শেফিল্ডে ফেরার এক দিন পরই মাঠে হামজা চৌধুরী
- আপডেট সময় : ১০:১২:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে

শেফিল্ড ইউনাইটেডে স্থায়ীভাবে যোগ দেওয়ার মাত্র এক দিন পরই দলের প্রথম একাদশে মাঠে নামেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী। গতকাল রাতে ব্র্যামল লেনে ঘরের মাঠে বোল্টন ওয়ান্ডারার্সের বিপক্ষে শেফিল্ডের ৩-২ গোলের জয়ের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। বাংলাদেশের সমর্থকদের জন্য এই ম্যাচটি ছিল এক ভিন্ন প্রেক্ষাপটের, কারণ বোল্টনের শ্রীলঙ্কান বংশোদ্ভূত ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার জাভিয়ের সিমন্স এবং শেফিল্ডের বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হামজা চৌধুরী মুখোমুখি হয়েছিলেন মাঠে।
ম্যাচের শুরুটা হামজার জন্য খুব একটা সুখকর ছিল না। প্রথম মিনিটেই বোল্টন উইঙ্গার থিয়েরি গ্যালের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েন তিনি। হামজা তাকে আটকাতে ব্যর্থ হলে গ্যালে বেশ খানিকটা এগিয়ে এসে ক্রস করেন। যদিও হামজা সামনে ছিলেন, কিন্তু ক্রসটি ঠেকাতে পারেননি। পরবর্তীতে সতীর্থরা সেই ক্রস সামলালেও ফিরতি বলে গোল করেন জাভিয়ের সিমন্স। যদিও হামজার ভুলে গোল হয়েছে সরাসরি বলার সুযোগ নেই, তবে ক্রসটি ঠেকাতে পারলে হয়তো পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য স্টার এই ম্যাচে হামজার পারফরম্যান্সের রেটিং দিয়েছে দশে পাঁচ। সংবাদমাধ্যমটির মতে, রাইট ব্যাক পজিশনে খেলা হামজা ম্যাচে থিতু হতে পারেননি এবং ওই পজিশনে তাকে স্বচ্ছন্দ মনে হয়নি। এছাড়া বিরতির আগে তিনি একটি গোলের সহজ সুযোগও নষ্ট করেন।
ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে কিছুটা ছন্দহীনতা থাকলেও শেফিল্ডের জয় পেতে সমস্যা হয়নি। গোল হজম করার তিন মিনিট পরই জাফেট ট্যানগ্যাঙ্গার গোলে সমতায় ফেরে শেফিল্ড। ৬৭ মিনিটে আবারও গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়লেও, এক মিনিট পরেই প্যাট্রিক ব্যামফোর্ড গোল করে দলকে সমতায় ফেরান। শেষ পর্যন্ত যোগ করা সময়ে (৯০+৩ মিনিট) রোমেল ডনোভানের গোলে জয় নিশ্চিত করে শেফিল্ড ইউনাইটেড।
ম্যাচ শেষে হামজা চৌধুরী বলেন, 'ব্র্যামল লেনে ফিরতে পেরে ভালো লাগছে। এটি অবশ্যই বড় সাফল্য, যদিও কাজটি কঠিন ছিল। প্রথম মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়ে সন্ধ্যাটা শুরু করতে চাইনি আমরা। তবে সতীর্থরা সাহসের সঙ্গে খেলায় ফিরেছে। এই স্টেডিয়ামটি বিশেষ, এখানকার দর্শকও বিশেষ।'
উল্লেখ্য, লেস্টার সিটিতে ২১ বছর কাটানোর পর গত ৩১ আগস্ট হামজা চৌধুরী স্থায়ীভাবে শেফিল্ড ইউনাইটেডে যোগ দেন। গত মৌসুমে ধারে এই ক্লাবে ১৯ ম্যাচ খেলে দলকে প্লে-অফ ফাইনালে তুলতে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি। তবে সেই ফাইনালে সান্দারল্যান্ডের কাছে হেরে প্রিমিয়ার লিগে ফেরা হয়নি শেফিল্ডের।



























