ঢাকা ০৯:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা ও অবৈধ অস্ত্রের বিস্তারে বাড়ছে উদ্বেগ ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বই ছাপানো বন্ধ, পরিবর্তন হচ্ছে প্রজ্ঞার প্রতীক মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের তারকা-সমর্থন, রিপাবলিকানদের রাজনৈতিক অস্ত্র মোজতবা খামেনি সুস্থ আছেন, জনসমক্ষে না আসার কারণ নিরাপত্তা ঈদগাঁও থানা হাজত থেকে পালানো কিশোর পরদিন আটক দুর্গাপূজার বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রশংসিত তারেক রহমান, সামনে ৩ কঠিন পরীক্ষা জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক: নিরাপত্তার শঙ্কায় ডিবিকে দেয়া হয়নি ডিভাইস নাটোরে ৩০ শিক্ষার্থীকে অনিরুদ্ধ আশরাফ ফাউন্ডেশনের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান পাবনায় মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে পরিচালক আটক অপ্রতিম হত্যা মামলায় ৪ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল

লাঙল নিয়ে জাপায় আবার কাড়াকাড়ি

ফখরুল আলম সাজু ক্রাইম রিপোর্টার ঢাকা:
  • আপডেট সময় : ১২:০১:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ ২৮৪ বার পড়া হয়েছে

IMG 20250404 WA0008

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফখরুল আলম সাজু ক্রাইম রিপোর্টার ঢাকা:

 

আবার ভাঙনের মুখে জাতীয় পার্টি জাপা, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে বেগম রওশন এরশাদ ও মহাসচিব কাজী মোঃ মামুনুর রশীদের নাম নথিভুক্ত করতে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনে ১২ নম্বর নিবন্ধত দল হিসেবে নথিবদ্ধ জাতীয় পার্টির বর্তমান চেয়ারম্যান জি এম কাদের ও মহাসচিব মুজিবুল হক।

 

গত বছর দলটির অন্তর্কোন্দলে সম্মেলন করে আলাদা কমিটি ঘোষণা করেছিল রওশন পন্থিরা। পরে স্বীকৃতি ছেয়ে আবেদন করলেও তা নাকচ করে নির্বাচন কমিশন।

 

ইসি বরাবর করা আবেদনে মামুনুর রশীদ বলেন, বিগত সরকারের নিয়োগ প্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে আমরা ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হয়েছি, এখন আমরা দেশবাসীর আগামী দিনের গণতন্ত্র সুসংহত করার আশা আকাক্সক্ষার প্রতীক বর্তমান নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছি আবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের পাতানো নির্বাচনের ফাঁদে পা দেওয়া নিয়ে জাতীয় পার্টির মধ্যে মত বিরোধ দেখা দেয়। তখন জাতীয় পার্টির সর্বস্তরের নেতা-কর্মীর সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আনুকূল্য নিয়ে তৎকালীন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের গংরা নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেন।

 

তখন শেখ হাসিনা তাঁর স্বাক্ষরে জাতীয় পার্টির ২৬ জনকে মনোনয়ন প্রদান করেন, এই প্রেক্ষাপটে জাতীয় পার্টি যখন বিলুপ্তপ্রায়, তখন পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং পার্টির সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী বেগম রওশন এরশাদ জাতীয় পার্টির বর্ধিত সভা আহ্বান করেন। ২০২৪ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত পার্টির বর্ধিত সভায় সর্ব সম্মত ভাবে সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরকে এবং মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুকে তাদের পদ থেকে সাংগঠনিক নিয়মে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ওই বর্ধিত সভায় ২০২৪ সালের ৯ মার্চ জাতীয় পার্টির দশম জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 

চিঠিতে বলা হয়, সংগঠনের যাবতীয় বিধি-বিধান মেনে যথাসময়েই রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে জাতীয় পার্টির ইতিহাসে সবচেয়ে বর্ণাঢ্য ও জাঁক-জমক পূর্ণ গণতান্ত্রিক জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, বিপুল সংখ্যক দেশী বিদেশী সাংবাদিক এবং বিদেশী কূটনীতিকদের উপস্থিতিতে এই সম্মেলনে বেগম রওশন এরশাদ চেয়ারম্যান, কাজী ফিরোজ রশীদ কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান এবং কাজী মোঃ মামুনুর রশীদ মহাসচিব নির্বাচিত হন, এ আবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে ইসির অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ বলেন, আইনগত ভাবে এ আবেদন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হবে, গ্রহণযোগ্য নাকি গ্রহণযোগ্য নয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

লাঙল নিয়ে জাপায় আবার কাড়াকাড়ি

আপডেট সময় : ১২:০১:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫

ফখরুল আলম সাজু ক্রাইম রিপোর্টার ঢাকা:

 

আবার ভাঙনের মুখে জাতীয় পার্টি জাপা, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে বেগম রওশন এরশাদ ও মহাসচিব কাজী মোঃ মামুনুর রশীদের নাম নথিভুক্ত করতে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনে ১২ নম্বর নিবন্ধত দল হিসেবে নথিবদ্ধ জাতীয় পার্টির বর্তমান চেয়ারম্যান জি এম কাদের ও মহাসচিব মুজিবুল হক।

 

গত বছর দলটির অন্তর্কোন্দলে সম্মেলন করে আলাদা কমিটি ঘোষণা করেছিল রওশন পন্থিরা। পরে স্বীকৃতি ছেয়ে আবেদন করলেও তা নাকচ করে নির্বাচন কমিশন।

 

ইসি বরাবর করা আবেদনে মামুনুর রশীদ বলেন, বিগত সরকারের নিয়োগ প্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে আমরা ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হয়েছি, এখন আমরা দেশবাসীর আগামী দিনের গণতন্ত্র সুসংহত করার আশা আকাক্সক্ষার প্রতীক বর্তমান নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছি আবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের পাতানো নির্বাচনের ফাঁদে পা দেওয়া নিয়ে জাতীয় পার্টির মধ্যে মত বিরোধ দেখা দেয়। তখন জাতীয় পার্টির সর্বস্তরের নেতা-কর্মীর সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আনুকূল্য নিয়ে তৎকালীন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের গংরা নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেন।

 

তখন শেখ হাসিনা তাঁর স্বাক্ষরে জাতীয় পার্টির ২৬ জনকে মনোনয়ন প্রদান করেন, এই প্রেক্ষাপটে জাতীয় পার্টি যখন বিলুপ্তপ্রায়, তখন পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং পার্টির সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী বেগম রওশন এরশাদ জাতীয় পার্টির বর্ধিত সভা আহ্বান করেন। ২০২৪ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত পার্টির বর্ধিত সভায় সর্ব সম্মত ভাবে সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরকে এবং মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুকে তাদের পদ থেকে সাংগঠনিক নিয়মে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ওই বর্ধিত সভায় ২০২৪ সালের ৯ মার্চ জাতীয় পার্টির দশম জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 

চিঠিতে বলা হয়, সংগঠনের যাবতীয় বিধি-বিধান মেনে যথাসময়েই রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে জাতীয় পার্টির ইতিহাসে সবচেয়ে বর্ণাঢ্য ও জাঁক-জমক পূর্ণ গণতান্ত্রিক জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, বিপুল সংখ্যক দেশী বিদেশী সাংবাদিক এবং বিদেশী কূটনীতিকদের উপস্থিতিতে এই সম্মেলনে বেগম রওশন এরশাদ চেয়ারম্যান, কাজী ফিরোজ রশীদ কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান এবং কাজী মোঃ মামুনুর রশীদ মহাসচিব নির্বাচিত হন, এ আবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে ইসির অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ বলেন, আইনগত ভাবে এ আবেদন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হবে, গ্রহণযোগ্য নাকি গ্রহণযোগ্য নয়।