুশাসন, মানবাধিকার এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব সংশোধন ও পরিমার্জন করা হবে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদসহ অন্যান্য সংস্কারের ক্ষেত্রে জনমত এবং উচ্চ আদালতের রায়কে গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং কোনো সিদ্ধান্তই একতরফাভাবে চাপিয়ে দেওয়া হবে না।

জনমত সংগ্রহের প্রক্রিয়ার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, মানবাধিকার কমিশন আইনসহ বিভিন্ন আইনের খসড়া তৈরির সময় যেমন অংশীজন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, কূটনীতিক, মানবাধিকার সংগঠন এবং ভিক্টিম পরিবারগুলোর সাথে পাবলিক কনসালটেশন করা হয়েছে, একইভাবে সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রেও সাধারণ জনগণের মতামত নেওয়া হবে। এছাড়া আগামী সংসদ অধিবেশনেই পরিমার্জিত মানবাধিকার কমিশন আইন পাসের জন্য উপস্থাপন করা হবে বলেও তিনি জানান। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর বিরুদ্ধে করা আপিল খারিজ করে দিয়েছেন।