ঢাকা ০৭:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইতালির ওয়াইনারি থেকে ৫০ লাখ ইউরোর ৩০ হাজার বোতল ওয়াইন চুরি কয়রায় নাশকতার মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৩ নেতা গ্রেপ্তার এক্সপ্রেসওয়েতে বিলাসবহুল বাসে তল্লাশি: ১৮০০ ইয়াবাসহ যাত্রী গ্রেপ্তার ট্রাম্পের সঙ্গে নোবেল ভাগ করার কৌতুক করলেন নাভি পিল্লাই রেমিট্যান্স শাটডাউনের হুমকি দেশবিরোধী ও মানবতাবিরোধী: রিজভী সমাজে বিভাজন নয়, ঐক্য বজায় রেখে কাজ করার আহ্বান সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর তজুমদ্দিনে স্পিকার গোল্ডকাপ ফুটবল উদ্বোধন, চতলা মেজর হাফিজ একাডেমির জয় জেডি ভ্যান্সের ‘চুক্তিভিত্তিক দাস’ মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ ভারতের কর্তৃপক্ষের অবহেলা: ঘাটাইলের সাগরদীঘি বিনোদন কেন্দ্র এখন মাদকসেবীদের দখলে শান্ত ও মুশফিকের বিদায়ে চাপে বাংলাদেশ, চা বিরতিতে ২২৬/৫

ইরানে হামলার ছক পেন্টাগনের, ট্রাম্পের অনুমোদনের অপেক্ষায় ওয়াশিংটন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:১৫:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের ভাণ্ডার ধ্বংস করার লক্ষ্যে টানা তিন দিনের একটি ব্যাপক সামরিক হামলার পরিকল্পনা তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। এই সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় রয়েছে ইরানের জ্বালানি স্থাপনা এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কমান্ড সেন্টার। তবে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এখনো এই পরিকল্পনা অনুমোদন করেননি। গত শুক্রবার ক্যাম্প ডেভিডে জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এই পরিকল্পনা পর্যালোচনা করেছেন। এর আগে সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসও ইরানে নতুন হামলার পরিকল্পনা তৈরির বিষয়টি জানিয়েছিল।

নিউইয়র্ক টাইমসের তথ্যানুযায়ী, ট্রাম্পের কাছে এটি ষষ্ঠবারের মতো ইরান কিংবা ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের প্রস্তাব। এর আগের পাঁচটি পরিকল্পনা তিনি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। যদিও ওই অঞ্চলে জাহাজ চলাচল ও মার্কিন মিত্রদের ওপর হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র সীমিত আকারে পাল্টা হামলা চালিয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, যুদ্ধ শুরুর পর ইরান তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের ভাণ্ডার অনেকাংশেই পুনর্গঠন করতে সক্ষম হয়েছে। নতুন পরিকল্পনায় এসব মজুত ধ্বংসের পাশাপাশি কৌশলগত স্থাপনাগুলোতে আঘাত হানার বিষয়টি রাখা হয়েছে।

এরই মধ্যে ওয়াশিংটন মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছে। ২০০৩ সালের পর প্রথমবারের মতো ওই অঞ্চলে তিনটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরি মোতায়েন হতে পারে। এর মধ্যে ইউএসএস থিওডর রুজভেল্টের নেতৃত্বাধীন রণতরি বহরটি যুক্তরাষ্ট্রের উপকূল ছেড়ে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে, যেখানে আগে থেকেই দুটি রণতরি অবস্থান করছে।

তবে ইরানে হামলার বিষয়ে ডনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যে ভিন্নতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার তিনি দাবি করেন, আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে কোনো হামলা চালাবে না ওয়াশিংটন। তিনি আরও বলেন, সাত মাস ধরে চলা যুদ্ধের অবসানে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা ফলপ্রসূ হচ্ছে। তবে ইসরায়েলি চ্যানেল ১২-এর একটি প্রতিবেদনে ভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে, মার্কিন কর্মকর্তারা ইসরায়েলকে জানিয়েছে যে আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে ইরানে বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, যার সময়সীমা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঠিক আগে শেষ হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানে হামলার ছক পেন্টাগনের, ট্রাম্পের অনুমোদনের অপেক্ষায় ওয়াশিংটন

আপডেট সময় : ০৬:১৫:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের ভাণ্ডার ধ্বংস করার লক্ষ্যে টানা তিন দিনের একটি ব্যাপক সামরিক হামলার পরিকল্পনা তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। এই সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় রয়েছে ইরানের জ্বালানি স্থাপনা এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কমান্ড সেন্টার। তবে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এখনো এই পরিকল্পনা অনুমোদন করেননি। গত শুক্রবার ক্যাম্প ডেভিডে জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এই পরিকল্পনা পর্যালোচনা করেছেন। এর আগে সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসও ইরানে নতুন হামলার পরিকল্পনা তৈরির বিষয়টি জানিয়েছিল।

নিউইয়র্ক টাইমসের তথ্যানুযায়ী, ট্রাম্পের কাছে এটি ষষ্ঠবারের মতো ইরান কিংবা ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের প্রস্তাব। এর আগের পাঁচটি পরিকল্পনা তিনি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। যদিও ওই অঞ্চলে জাহাজ চলাচল ও মার্কিন মিত্রদের ওপর হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র সীমিত আকারে পাল্টা হামলা চালিয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, যুদ্ধ শুরুর পর ইরান তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের ভাণ্ডার অনেকাংশেই পুনর্গঠন করতে সক্ষম হয়েছে। নতুন পরিকল্পনায় এসব মজুত ধ্বংসের পাশাপাশি কৌশলগত স্থাপনাগুলোতে আঘাত হানার বিষয়টি রাখা হয়েছে।

এরই মধ্যে ওয়াশিংটন মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছে। ২০০৩ সালের পর প্রথমবারের মতো ওই অঞ্চলে তিনটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরি মোতায়েন হতে পারে। এর মধ্যে ইউএসএস থিওডর রুজভেল্টের নেতৃত্বাধীন রণতরি বহরটি যুক্তরাষ্ট্রের উপকূল ছেড়ে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে, যেখানে আগে থেকেই দুটি রণতরি অবস্থান করছে।

তবে ইরানে হামলার বিষয়ে ডনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যে ভিন্নতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার তিনি দাবি করেন, আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে কোনো হামলা চালাবে না ওয়াশিংটন। তিনি আরও বলেন, সাত মাস ধরে চলা যুদ্ধের অবসানে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা ফলপ্রসূ হচ্ছে। তবে ইসরায়েলি চ্যানেল ১২-এর একটি প্রতিবেদনে ভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে, মার্কিন কর্মকর্তারা ইসরায়েলকে জানিয়েছে যে আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে ইরানে বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, যার সময়সীমা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঠিক আগে শেষ হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin