ঢাকা ০১:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রবাসীদের সেবায় বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করতে আসছে ‘প্রবাসী কার্ড’ কুমিল্লার দাউদকান্দিতে অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু রিয়াদে হুতিদের টানা তৃতীয় দিনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যন্তর মন্তরে সিজেপির বিক্ষোভ ও আটক ইরানের নেতৃত্ব নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করে ফেলেছি: ডনাল্ড ট্রাম্প ডারবান টেস্টের শেষ দিনে জয়ের সুবাস পাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া কটিয়াদীতে ১০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি কাশেম মিয়া গ্রেপ্তার ইউপি নির্বাচন: বিএনপির সামনে তৃণমূল সামলানোর বড় পরীক্ষা সৌদি আরবে হুতি হামলা: শাহজালাল থেকে ৬১ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ৯২৬৯ যাত্রী প্রবাসীদের সংকট সমাধানে বিশেষ আদালত গঠনের পরিকল্পনা সরকারের

মেট্রোরেল প্রকল্পে ৪৬ হাজার কোটি টাকার ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৭:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



মেট্রোরেল উন্নয়ন প্রকল্পের এমআরটি লাইন-১ ও লাইন-৫-এর আওতায় ভূগর্ভস্থ পথ, উড়ালপথ, স্টেশন, ডিপো, ট্র্যাক এবং বৈদ্যুতিক ও সংকেত ব্যবস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো নির্মাণের জন্য প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকার ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সংক্রান্ত মোট ৮টি প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়।

অনুমোদিত কাজের মধ্যে লাইন-১ প্রকল্পের প্যাকেজ সিপি-২-এর আওতায় ডিপোর বিভিন্ন অবকাঠামো যেমন ওয়ার্কশপ, স্টাবিলিং শেড, অপারেশন ও কারিগরি ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র এবং উপকেন্দ্র নির্মাণের জন্য ৪ হাজার ২৮৫ কোটি ৬ লাখ ৯৩ হাজার ৫৫৮ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়া সিপি-৬ প্যাকেজে নর্দা স্টেশনের উত্তর প্রান্ত থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত ৫ দশমিক ১৮২ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ পথ এবং বিমানবন্দর, টার্মিনাল-৩ ও খিলক্ষেত স্টেশন নির্মাণের জন্য ১১ হাজার ৫৯০ কোটি ৫৮ লাখ ৭ হাজার ২৯৯ টাকা অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এই প্যাকেজের দর দাপ্তরিক প্রাক্কলিত দরের চেয়ে ৩২ দশমিক ০৫ শতাংশ বেশি।

লাইন-১-এর সিপি-৯ প্যাকেজে ট্র্যাক নির্মাণ ও বৈদ্যুতিক ফিডারসহ ১৩২ কেভি রিসিভিং উপকেন্দ্র এবং বিদ্যুৎ তদারকি ব্যবস্থার জন্য ব্যয় হবে ১১ হাজার ৬৫ কোটি ৫৭ লাখ ৭২ হাজার ১৫০ টাকা, যা প্রাক্কলিত দরের চেয়ে ৪৯ দশমিক ৯২ শতাংশ বেশি। একই প্রকল্পের সিপি-১০ প্যাকেজে সংকেত, টেলিযোগাযোগ, প্ল্যাটফর্মের দরজা এবং স্বয়ংক্রিয় ট্রেন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা স্থাপনে ৬ হাজার ৪৪৬ কোটি ৬৫ লাখ ৩১ হাজার ৭১৬ টাকা ব্যয় হবে।

বৈঠকে লাইন-১-এর সিপি-৪ ও সিপি-৭ প্যাকেজের ক্রয় প্রস্তাবেরও সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে জাপানের টোকিউ-মিল যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে রামপুরা থেকে নতুন বাজার পর্যন্ত লাইন ও স্টেশন নির্মাণে ১৮ হাজার ৩৭ কোটি ২৫ লাখ ৮৯ হাজার ৬৫৬ টাকা এবং সিআরইসি-মিল-এমবিইসি যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে বালু নদী পর্যন্ত ৫ দশমিক ০০৭ কিলোমিটার লাইন ও স্টেশন নির্মাণে ২ হাজার ৫৩৪ কোটি ৯ লাখ ৪৩ হাজার ২৪১ টাকা চুক্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

লাইন-৫ প্রকল্পের সিপি-৩ প্যাকেজের আওতায় হেমায়েতপুর থেকে আমিনবাজার ও নতুন বাজার থেকে ভাটারা পর্যন্ত ৬ দশমিক ৫০ কিলোমিটার উড়ালপথ এবং পাঁচটি স্টেশন নির্মাণের জন্য ২ হাজার ৬৭০ কোটি ৯৮ লাখ ৯৭ হাজার ৮৬০ টাকা অনুমোদন দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি লাইন-৫ উত্তর রুটের সিপি-২ প্যাকেজে ডিপোর পূর্ত ও ভবন নির্মাণের জন্য কনকর্ড প্রগতি কনসোর্টিয়াম লিমিটেড ও হ্যানিল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগকে ১ হাজার ৮৪৭ কোটি ৫২ লাখ ৪২ হাজার ৬৫৮ টাকায় সুপারিশ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, উভয় প্রকল্পের মেয়াদ ১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০৩৩ সাল পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে এবং গত ১৬ সেপ্টেম্বর একনেক এদের প্রথম সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদন করেছে।

লাইন-১-এর সিপি-৯ প্যাকেজে ট্র্যাক নির্মাণ ও বৈদ্যুতিক সুবিধা স্থাপনের কাজ হবে। এর মধ্যে রেল, টার্নআউট, পয়েন্ট ও ক্রসিংসহ ট্র্যাক নির্মাণ এবং ১৩২ কেভি প্রাথমিক ফিডার ব্যবস্থা, রিসিভিং উপকেন্দ্র, সহায়ক উপকেন্দ্র, ৩৩/শূন্য দশমিক ৪১৫ কেভি পরিবর্তী বিদ্যুৎ বিতরণ নেটওয়ার্ক, ১ হাজার ৫০০ ভোল্ট সরাসরি বিদ্যুৎ ওভারহেড সংযোগ ব্যবস্থা এবং বিদ্যুৎ তদারকি ও তথ্য সংগ্রহ ব্যবস্থার কাজ রয়েছে। এ প্যাকেজে ব্যয় হবে ভ্যাট ও করসহ ১১ হাজার ৬৫ কোটি ৫৭ লাখ ৭২ হাজার ১৫০ টাকা। এ প্যাকেজের সুপারিশকৃত দর দাপ্তরিক প্রাক্কলিত দরের চেয়ে ভ্যাট ও কর বাদে ৪৯ দশমিক ৯২ শতাংশ বেশি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

মেট্রোরেল প্রকল্পে ৪৬ হাজার কোটি টাকার ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন

আপডেট সময় : ০৬:৫৭:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

মেট্রোরেল উন্নয়ন প্রকল্পের এমআরটি লাইন-১ ও লাইন-৫-এর আওতায় ভূগর্ভস্থ পথ, উড়ালপথ, স্টেশন, ডিপো, ট্র্যাক এবং বৈদ্যুতিক ও সংকেত ব্যবস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো নির্মাণের জন্য প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকার ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সংক্রান্ত মোট ৮টি প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়।

অনুমোদিত কাজের মধ্যে লাইন-১ প্রকল্পের প্যাকেজ সিপি-২-এর আওতায় ডিপোর বিভিন্ন অবকাঠামো যেমন ওয়ার্কশপ, স্টাবিলিং শেড, অপারেশন ও কারিগরি ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র এবং উপকেন্দ্র নির্মাণের জন্য ৪ হাজার ২৮৫ কোটি ৬ লাখ ৯৩ হাজার ৫৫৮ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়া সিপি-৬ প্যাকেজে নর্দা স্টেশনের উত্তর প্রান্ত থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত ৫ দশমিক ১৮২ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ পথ এবং বিমানবন্দর, টার্মিনাল-৩ ও খিলক্ষেত স্টেশন নির্মাণের জন্য ১১ হাজার ৫৯০ কোটি ৫৮ লাখ ৭ হাজার ২৯৯ টাকা অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এই প্যাকেজের দর দাপ্তরিক প্রাক্কলিত দরের চেয়ে ৩২ দশমিক ০৫ শতাংশ বেশি।

লাইন-১-এর সিপি-৯ প্যাকেজে ট্র্যাক নির্মাণ ও বৈদ্যুতিক ফিডারসহ ১৩২ কেভি রিসিভিং উপকেন্দ্র এবং বিদ্যুৎ তদারকি ব্যবস্থার জন্য ব্যয় হবে ১১ হাজার ৬৫ কোটি ৫৭ লাখ ৭২ হাজার ১৫০ টাকা, যা প্রাক্কলিত দরের চেয়ে ৪৯ দশমিক ৯২ শতাংশ বেশি। একই প্রকল্পের সিপি-১০ প্যাকেজে সংকেত, টেলিযোগাযোগ, প্ল্যাটফর্মের দরজা এবং স্বয়ংক্রিয় ট্রেন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা স্থাপনে ৬ হাজার ৪৪৬ কোটি ৬৫ লাখ ৩১ হাজার ৭১৬ টাকা ব্যয় হবে।

বৈঠকে লাইন-১-এর সিপি-৪ ও সিপি-৭ প্যাকেজের ক্রয় প্রস্তাবেরও সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে জাপানের টোকিউ-মিল যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে রামপুরা থেকে নতুন বাজার পর্যন্ত লাইন ও স্টেশন নির্মাণে ১৮ হাজার ৩৭ কোটি ২৫ লাখ ৮৯ হাজার ৬৫৬ টাকা এবং সিআরইসি-মিল-এমবিইসি যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে বালু নদী পর্যন্ত ৫ দশমিক ০০৭ কিলোমিটার লাইন ও স্টেশন নির্মাণে ২ হাজার ৫৩৪ কোটি ৯ লাখ ৪৩ হাজার ২৪১ টাকা চুক্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

লাইন-৫ প্রকল্পের সিপি-৩ প্যাকেজের আওতায় হেমায়েতপুর থেকে আমিনবাজার ও নতুন বাজার থেকে ভাটারা পর্যন্ত ৬ দশমিক ৫০ কিলোমিটার উড়ালপথ এবং পাঁচটি স্টেশন নির্মাণের জন্য ২ হাজার ৬৭০ কোটি ৯৮ লাখ ৯৭ হাজার ৮৬০ টাকা অনুমোদন দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি লাইন-৫ উত্তর রুটের সিপি-২ প্যাকেজে ডিপোর পূর্ত ও ভবন নির্মাণের জন্য কনকর্ড প্রগতি কনসোর্টিয়াম লিমিটেড ও হ্যানিল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগকে ১ হাজার ৮৪৭ কোটি ৫২ লাখ ৪২ হাজার ৬৫৮ টাকায় সুপারিশ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, উভয় প্রকল্পের মেয়াদ ১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০৩৩ সাল পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে এবং গত ১৬ সেপ্টেম্বর একনেক এদের প্রথম সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদন করেছে।

লাইন-১-এর সিপি-৯ প্যাকেজে ট্র্যাক নির্মাণ ও বৈদ্যুতিক সুবিধা স্থাপনের কাজ হবে। এর মধ্যে রেল, টার্নআউট, পয়েন্ট ও ক্রসিংসহ ট্র্যাক নির্মাণ এবং ১৩২ কেভি প্রাথমিক ফিডার ব্যবস্থা, রিসিভিং উপকেন্দ্র, সহায়ক উপকেন্দ্র, ৩৩/শূন্য দশমিক ৪১৫ কেভি পরিবর্তী বিদ্যুৎ বিতরণ নেটওয়ার্ক, ১ হাজার ৫০০ ভোল্ট সরাসরি বিদ্যুৎ ওভারহেড সংযোগ ব্যবস্থা এবং বিদ্যুৎ তদারকি ও তথ্য সংগ্রহ ব্যবস্থার কাজ রয়েছে। এ প্যাকেজে ব্যয় হবে ভ্যাট ও করসহ ১১ হাজার ৬৫ কোটি ৫৭ লাখ ৭২ হাজার ১৫০ টাকা। এ প্যাকেজের সুপারিশকৃত দর দাপ্তরিক প্রাক্কলিত দরের চেয়ে ভ্যাট ও কর বাদে ৪৯ দশমিক ৯২ শতাংশ বেশি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin