ঢাকা ০৫:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামগামী বাসে নিখোঁজ মনপুরার যুবক ফরহাদ, উদ্বিগ্ন পরিবার ৩৫ বছরের পর আইনজীবী হওয়ার পথ বন্ধের উদ্যোগ শুধু রাজনৈতিক নয়, আমলাতন্ত্রেও সংস্কার জরুরি: ডেপুটি স্পিকার ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, মোট আক্রান্ত ১ লাখ ৩ হাজার ৩৯৬ বগুড়ায় শিক্ষককে পিটিয়ে আহত করা শিক্ষার্থী বহিষ্কৃত, মামলার প্রস্তুতি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নিয়ন্ত্রণে ডিসিদের কঠোর নির্দেশনা দিল সরকার শাওমি থেকে আইফোন, গ্রে মার্কেটে সয়লাব দেশের স্মার্টফোন বাজার ডেঙ্গু প্রতিরোধে পাড়ায় মাইকিং ও খুতবায় প্রচারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ড. ইউনূসকে হেনস্তায় ব্যবস্থা নেবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা সৌদির ফ্লাইট বিপর্যয়: ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের জন্য বেবিচকের সাত জরুরি নির্দেশনা

রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবালসহ আটজনের ১৪ বছরের কারাদণ্ড

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতির দায়ে রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবালউদ্দিন চৌধুরীসহ আটজনকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক মো. আব্দুস সালাম এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামিরা হলেন রাজউকের সাবেক সদস্য এস. ডি. ফয়েজ, এ. কে. এম. ওয়াহেদুল ইসলাম, এস. এম. জাফর উল্লাহ, এইচ. এম. জহুরুল হক, মো. রেজাউল করিম তরফদার এবং আম্বার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত আজিজ ও আশফাক আজিজ। রায় অনুযায়ী, প্রত্যেক আসামিকে জরিমানাও করা হয়েছে।

আদালতের রায়ে রাজউকের সাবেক ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এসব ধারায় তাদের প্রত্যেককে সাত বছর করে মোট ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা করে মোট ২০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

একইভাবে আসামি শওকত আজিজ ও আশফাক আজিজকেও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ১৪ বছরের কারাদণ্ড ও ২০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের ক্ষেত্রেও আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। তবে দণ্ডবিধির ৪২০ ধারার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আসামিদের ওই ধারা থেকে খালাস দিয়েছেন আদালত। রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আসামিদের হাজতবাস মূল সাজা থেকে বাদ যাবে এবং উভয় ধারার সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে। এছাড়া শওকত আজিজ ও আশফাক আজিজের নামে বরাদ্দকৃত পূর্বাচলের সেক্টর-০১, রোড-৪০৫ এর ১১ ও ১৩ নম্বর প্লট দুটি বাতিল করে রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুদকের তৎকালীন উপ-সহকারী পরিচালক সিলভিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পারস্পরিক যোগসাজশে প্রভাব খাটিয়ে পূর্বাচলে শওকত আজিজ ও আশফাক আজিজের নামে দুটি প্লট বরাদ্দ দিয়েছিলেন, যা রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়েছে। তদন্ত শেষে দুদক আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষে মোট নয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে।

আসামিদের হাজতবাস মূল দণ্ডাদেশ থেকে বাদ যাবে এবং উভয় ধারার সাজা একসঙ্গে চলবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়। ​তবে দণ্ডবিধির ৪২০ ধারার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আসামিদের ওই ধারা থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আসামি শওকত আজিজ ও আশফাক আজিজের নামে বরাদ্দকৃত সেক্টর-০১, রোড-৪০৫, প্লট নম্বর-০১১ ও ০১৩-এই দুটি প্লটের বরাদ্দ বাতিল করে রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবালসহ আটজনের ১৪ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৩:৪৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতির দায়ে রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবালউদ্দিন চৌধুরীসহ আটজনকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক মো. আব্দুস সালাম এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামিরা হলেন রাজউকের সাবেক সদস্য এস. ডি. ফয়েজ, এ. কে. এম. ওয়াহেদুল ইসলাম, এস. এম. জাফর উল্লাহ, এইচ. এম. জহুরুল হক, মো. রেজাউল করিম তরফদার এবং আম্বার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত আজিজ ও আশফাক আজিজ। রায় অনুযায়ী, প্রত্যেক আসামিকে জরিমানাও করা হয়েছে।

আদালতের রায়ে রাজউকের সাবেক ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এসব ধারায় তাদের প্রত্যেককে সাত বছর করে মোট ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা করে মোট ২০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

একইভাবে আসামি শওকত আজিজ ও আশফাক আজিজকেও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ১৪ বছরের কারাদণ্ড ও ২০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের ক্ষেত্রেও আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। তবে দণ্ডবিধির ৪২০ ধারার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আসামিদের ওই ধারা থেকে খালাস দিয়েছেন আদালত। রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আসামিদের হাজতবাস মূল সাজা থেকে বাদ যাবে এবং উভয় ধারার সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে। এছাড়া শওকত আজিজ ও আশফাক আজিজের নামে বরাদ্দকৃত পূর্বাচলের সেক্টর-০১, রোড-৪০৫ এর ১১ ও ১৩ নম্বর প্লট দুটি বাতিল করে রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুদকের তৎকালীন উপ-সহকারী পরিচালক সিলভিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পারস্পরিক যোগসাজশে প্রভাব খাটিয়ে পূর্বাচলে শওকত আজিজ ও আশফাক আজিজের নামে দুটি প্লট বরাদ্দ দিয়েছিলেন, যা রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়েছে। তদন্ত শেষে দুদক আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষে মোট নয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে।

আসামিদের হাজতবাস মূল দণ্ডাদেশ থেকে বাদ যাবে এবং উভয় ধারার সাজা একসঙ্গে চলবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়। ​তবে দণ্ডবিধির ৪২০ ধারার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আসামিদের ওই ধারা থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আসামি শওকত আজিজ ও আশফাক আজিজের নামে বরাদ্দকৃত সেক্টর-০১, রোড-৪০৫, প্লট নম্বর-০১১ ও ০১৩-এই দুটি প্লটের বরাদ্দ বাতিল করে রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin