ঢাকা ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাজেটে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানবান্ধব নীতির প্রতিফলন: মাহ্দী আমিন বিশ্বকাপ ফাইনাল বয়কট করলেন উয়েফা প্রধান সেফেরিন: কারণ কী? নেত্রকোনায় পাহাড়ি ঢলে নেতাই নদীর পাড় ভেঙে প্লাবিত গ্রাম রাজধানীর সবুজবাগে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা বাংলাদেশের অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পে কারিগরি সহায়তার আশ্বাস বিশ্বব্যাংকের হানিফ ফ্লাইওভারে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের উৎসবে রোনালদোকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য ২৫ বছর পূর্ণ করলেন টনি ও প্রিয়া ডায়েস বাহরাইন ও কুয়েতে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শিকার দাবি জামায়াত এমপির, ভাইরাল নতুন ভিডিও

২০২৬ বিশ্বকাপের গোল্ডেন বল নিয়ে মেসি-রদ্রি বিতর্ক তুঙ্গে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৩:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

২০২৬ বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে গোল্ডেন বল জিতেছেন স্পেনের অধিনায়ক রদ্রি। তবে পুরস্কার ঘোষণার পর থেকেই ফুটবল বিশ্বে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। সমালোচক ও সমর্থকদের একটি বড় অংশের মতে, টুর্নামেন্ট জুড়ে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের বিচারে এই পুরস্কারের সবচেয়ে যোগ্য দাবিদার ছিলেন লিওনেল মেসি। ৩৯ বছর বয়সি আর্জেন্টাইন তারকা আট গোল ও চার অ্যাসিস্ট করে দলকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে তুলেছিলেন।

পরিসংখ্যান বলছে, গোল ও অ্যাসিস্টের দিক থেকে মেসি টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় ছিলেন। আর্জেন্টিনার প্রতিটি আক্রমণাত্মক মুহূর্তে তার সরাসরি অবদান ছিল এবং সেমিফাইনাল পর্যন্ত তিনি নিয়মিত ম্যাচসেরা পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন। অনেক সাবেক ফুটবলার ও বিশ্লেষক মনে করেন, কেবল দলগত সাফল্য নয়, বরং একজন খেলোয়াড়ের আক্রমণাত্মক প্রভাব ও ধারাবাহিকতাকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত ছিল, যেখানে মেসি রদ্রির চেয়ে এগিয়ে ছিলেন।

অন্যদিকে রদ্রির গোল্ডেন বল জয়ের পক্ষেও জোরালো যুক্তি রয়েছে। ফিফার কারিগরি বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, স্পেনের খেলার ছন্দ নিয়ন্ত্রণ, রক্ষণ থেকে আক্রমণের সংযোগ এবং বল বণ্টনের ক্ষেত্রে রদ্রির ভূমিকা ছিল অসাধারণ। পুরো টুর্নামেন্টে স্পেন মাত্র একটি গোল হজম করেছে, যার কেন্দ্রে ছিলেন এই মিডফিল্ডার। তিনি টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ ৭৫৩টি পাস সম্পন্ন করেছেন, যার সাফল্যের হার ৯৪ শতাংশ। ফাইনালে ১০৫টি পাসের মধ্যে ১০১টিই সফল ছিল এবং ৮০ শতাংশ সময়েই তিনি প্রতিপক্ষকে সুযোগ দেননি। গোল বা অ্যাসিস্ট না থাকলেও ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণে তার প্রভাব ছিল স্পষ্ট।

স্পেনের ডিফেন্ডার মার্ক কুকুরেয়া সতীর্থের পক্ষ নিয়ে বলেছেন, সবকিছু শুধু গোল বা অ্যাসিস্ট দিয়ে বিচার করা যায় না। তার মতে, রদ্রি দলের নেতা এবং তার মাঠের অবদানই স্পেনকে বিশ্বকাপ জেতার ভিত্তি তৈরি করে দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে চলছে বিতর্ক। এক পক্ষ মেসির আক্রমণভাগের প্রভাবকে বড় করে দেখছে, আবার অন্য পক্ষ রদ্রির মতো ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারের ‘অদৃশ্য’ কিন্তু ম্যাচ নিয়ন্ত্রণকারী প্রভাবকে স্বীকৃতি দেওয়ার পক্ষে। ফিফা শেষ পর্যন্ত রদ্রিকে বেছে নিলেও এই বিতর্ক ফুটবল বিশ্বে দীর্ঘস্থায়ী আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

২০২৬ বিশ্বকাপের গোল্ডেন বল নিয়ে মেসি-রদ্রি বিতর্ক তুঙ্গে

আপডেট সময় : ১০:২৩:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
print news

২০২৬ বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে গোল্ডেন বল জিতেছেন স্পেনের অধিনায়ক রদ্রি। তবে পুরস্কার ঘোষণার পর থেকেই ফুটবল বিশ্বে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। সমালোচক ও সমর্থকদের একটি বড় অংশের মতে, টুর্নামেন্ট জুড়ে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের বিচারে এই পুরস্কারের সবচেয়ে যোগ্য দাবিদার ছিলেন লিওনেল মেসি। ৩৯ বছর বয়সি আর্জেন্টাইন তারকা আট গোল ও চার অ্যাসিস্ট করে দলকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে তুলেছিলেন।

পরিসংখ্যান বলছে, গোল ও অ্যাসিস্টের দিক থেকে মেসি টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় ছিলেন। আর্জেন্টিনার প্রতিটি আক্রমণাত্মক মুহূর্তে তার সরাসরি অবদান ছিল এবং সেমিফাইনাল পর্যন্ত তিনি নিয়মিত ম্যাচসেরা পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন। অনেক সাবেক ফুটবলার ও বিশ্লেষক মনে করেন, কেবল দলগত সাফল্য নয়, বরং একজন খেলোয়াড়ের আক্রমণাত্মক প্রভাব ও ধারাবাহিকতাকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত ছিল, যেখানে মেসি রদ্রির চেয়ে এগিয়ে ছিলেন।

অন্যদিকে রদ্রির গোল্ডেন বল জয়ের পক্ষেও জোরালো যুক্তি রয়েছে। ফিফার কারিগরি বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, স্পেনের খেলার ছন্দ নিয়ন্ত্রণ, রক্ষণ থেকে আক্রমণের সংযোগ এবং বল বণ্টনের ক্ষেত্রে রদ্রির ভূমিকা ছিল অসাধারণ। পুরো টুর্নামেন্টে স্পেন মাত্র একটি গোল হজম করেছে, যার কেন্দ্রে ছিলেন এই মিডফিল্ডার। তিনি টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ ৭৫৩টি পাস সম্পন্ন করেছেন, যার সাফল্যের হার ৯৪ শতাংশ। ফাইনালে ১০৫টি পাসের মধ্যে ১০১টিই সফল ছিল এবং ৮০ শতাংশ সময়েই তিনি প্রতিপক্ষকে সুযোগ দেননি। গোল বা অ্যাসিস্ট না থাকলেও ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণে তার প্রভাব ছিল স্পষ্ট।

স্পেনের ডিফেন্ডার মার্ক কুকুরেয়া সতীর্থের পক্ষ নিয়ে বলেছেন, সবকিছু শুধু গোল বা অ্যাসিস্ট দিয়ে বিচার করা যায় না। তার মতে, রদ্রি দলের নেতা এবং তার মাঠের অবদানই স্পেনকে বিশ্বকাপ জেতার ভিত্তি তৈরি করে দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে চলছে বিতর্ক। এক পক্ষ মেসির আক্রমণভাগের প্রভাবকে বড় করে দেখছে, আবার অন্য পক্ষ রদ্রির মতো ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারের ‘অদৃশ্য’ কিন্তু ম্যাচ নিয়ন্ত্রণকারী প্রভাবকে স্বীকৃতি দেওয়ার পক্ষে। ফিফা শেষ পর্যন্ত রদ্রিকে বেছে নিলেও এই বিতর্ক ফুটবল বিশ্বে দীর্ঘস্থায়ী আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh