ঢাকা ০৩:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আইন প্রণয়নে বাধা দিতেই বিরোধী দলের পরিকল্পিত ওয়াকআউট: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেডিকেল শিক্ষার্থী ফাতেমার স্বপ্ন পূরণে পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী শাহবাগই ওনাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বানিয়েছে: আবদুল্লাহ তাহের রাজবাড়ী ডিগ্রি কলেজে এসএসসি ২০২৬ উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা রাশিয়ার গ্যাস কমপ্লেক্সে বিস্ফোরণ: নিহত ১ বাংলাদেশি কানাডায় বাংলাদেশি সিনেমায় জুটি বাঁধছেন জায়েদ খান ও অধরা ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ হাজার মিয়ানমার নাগরিককে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া ঢাকার মঞ্চ মাতাতে আসছেন সেই ভাইরাল গানের ওটিলিয়া কলকাতা বইমেলার সুবর্ণজয়ন্তী: যুক্ত হচ্ছে ইজেডসিসি ও বুক ট্রাস্ট প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও সাবেক সচিব ড. হারুনুর রশিদ আর নেই

প্রতিমন্ত্রীর নাগরিকত্ব নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যার দাবি বিজেআইএমের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের দ্বৈত নাগরিকত্ব ও মন্ত্রিসভায় যোগদানের সাংবিধানিক যোগ্যতা নিয়ে সংবাদমাধ্যমে ওঠা প্রশ্নের প্রেক্ষিতে তাঁর দেওয়া সাম্প্রতিক মন্তব্যকে 'অপেশাদার ও আক্রমণাত্মক' হিসেবে আখ্যায়িত করেছে বাংলাদেশি জার্নালিস্টস ইন ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া (বিজেআইএম)। সোমবার এক বিবৃতিতে সংগঠনটি এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

বিজেআইএম জানায়, সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ ও সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে তিনি সরাসরি জবাব না দিয়ে বিদ্রূপাত্মক ভাষা ব্যবহার করেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, 'কোন নিউজপেপার? কার এত জ্বালা যে কাজ করতে দেবে না, হ্যাঁ? তো তার জ্বালা কেন হচ্ছে? তার কি ২০০৮-এর জ্বালা উঠছে নাকি আবার? মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দীনের জ্বালা উঠছে তার আবার? নাকি?'

বিজেআইএমের মতে, প্রতিমন্ত্রীর এই আচরণ মন্ত্রিসভার একজন সদস্যের কাছ থেকে প্রত্যাশিত পেশাদারত্বের মানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সংগঠনটি বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, হুমায়ুন কবির অতীতে ব্রিটেনের লেবার পার্টি থেকে বেনশাম ম্যানর–এর কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ২০১৯ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ক্রোয়িডনের মেয়র ছিলেন। তাঁর এই রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে নাগরিকত্বের বিষয়টি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।

প্রতিমন্ত্রীর এই আচরণ স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের মৌলিক ভূমিকাকে ক্ষুণ্ন করে এবং সাংবাদিকদের মধ্যে ভীতির পরিবেশ তৈরি করতে পারে বলে বিজেআইএম সতর্ক করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, সাংবাদিকরা কোনো প্রতিপক্ষ নন, বরং জনস্বার্থে নাগরিকদের পক্ষ থেকে প্রশ্ন করার দায়িত্ব পালন করেন। এ ধরনের মন্তব্য সাংবাদিকদের স্ব–আরোপিত বিধিনিষেধে বাধ্য করতে পারে এবং সরকারি কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে নিরুৎসাহিত করতে পারে।

সংগঠনটি প্রতিমন্ত্রীকে তাঁর মন্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করার আহ্বান জানিয়েছে। একই সাথে, তাঁর বর্তমান নাগরিকত্বের অবস্থা এবং মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালনের সাংবিধানিক যোগ্যতা নিয়ে যে বৈধ প্রশ্ন উঠেছে, তার স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট জবাব দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বিজেআইএম।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রতিমন্ত্রীর নাগরিকত্ব নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যার দাবি বিজেআইএমের

আপডেট সময় : ১২:০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের দ্বৈত নাগরিকত্ব ও মন্ত্রিসভায় যোগদানের সাংবিধানিক যোগ্যতা নিয়ে সংবাদমাধ্যমে ওঠা প্রশ্নের প্রেক্ষিতে তাঁর দেওয়া সাম্প্রতিক মন্তব্যকে 'অপেশাদার ও আক্রমণাত্মক' হিসেবে আখ্যায়িত করেছে বাংলাদেশি জার্নালিস্টস ইন ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া (বিজেআইএম)। সোমবার এক বিবৃতিতে সংগঠনটি এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

বিজেআইএম জানায়, সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ ও সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে তিনি সরাসরি জবাব না দিয়ে বিদ্রূপাত্মক ভাষা ব্যবহার করেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, 'কোন নিউজপেপার? কার এত জ্বালা যে কাজ করতে দেবে না, হ্যাঁ? তো তার জ্বালা কেন হচ্ছে? তার কি ২০০৮-এর জ্বালা উঠছে নাকি আবার? মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দীনের জ্বালা উঠছে তার আবার? নাকি?'

বিজেআইএমের মতে, প্রতিমন্ত্রীর এই আচরণ মন্ত্রিসভার একজন সদস্যের কাছ থেকে প্রত্যাশিত পেশাদারত্বের মানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সংগঠনটি বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, হুমায়ুন কবির অতীতে ব্রিটেনের লেবার পার্টি থেকে বেনশাম ম্যানর–এর কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ২০১৯ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ক্রোয়িডনের মেয়র ছিলেন। তাঁর এই রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে নাগরিকত্বের বিষয়টি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।

প্রতিমন্ত্রীর এই আচরণ স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের মৌলিক ভূমিকাকে ক্ষুণ্ন করে এবং সাংবাদিকদের মধ্যে ভীতির পরিবেশ তৈরি করতে পারে বলে বিজেআইএম সতর্ক করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, সাংবাদিকরা কোনো প্রতিপক্ষ নন, বরং জনস্বার্থে নাগরিকদের পক্ষ থেকে প্রশ্ন করার দায়িত্ব পালন করেন। এ ধরনের মন্তব্য সাংবাদিকদের স্ব–আরোপিত বিধিনিষেধে বাধ্য করতে পারে এবং সরকারি কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে নিরুৎসাহিত করতে পারে।

সংগঠনটি প্রতিমন্ত্রীকে তাঁর মন্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করার আহ্বান জানিয়েছে। একই সাথে, তাঁর বর্তমান নাগরিকত্বের অবস্থা এবং মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালনের সাংবিধানিক যোগ্যতা নিয়ে যে বৈধ প্রশ্ন উঠেছে, তার স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট জবাব দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বিজেআইএম।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo