ঢাকা ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আজকের স্বর্ণ ও রুপার সর্বশেষ বাজার দর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ: মানবপাচারের শিকার ২০ বাংলাদেশি নিহত হুতিদের হামলায় সৌদি আরামকোর সদর দপ্তরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুখবর পেলেন দুই হাতহীন আলতাফসহ তিন উদ্যোক্তা রাজশাহী কলেজে রুমমেটের দ্বন্দ্বে ছাত্রদল কর্মীর বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঝালকাঠিতে সরকারি আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘পড়া-খেলা উৎসব’ চীনা যন্ত্রাংশে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে ইয়েমেনের হুতিরা ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত পোপ লিও, ইতালিতে সফল অস্ত্রোপচার আয়াসের জামিন শুনানি চলাকালে বিচারকের সামনে আইনজীবীদের হাতাহাতি

এশিয়ান গেমসে পাকিস্তানের কাছে হারের দায় কেবল বোলারদের নয়

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৬:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে পাকিস্তানের কাছে বাংলাদেশের ৪ উইকেটের পরাজয়ের পর মোস্তাফিজুর রহমান ও নাসুম আহমেদের বোলিং নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। ১৩ ওভারের ম্যাচে মোস্তাফিজ ২ ওভারে ৪১ রান এবং নাসুম ৩ ওভারে ৩৩ রান দিয়েছেন। ওভারপ্রতি মোস্তাফিজ ২০.৫০ এবং নাসুম ১১ রান দেওয়ায় তাদের পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এই হারের পুরো দায় কেবল এই দুই বোলারের ওপর চাপানো সমীচীন নয়; বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতাও এই হারের একটি বড় কারণ।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) জাপানের নিশিনের করোগি স্পোর্টস পার্কে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ১৩ ওভারে ৭ উইকেটে ১১১ রান সংগ্রহ করে। জবাবে পাকিস্তান ১১.৩ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে শেখ মাহেদি ৩ ওভারে ১৭ রানে ১ উইকেট, রিশাদ হোসেন ২.৩ ওভারে ১২ রানে ১ উইকেট এবং শরিফুল ইসলাম ১ ওভারে ৭ রান দিয়ে তুলনামূলক নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেছেন।

বাংলাদেশের ব্যাটিং পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তাওহিদ হৃদয় ছাড়া অন্য কোনো ব্যাটারই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। হৃদয় ২৫ বলে ৪টি ছক্কা ও ২টি চারের সাহায্যে ৪২ রান করেন। এছাড়া ওপেনার সাইফ হাসান ১৭ বলে ১৯ এবং মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ১১ রান করেন। তানজিদ তামিম ৭, অধিনায়ক লিটন দাস ২, পারভেজ হোসেন ইমন ১ এবং রিশাদ হোসেন ২ রান করেন। দলীয় ৩১ রানে ৩ উইকেট এবং ৪৫ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর থেকেই বাংলাদেশ চাপে পড়ে যায়।

পাকিস্তানের ইনিংসেও শুরুটা ভালো ছিল না; তারা ১৬ রানে ২, ৩৮ রানে ৩ এবং ৫৩ রানে চতুর্থ উইকেট হারায়। তবে হাসান নাওয়াজ (২২ বলে অপরাজিত ২৭) ও আব্দুল সামাদ (১৫ বলে অপরাজিত ৩০) পঞ্চম উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ৫৯ রানের জুটি গড়ে ৯ বল হাতে রেখেই দলকে জয় এনে দেন। পাকিস্তানের হয়ে আরাফাত মিনহাস ও সুফিয়ান মুকিম বল হাতে নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন। বৃষ্টির কারণে কয়েক দিন খেলা না হওয়ায় এবং পিচ কভারে ঢাকা থাকায় উইকেটে আর্দ্রতা ছিল, যা শুরুতে বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জিং ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সম্মিলিত ব্যর্থতাই বাংলাদেশের ফাইনালের স্বপ্ন ভঙ্গের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

এশিয়ান গেমসে পাকিস্তানের কাছে হারের দায় কেবল বোলারদের নয়

আপডেট সময় : ০৬:৫৬:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে পাকিস্তানের কাছে বাংলাদেশের ৪ উইকেটের পরাজয়ের পর মোস্তাফিজুর রহমান ও নাসুম আহমেদের বোলিং নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। ১৩ ওভারের ম্যাচে মোস্তাফিজ ২ ওভারে ৪১ রান এবং নাসুম ৩ ওভারে ৩৩ রান দিয়েছেন। ওভারপ্রতি মোস্তাফিজ ২০.৫০ এবং নাসুম ১১ রান দেওয়ায় তাদের পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এই হারের পুরো দায় কেবল এই দুই বোলারের ওপর চাপানো সমীচীন নয়; বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতাও এই হারের একটি বড় কারণ।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) জাপানের নিশিনের করোগি স্পোর্টস পার্কে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ১৩ ওভারে ৭ উইকেটে ১১১ রান সংগ্রহ করে। জবাবে পাকিস্তান ১১.৩ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে শেখ মাহেদি ৩ ওভারে ১৭ রানে ১ উইকেট, রিশাদ হোসেন ২.৩ ওভারে ১২ রানে ১ উইকেট এবং শরিফুল ইসলাম ১ ওভারে ৭ রান দিয়ে তুলনামূলক নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেছেন।

বাংলাদেশের ব্যাটিং পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তাওহিদ হৃদয় ছাড়া অন্য কোনো ব্যাটারই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। হৃদয় ২৫ বলে ৪টি ছক্কা ও ২টি চারের সাহায্যে ৪২ রান করেন। এছাড়া ওপেনার সাইফ হাসান ১৭ বলে ১৯ এবং মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ১১ রান করেন। তানজিদ তামিম ৭, অধিনায়ক লিটন দাস ২, পারভেজ হোসেন ইমন ১ এবং রিশাদ হোসেন ২ রান করেন। দলীয় ৩১ রানে ৩ উইকেট এবং ৪৫ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর থেকেই বাংলাদেশ চাপে পড়ে যায়।

পাকিস্তানের ইনিংসেও শুরুটা ভালো ছিল না; তারা ১৬ রানে ২, ৩৮ রানে ৩ এবং ৫৩ রানে চতুর্থ উইকেট হারায়। তবে হাসান নাওয়াজ (২২ বলে অপরাজিত ২৭) ও আব্দুল সামাদ (১৫ বলে অপরাজিত ৩০) পঞ্চম উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ৫৯ রানের জুটি গড়ে ৯ বল হাতে রেখেই দলকে জয় এনে দেন। পাকিস্তানের হয়ে আরাফাত মিনহাস ও সুফিয়ান মুকিম বল হাতে নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন। বৃষ্টির কারণে কয়েক দিন খেলা না হওয়ায় এবং পিচ কভারে ঢাকা থাকায় উইকেটে আর্দ্রতা ছিল, যা শুরুতে বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জিং ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সম্মিলিত ব্যর্থতাই বাংলাদেশের ফাইনালের স্বপ্ন ভঙ্গের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din