ঢাকা ০৮:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর ক্রিকেটার রবিন দাসের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, আদালতে হাজিরা ৯ অক্টোবর বিকাশ, রবিসহ ৪ ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক শাহ আলীতে পলিথিন ব্যাগ থেকে নবজাতক উদ্ধার, ৯৯৯-এ ফোন সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতা রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাসুয়ার কোপে মা নিহত, বাবা আহত সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত গোবিপ্রবির ৫ শিক্ষার্থী মক্কা-জেদ্দাসহ সৌদির বিভিন্ন এলাকায় সিভিল ডিফেন্সের সতর্কতা জারি আ.লীগ ফিরলে জামায়াত নেতাদের আবারও ফাঁসি দেবে: রাশেদ খাঁন মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সহমর্মিতা ইসলামের চিরন্তন শিক্ষা

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সিন্ডিকেটের কাঠামো বদলায়নি: ডা. শফিকুর রহমান

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:০৮:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সিন্ডিকেটের চেহারা বদলালেও এর মূল কাঠামো এখনো আগের মতোই রয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি অভিযোগ করে বলেন, শ্রমবাজারের ভেতরের রুট এখনো ঠিক আছে, শুধু বাইরের চাদরটি বদলে দেয়া হয়েছে। গতকাল ‘সিন্ডিকেট ও মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সিন্ডিকেট এখনো কার্যকর আছে এবং এটি কখনোই অকার্যকর হয়নি। এক পক্ষ চলে গেছে, অন্য পক্ষ এসে দায়িত্ব নিয়েছে, কিন্তু তাদের মধ্যে এক ধরনের বোঝাপড়া রয়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবসার সঙ্গে যারা যুক্ত, তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, মানুষ ইনসাফ পাচ্ছে না। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমরা আর এই জুলুম চাই না, কোনো আমিনের নাম আর শুনতে চাই না। নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তান যদি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কর্মী পাঠাতে পারে, তবে বাংলাদেশকেও তা করতে হবে।

প্রবাসী শ্রমিকদের দুরবস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, একজন শ্রমিক বিদেশ যেতে পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা খরচ করেন, যা তাদের বেতনের তুলনায় পরিশোধ করা অত্যন্ত কঠিন। বিদেশে গিয়ে অনেক শ্রমিক মানবেতর জীবনযাপন করছেন এবং তাদের বুকে চাপা কষ্ট রয়েছে। তিনি আরও বলেন, কিছু নেতা গোপনে আমিনদের সঙ্গে বৈঠক করছেন, যা রহস্যজনক এবং এর পেছনে কী স্বার্থ রয়েছে তা প্রশ্নসাপেক্ষ।

২৫টি এজেন্সি নির্বাচনের সমালোচনা করে তিনি প্রশ্ন রাখেন, কিসের ভিত্তিতে এই এজেন্সিগুলো নির্বাচন করা হলো, যাদের অনেকেরই পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই? তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এরা সম্ভবত মাস্টার এজেন্সি হিসেবে কাজ করবে এবং অন্যরাও তাদের অধীনে থাকবে। তিনি বাজার উন্মুক্ত করার দাবি জানান, তবে কোনো অসৎ ব্যবসায়ী যেন এর সুবিধা না পায় সে বিষয়ে সতর্ক করেন।

ডিজিটাল নিরাপত্তার নামে মানুষের কণ্ঠরোধের চেষ্টার বিরোধিতা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের কণ্ঠ স্তব্ধ করার মতো কোনো আইন করা হলে তা মানা হবে না। এছাড়া প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, তারা দেশে থাকুক বা প্রবাসে, তাদের ভোট দেয়া নিশ্চিত করতে হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোট বাদ দেয়ার চিন্তা জুলুম ও অবিচারের শামিল।

সেমিনারে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।

সেমিনারে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের পর বাংলাদেশে এমন পরিস্থিতি বহাল থাকবে, তা তারা কল্পনাও করেননি। বিরোধী দলের লংমার্চের সাত দফা দাবির কথা উল্লেখ করে জামায়াত আমীর বলেন, প্রথমে ৬ দফা ছিল, আরেক দফা যুক্ত হয়েছে। সাত দফা দাবিতে আমরা আন্দোলনের মাঠে আছি। এসব দাবি কোনো দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির দাবি নয় উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, কাউকে

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সিন্ডিকেটের কাঠামো বদলায়নি: ডা. শফিকুর রহমান

আপডেট সময় : ০৫:০৮:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সিন্ডিকেটের চেহারা বদলালেও এর মূল কাঠামো এখনো আগের মতোই রয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি অভিযোগ করে বলেন, শ্রমবাজারের ভেতরের রুট এখনো ঠিক আছে, শুধু বাইরের চাদরটি বদলে দেয়া হয়েছে। গতকাল ‘সিন্ডিকেট ও মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সিন্ডিকেট এখনো কার্যকর আছে এবং এটি কখনোই অকার্যকর হয়নি। এক পক্ষ চলে গেছে, অন্য পক্ষ এসে দায়িত্ব নিয়েছে, কিন্তু তাদের মধ্যে এক ধরনের বোঝাপড়া রয়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবসার সঙ্গে যারা যুক্ত, তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, মানুষ ইনসাফ পাচ্ছে না। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমরা আর এই জুলুম চাই না, কোনো আমিনের নাম আর শুনতে চাই না। নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তান যদি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কর্মী পাঠাতে পারে, তবে বাংলাদেশকেও তা করতে হবে।

প্রবাসী শ্রমিকদের দুরবস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, একজন শ্রমিক বিদেশ যেতে পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা খরচ করেন, যা তাদের বেতনের তুলনায় পরিশোধ করা অত্যন্ত কঠিন। বিদেশে গিয়ে অনেক শ্রমিক মানবেতর জীবনযাপন করছেন এবং তাদের বুকে চাপা কষ্ট রয়েছে। তিনি আরও বলেন, কিছু নেতা গোপনে আমিনদের সঙ্গে বৈঠক করছেন, যা রহস্যজনক এবং এর পেছনে কী স্বার্থ রয়েছে তা প্রশ্নসাপেক্ষ।

২৫টি এজেন্সি নির্বাচনের সমালোচনা করে তিনি প্রশ্ন রাখেন, কিসের ভিত্তিতে এই এজেন্সিগুলো নির্বাচন করা হলো, যাদের অনেকেরই পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই? তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এরা সম্ভবত মাস্টার এজেন্সি হিসেবে কাজ করবে এবং অন্যরাও তাদের অধীনে থাকবে। তিনি বাজার উন্মুক্ত করার দাবি জানান, তবে কোনো অসৎ ব্যবসায়ী যেন এর সুবিধা না পায় সে বিষয়ে সতর্ক করেন।

ডিজিটাল নিরাপত্তার নামে মানুষের কণ্ঠরোধের চেষ্টার বিরোধিতা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের কণ্ঠ স্তব্ধ করার মতো কোনো আইন করা হলে তা মানা হবে না। এছাড়া প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, তারা দেশে থাকুক বা প্রবাসে, তাদের ভোট দেয়া নিশ্চিত করতে হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোট বাদ দেয়ার চিন্তা জুলুম ও অবিচারের শামিল।

সেমিনারে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।

সেমিনারে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের পর বাংলাদেশে এমন পরিস্থিতি বহাল থাকবে, তা তারা কল্পনাও করেননি। বিরোধী দলের লংমার্চের সাত দফা দাবির কথা উল্লেখ করে জামায়াত আমীর বলেন, প্রথমে ৬ দফা ছিল, আরেক দফা যুক্ত হয়েছে। সাত দফা দাবিতে আমরা আন্দোলনের মাঠে আছি। এসব দাবি কোনো দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির দাবি নয় উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, কাউকে

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin