ঢাকা ০১:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোববার ফের যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ঘোষণা ককরোচ পার্টির দীর্ঘ বিরতি ভেঙে নতুন গানে ফিরলেন কুসুম শিকদার সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী দিল্লি পুলিশি হেফাজত থেকে মুক্তি পেলেন নেহা বোরা মোজাম্বিক থেকে ফেরার পথে বিমানে প্রাণ হারালেন বাঁশখালীর প্রবাসী সাজেক সড়কে রোববার থেকে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধের ডাক দশমিনায় মা ইলিশ শিকারের দায়ে আট জেলের কারাদণ্ড জনগণের কাছে স্থানীয় সরকার ফেরাতে চায় সরকার: মঈন খান; সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে গুরুত্ব রোববার সন্ধ্যায় বসবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একক প্রার্থী দেবে বিএনপি, ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ

শর্টকাটের কথা বলে সিএনজি চালক কর্তৃক কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৪৪:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ ৯৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড থেকে অটোরিকশায় উঠে নিখোঁজ হওয়া সপ্তম শ্রেণির এক কিশোরীর (১৫) মরদেহ ধানখেত থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় জড়িত অভিযোগে সুমন মিয়া (৩৫) নামের এক সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন ওই কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।

শনিবার সকালে কুমিল্লা জেলা পুলিশ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) পঙ্কজ বড়ুয়া এই তথ্য নিশ্চিত করেন। এ সময় লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ জানায়, সুমন মিয়া মূলত চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার বাসিন্দা হলেও লালমাই উপজেলায় শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন এবং রাতে ভাড়ায় অটোরিকশা চালাতেন। ঘটনার পর তিনি চট্টগ্রাম পালিয়ে গিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন, সেখান থেকেই তাকে আটক করা হয়।

তদন্ত অনুযায়ী, গত ৮ অক্টোবর রাতে ওই কিশোরী পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় বাস থেকে নেমে অটোরিকশা খুঁজছিল। সুমনের অটোরিকশায় ৩০০ টাকা ভাড়ায় গন্তব্যে ফেরার চুক্তি হয়। অটোরিকশায় ওঠার পর কিছুদূর গিয়ে কিশোরী চালককে ১০০ টাকা দিলে তিনি তা দিয়ে কলা ও রুটি কিনে আনেন। এরপর ‘শর্টকাট’ পথে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে চালক কুমিল্লা-চাঁদপুর সড়ক ধরে বিজরা বাজার হয়ে লালমাইয়ের দিকে যান।

পুলিশের ভাষ্যমতে, পথে নির্জন ও অন্ধকার একটি স্থানে অটোরিকশা থামিয়ে সুমন ওই কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। কিশোরী চিৎকার করলে তিনি গামছা পেঁচিয়ে তাকে শ্বাসরোধ করেন এবং পরে ধানখেতে নিয়ে ধর্ষণ ও হত্যা করেন। ঘটনার রাতে ওই কিশোরী তার বাবার মুঠোফোনে নিজের লাইভ লোকেশন পাঠিয়ে বাঁচার জন্য আকুতি জানিয়েছিল। দুর্ভাগ্যবশত তার বাবা সেই বার্তাটি সময়মতো দেখতে পাননি। পরদিন ভোরে বার্তাটি দেখে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়ের মরদেহ উদ্ধার হতে দেখেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পঙ্কজ বড়ুয়া আরও জানান, হত্যার পর সুমন ঘটনাস্থলে অটোরিকশাটি রেখে চলে যান। পরে পুকুরে গোসল করে কিশোরীর ব্যবহৃত আইফোনটি জঙ্গলে ফেলে রেখে চট্টগ্রামে পালিয়ে যান। জিজ্ঞাসাবাদের পর সুমনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ কিশোরীর সেই আইফোনটি উদ্ধার করেছে।

তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কিশোরীর ব্যবহৃত আইফোনও উদ্ধার করা হয়েছে।.‘আমার কলিজার পাখিটা যখন চলে গেছে, এখন আর কিছু বলব না’.আজ শনিবার সকাল ১০টা ২০ মিনিটে কুমিল্লা জেলা পুলিশ কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) পঙ্কজ বড়ুয়া।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

শর্টকাটের কথা বলে সিএনজি চালক কর্তৃক কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা

আপডেট সময় : ০২:৪৪:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড থেকে অটোরিকশায় উঠে নিখোঁজ হওয়া সপ্তম শ্রেণির এক কিশোরীর (১৫) মরদেহ ধানখেত থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় জড়িত অভিযোগে সুমন মিয়া (৩৫) নামের এক সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন ওই কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।

শনিবার সকালে কুমিল্লা জেলা পুলিশ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) পঙ্কজ বড়ুয়া এই তথ্য নিশ্চিত করেন। এ সময় লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ জানায়, সুমন মিয়া মূলত চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার বাসিন্দা হলেও লালমাই উপজেলায় শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন এবং রাতে ভাড়ায় অটোরিকশা চালাতেন। ঘটনার পর তিনি চট্টগ্রাম পালিয়ে গিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন, সেখান থেকেই তাকে আটক করা হয়।

তদন্ত অনুযায়ী, গত ৮ অক্টোবর রাতে ওই কিশোরী পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় বাস থেকে নেমে অটোরিকশা খুঁজছিল। সুমনের অটোরিকশায় ৩০০ টাকা ভাড়ায় গন্তব্যে ফেরার চুক্তি হয়। অটোরিকশায় ওঠার পর কিছুদূর গিয়ে কিশোরী চালককে ১০০ টাকা দিলে তিনি তা দিয়ে কলা ও রুটি কিনে আনেন। এরপর ‘শর্টকাট’ পথে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে চালক কুমিল্লা-চাঁদপুর সড়ক ধরে বিজরা বাজার হয়ে লালমাইয়ের দিকে যান।

পুলিশের ভাষ্যমতে, পথে নির্জন ও অন্ধকার একটি স্থানে অটোরিকশা থামিয়ে সুমন ওই কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। কিশোরী চিৎকার করলে তিনি গামছা পেঁচিয়ে তাকে শ্বাসরোধ করেন এবং পরে ধানখেতে নিয়ে ধর্ষণ ও হত্যা করেন। ঘটনার রাতে ওই কিশোরী তার বাবার মুঠোফোনে নিজের লাইভ লোকেশন পাঠিয়ে বাঁচার জন্য আকুতি জানিয়েছিল। দুর্ভাগ্যবশত তার বাবা সেই বার্তাটি সময়মতো দেখতে পাননি। পরদিন ভোরে বার্তাটি দেখে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়ের মরদেহ উদ্ধার হতে দেখেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পঙ্কজ বড়ুয়া আরও জানান, হত্যার পর সুমন ঘটনাস্থলে অটোরিকশাটি রেখে চলে যান। পরে পুকুরে গোসল করে কিশোরীর ব্যবহৃত আইফোনটি জঙ্গলে ফেলে রেখে চট্টগ্রামে পালিয়ে যান। জিজ্ঞাসাবাদের পর সুমনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ কিশোরীর সেই আইফোনটি উদ্ধার করেছে।

তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কিশোরীর ব্যবহৃত আইফোনও উদ্ধার করা হয়েছে।.‘আমার কলিজার পাখিটা যখন চলে গেছে, এখন আর কিছু বলব না’.আজ শনিবার সকাল ১০টা ২০ মিনিটে কুমিল্লা জেলা পুলিশ কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) পঙ্কজ বড়ুয়া।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo