ঢাকা ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দিল্লিতে বিক্ষোভের সময় ফের আটক আইসা সভাপতি নেহা বোরা সৌদি বিমানবন্দরে হুতি হামলা: ইয়েমেন অভিযানে যুক্ত হওয়ার ইঙ্গিত ট্রাম্পের যশোরে নসিমন চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে যুবক নিহত, নিখোঁজ ১ হাসান মাহমুদের রেকর্ড হ্যাটট্রিকে ১০৬ রানের লিড পেল বাংলাদেশ সাংবাদিক কামরুজ্জামান বাবলুর নিরাপত্তা ও সুবিচারের দাবিতে মানববন্ধন খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা জারি, স্থগিত পিটিআই সরকারের কার্যক্রম খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি অবস্থা ও গভর্নর শাসন জারি করল পাকিস্তান তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান জাতীয় পর্যায়ে গুণী শিক্ষক হিসেবে সংবর্ধনা পেলেন সাহিদা আক্তার লালপুরে অবৈধ সার বিক্রির দায়ে ডিলারকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর ঘোষণা শ্রমমন্ত্রীর

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:২৫:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আবারও বাংলাদেশিদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। প্রাথমিকভাবে দেশটি বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কর্মী নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এই কর্মীদের পাঠানোর আগে মালয়েশিয়ার নিয়োগদাতাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করে তোলা হবে। এরপর নিয়োগকারী প্রতিনিধিরা বাংলাদেশে এসে সরাসরি যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে কর্মী নির্বাচন করবেন।

রোববার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি জানান, এই ১০ হাজার কর্মীর মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়াটি শুরু করা হবে। পরবর্তীতে মালয়েশিয়া থেকে আসা চাহিদার ওপর ভিত্তি করে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল) এবং অন্যান্য অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠানো হবে।

কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে দক্ষতার ওপর বিশেষ জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, শুধুমাত্র কর্মী পাঠালেই হবে না, মালয়েশিয়ার নিয়োগদাতাদের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি নিশ্চিত করতে হবে। প্রশিক্ষণ ছাড়া কর্মী পাঠানো হলে তারা সেখানে গিয়ে নানা ধরনের হয়রানির সম্মুখীন হতে পারেন। এ কারণে আগে চাহিদা নির্ধারণ করে সে অনুযায়ী প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে এই প্রক্রিয়ার সব কার্যক্রম এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়নি এবং কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষাসংক্রান্ত প্রক্রিয়াও চূড়ান্ত অনুমোদন পায়নি। মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে সব বিষয় নিশ্চিত হওয়ার পর মূল কার্যক্রম শুরু হবে।

এর আগে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য ও কর্মীদের হয়রানির নানা অভিযোগ উঠেছিল। এবার এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে সরকার অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানান শ্রমমন্ত্রী। চাহিদা অনুযায়ী যথাযথভাবে প্রশিক্ষিত কর্মী পাঠানোর মাধ্যমেই এই প্রক্রিয়াটিকে সফল করতে চায় সরকার।

এদিকে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরেও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির নানামুখী উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, চলতি বছরের মধ্যেই দেশে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার’ চালু করা হবে। এর মাধ্যমে অনলাইন ও অফলাইন উভয় পদ্ধতিতে চাকরিপ্রার্থী এবং বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর্মী চাহিদার একটি সমন্বিত ডাটাবেস তৈরি করা হবে। এছাড়া বিভিন্ন শিল্পে কর্মী চাহিদা নির্ধারণের পাশাপাশি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ক্যারিয়ার ফেয়ার ও জব ফেয়ারের মাধ্যমে যোগ্য চাকরিপ্রার্থী খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সাথে চলতি মাসের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করা হবে বলেও জানান তিনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর ঘোষণা শ্রমমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৭:২৫:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আবারও বাংলাদেশিদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। প্রাথমিকভাবে দেশটি বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কর্মী নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এই কর্মীদের পাঠানোর আগে মালয়েশিয়ার নিয়োগদাতাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করে তোলা হবে। এরপর নিয়োগকারী প্রতিনিধিরা বাংলাদেশে এসে সরাসরি যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে কর্মী নির্বাচন করবেন।

রোববার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি জানান, এই ১০ হাজার কর্মীর মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়াটি শুরু করা হবে। পরবর্তীতে মালয়েশিয়া থেকে আসা চাহিদার ওপর ভিত্তি করে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল) এবং অন্যান্য অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠানো হবে।

কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে দক্ষতার ওপর বিশেষ জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, শুধুমাত্র কর্মী পাঠালেই হবে না, মালয়েশিয়ার নিয়োগদাতাদের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি নিশ্চিত করতে হবে। প্রশিক্ষণ ছাড়া কর্মী পাঠানো হলে তারা সেখানে গিয়ে নানা ধরনের হয়রানির সম্মুখীন হতে পারেন। এ কারণে আগে চাহিদা নির্ধারণ করে সে অনুযায়ী প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে এই প্রক্রিয়ার সব কার্যক্রম এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়নি এবং কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষাসংক্রান্ত প্রক্রিয়াও চূড়ান্ত অনুমোদন পায়নি। মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে সব বিষয় নিশ্চিত হওয়ার পর মূল কার্যক্রম শুরু হবে।

এর আগে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য ও কর্মীদের হয়রানির নানা অভিযোগ উঠেছিল। এবার এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে সরকার অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানান শ্রমমন্ত্রী। চাহিদা অনুযায়ী যথাযথভাবে প্রশিক্ষিত কর্মী পাঠানোর মাধ্যমেই এই প্রক্রিয়াটিকে সফল করতে চায় সরকার।

এদিকে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরেও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির নানামুখী উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, চলতি বছরের মধ্যেই দেশে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার’ চালু করা হবে। এর মাধ্যমে অনলাইন ও অফলাইন উভয় পদ্ধতিতে চাকরিপ্রার্থী এবং বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর্মী চাহিদার একটি সমন্বিত ডাটাবেস তৈরি করা হবে। এছাড়া বিভিন্ন শিল্পে কর্মী চাহিদা নির্ধারণের পাশাপাশি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ক্যারিয়ার ফেয়ার ও জব ফেয়ারের মাধ্যমে যোগ্য চাকরিপ্রার্থী খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সাথে চলতি মাসের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করা হবে বলেও জানান তিনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din