ঢাকা ০৪:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দিল্লিতে যন্তর মন্তরে যাওয়ার পথে কেজরিওয়ালসহ বহু নেতা আটক কেন্দুয়ায় এক রাতে কৃষকের ৪ গরু চুরি, ক্ষতি ৫ লাখ টাকা শিল্পকলায় রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় আটক এক হোয়াইট হাউসের নতুন প্রেস সেক্রেটারি হলেন ক্যাটি জাকারিয়া কেশবপুরে রোগযন্ত্রণা সইতে না পেরে দুই বৃদ্ধের আত্মহত্যা দিল্লিতে আটক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের শীর্ষ নেতারা সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনী ডিজিটাল ফ্যাসিবাদের পথ করবে: বিশ্লেষকরা নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত নিয়ে আসিফ মাহমুদের ক্ষোভ ও চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভ শর্টকাটের কথা বলে সিএনজি চালক কর্তৃক কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা ভারত ছাড়ার ঘোষণা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের

বিপিএলে দুর্নীতির দায়ে দুই কর্মকর্তা সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৫৮:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) বিভিন্ন আসরকে ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগে নতুন করে আরও দুই কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বোর্ড জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালার বিভিন্ন ধারা ভঙ্গের দায়ে মো. আব্দুল কাইয়ুম রাশেদ ও মো. আমিন খানকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের পরিচালিত তদন্তের ভিত্তিতে এই অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিপিএলের একাদশ ও দ্বাদশ আসরকে কেন্দ্র করে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ড, দুর্নীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশে ব্যর্থতা, দুর্নীতিবিরোধী তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্তে বাধা দেওয়া বা বিলম্ব ঘটানোর অভিযোগ রয়েছে।

অভিযুক্ত মো. আব্দুল কাইয়ুম রাশেদ বিপিএলের দ্বাদশ আসরে চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিক ছিলেন। তার বিরুদ্ধে আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালার ২.১.১, ২.৪.৪, ২.৪.৬ ও ২.৪.৭ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে অনৈতিকভাবে ম্যাচের ফলাফল প্রভাবিত করা, দুর্নীতির প্রস্তাবের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কর্মকর্তাকে অবহিত না করা এবং তদন্তের কাজে অসহযোগিতা করার মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

অন্যদিকে, আমিন খান একাদশ আসরে দুর্বার রাজশাহী এবং দ্বাদশ আসরে চট্টগ্রাম রয়্যালসের দলীয় অপারেশন ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তার বিরুদ্ধে ২.১.১, ২.১.৪, ২.৪.৬ ও ২.৪.৭ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে ম্যাচের ফলাফল প্রভাবিত করা, দুর্নীতিতে প্ররোচনা দেওয়া, তদন্তে অসহযোগিতা করা এবং প্রমাণাদি ধ্বংস করা বা তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিসিবি জানিয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তা তাদের ওপর আনা অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য ১৪ দিন সময় পাবেন। এর আগে বিসিবির দুর্নীতিবিরোধী বিভাগ একই ধরনের অভিযোগে আরও কয়েকজন কর্মকর্তার নাম প্রকাশ করেছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

বিপিএলে দুর্নীতির দায়ে দুই কর্মকর্তা সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ

আপডেট সময় : ০২:৫৮:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) বিভিন্ন আসরকে ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগে নতুন করে আরও দুই কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বোর্ড জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালার বিভিন্ন ধারা ভঙ্গের দায়ে মো. আব্দুল কাইয়ুম রাশেদ ও মো. আমিন খানকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের পরিচালিত তদন্তের ভিত্তিতে এই অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিপিএলের একাদশ ও দ্বাদশ আসরকে কেন্দ্র করে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ড, দুর্নীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশে ব্যর্থতা, দুর্নীতিবিরোধী তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্তে বাধা দেওয়া বা বিলম্ব ঘটানোর অভিযোগ রয়েছে।

অভিযুক্ত মো. আব্দুল কাইয়ুম রাশেদ বিপিএলের দ্বাদশ আসরে চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিক ছিলেন। তার বিরুদ্ধে আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালার ২.১.১, ২.৪.৪, ২.৪.৬ ও ২.৪.৭ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে অনৈতিকভাবে ম্যাচের ফলাফল প্রভাবিত করা, দুর্নীতির প্রস্তাবের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কর্মকর্তাকে অবহিত না করা এবং তদন্তের কাজে অসহযোগিতা করার মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

অন্যদিকে, আমিন খান একাদশ আসরে দুর্বার রাজশাহী এবং দ্বাদশ আসরে চট্টগ্রাম রয়্যালসের দলীয় অপারেশন ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তার বিরুদ্ধে ২.১.১, ২.১.৪, ২.৪.৬ ও ২.৪.৭ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে ম্যাচের ফলাফল প্রভাবিত করা, দুর্নীতিতে প্ররোচনা দেওয়া, তদন্তে অসহযোগিতা করা এবং প্রমাণাদি ধ্বংস করা বা তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিসিবি জানিয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তা তাদের ওপর আনা অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য ১৪ দিন সময় পাবেন। এর আগে বিসিবির দুর্নীতিবিরোধী বিভাগ একই ধরনের অভিযোগে আরও কয়েকজন কর্মকর্তার নাম প্রকাশ করেছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin