ঢাকা ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্রিকেটার রবিন দাসের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, আদালতে হাজিরা ৯ অক্টোবর বিকাশ, রবিসহ ৪ ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক শাহ আলীতে পলিথিন ব্যাগ থেকে নবজাতক উদ্ধার, ৯৯৯-এ ফোন সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতা রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাসুয়ার কোপে মা নিহত, বাবা আহত সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত গোবিপ্রবির ৫ শিক্ষার্থী মক্কা-জেদ্দাসহ সৌদির বিভিন্ন এলাকায় সিভিল ডিফেন্সের সতর্কতা জারি আ.লীগ ফিরলে জামায়াত নেতাদের আবারও ফাঁসি দেবে: রাশেদ খাঁন মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সহমর্মিতা ইসলামের চিরন্তন শিক্ষা এমপি গাজী নজরুল আবারও রিমান্ডে, এবার ৪ দিনের

জীবনে শালীনতা ও সংযম চর্চার ১০টি কার্যকরী উপায়

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:২৭:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



শালীনতা এমন একটি গুণ, যা মানুষকে গোপনেও আল্লাহকে ভয় করতে শেখায় এবং প্রকাশ্যেও মর্যাদা ও সংযমের সঙ্গে চলতে সাহায্য করে। একজন মুমিনের জীবনে শালীনতা কোনো সাময়িক অভ্যাস নয়; বরং এটি ঈমানের সৌন্দর্য ও চরিত্রের পরিচয়।

শালীনতার সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি হলো আল্লাহর সর্বক্ষণিক নজরদারির কথা স্মরণ করা। মানুষ যখন একাকী থাকে, তখনো আল্লাহর দৃষ্টি থেকে সে আড়াল হতে পারে না। পবিত্র কোরআনের সুরা আলে ইমরানের ২৯ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘তোমরা যা প্রকাশ করো এবং যা গোপন করো, আল্লাহ তা জানেন।’ এই অনুভূতিই একজন মানুষকে প্রকাশ্য এবং গোপন সব ধরনের অশ্লীলতা, হারাম দৃষ্টি ও অন্যায় কাজ থেকে বিরত রাখতে যথেষ্ট।

চোখকে হারাম দৃষ্টি থেকে হেফাজত করা শালীনতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। সুরা নুরের ৩০ নম্বর আয়াতে মুমিন পুরুষদের দৃষ্টি সংযত রাখা ও লজ্জাস্থান হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরের আয়াতে মুমিন নারীদেরও একই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাই রাস্তাঘাটে, কর্মস্থলে, বিনোদনের ক্ষেত্রে কিংবা মোবাইলের পর্দায় যেখানেই হারাম দৃশ্য সামনে আসে, সেখান থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে নেওয়ার অভ্যাস করতে হবে।

কথাবার্তায় অশ্লীলতা ও কটু ভাষা পরিহার করাও জরুরি, কারণ মুখের ভাষা চরিত্রের আয়না। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন ভালো কথা বলে অথবা নীরব থাকে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬০১৮)। তাই কথা বলার আগে নিজেকে প্রশ্ন করা উচিত—আমার এই কথাটি কি সত্য, প্রয়োজনীয় ও শালীন? উত্তর নেতিবাচক হলে নীরব থাকাই উত্তম।

পোশাকের ক্ষেত্রে ইসলামী শালীনতা ও মর্যাদা বজায় রাখা জরুরি। ইসলাম এমন পোশাকের শিক্ষা দেয়, যা শরিয়তের নির্দেশনা মেনে শরীরকে আবৃত করে এবং ব্যক্তির মর্যাদা রক্ষা করে। পোশাক নির্বাচনের সময় শুধু ‘কী পরলাম’ নয়, বরং কেন পরলাম, কোথায় পরলাম এবং এতে ইসলামী শালীনতা বজায় থাকছে কি না—এসব বিষয় বিবেচনা করা প্রয়োজন।

বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম শালীনতা রক্ষার একটি বড় প্রতিবন্ধক। অশ্লীল ছবি ও ভিডিও থেকে দূরে থাকতে হবে এবং অশালীন পেজ ও অ্যাকাউন্ট আনফলো করতে হবে। নিজের ছবি, ব্যক্তিগত বিষয় বা সৌন্দর্য প্রদর্শনের ক্ষেত্রেও শরিয়তের সীমা বিবেচনা করতে হবে। অনলাইনে করা প্রতিটি কাজও আমলনামার বাইরে নয়, কারণ মানুষের প্রতিটি কথা লিপিবদ্ধ হয় (সুরা কাফ, আয়াত ১৮)।

শালীন জীবনযাপনের জন্য নেককার ও আল্লাহভীরু মানুষের সঙ্গ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাসুলুল্লাহ (সা.) উত্তম ও মন্দ সঙ্গীর উদাহরণ দিয়েছেন আতর বিক্রেতা ও কামারের হাপরের সঙ্গে (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৬২৮)। এমন বন্ধু বেছে নিতে হবে, যাদের সঙ্গে থাকলে নামাজ, পর্দা, পবিত্রতা ও আল্লাহর স্মরণ বাড়ে।

অশ্লীল বিনোদন ও পরিবেশ থেকে নিজেকে দূরে রাখা জরুরি। যে পরিবেশে অশ্লীলতা স্বাভাবিক হয়ে যায়, সেখানে দীর্ঘদিন থাকলে অন্তর ধীরে ধীরে গুনাহকে স্বাভাবিক মনে করতে শুরু করে। তাই অশ্লীল সিনেমা, ভিডিও, গান বা কনটেন্ট থেকে দূরে থাকতে হবে। সুরা মায়িদার ২ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘তোমরা পাপ ও সীমালঙ্ঘনের কাজে একে অপরকে সহযোগিতা করো না।’

প্রতিদিন রাতে আত্মসমালোচনার মাধ্যমে নিজের কাজের হিসাব নেওয়া শালীন জীবন গড়ার অন্যতম উপায়। সুরা হাশরের ১৮ নম্বর আয়াতে আল্লাহ মুমিনদের আল্লাহকে ভয় করতে এবং আগামীকালের জন্য কী পাঠিয়েছে তা দেখতে বলেছেন। এই আত্মজিজ্ঞাসা ভুল শনাক্ত করে তাওবা ও সংশোধনের সুযোগ করে দেয়।

রিজিক, খাদ্য ও উপার্জনের ক্ষেত্রেও শালীনতা ও ভারসাম্য থাকা জরুরি। হারাম উপার্জন করে বাহ্যিকভাবে ভদ্রতা প্রদর্শন প্রকৃত পবিত্রতা নয়। সুরা মায়িদার ৮৮ নম্বর আয়াতে হালাল ও পবিত্র রিজিক আহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাই ব্যবসায় আমানতদারি ও লেনদেনে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে।

সবশেষে, নিজের প্রচেষ্টার পাশাপাশি আল্লাহর কাছে সুন্দর চরিত্রের জন্য দোয়া করতে হবে। রাসুলুল্লাহ (সা.) দোয়া করতেন, ‘হে আল্লাহ! আমাকে সর্বোত্তম চরিত্রের দিকে পরিচালিত করুন। আপনি ছাড়া কেউ উত্তম চরিত্রের দিকে পরিচালিত করতে পারে না। আর আমার থেকে মন্দ চরিত্র দূরে রাখুন।’ রাসুলুল্লাহ (সা.) ছিলেন শালীনতার সর্বোত্তম আদর্শ; আবু সাঈদ খুদরি (রা.) বলেন, তিনি পর্দানশীন কুমারী নারীর চেয়েও অধিক লজ্জাশীল ছিলেন (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৩২০)।

পোশাকে ইসলামী শালীনতা ও মর্যাদা বজায় রাখা পোশাক মানুষের ব্যক্তিত্বের প্রকাশ। ইসলাম এমন পোশাকের শিক্ষা দেয়, যা শরিয়তের নির্দেশনা মেনে শরীরকে আবৃত করে এবং ব্যক্তির মর্যাদা রক্ষা করে। আল্লাহ মুমিন নারী-পুরুষ উভয়কেই দৃষ্টি ও পবিত্রতা রক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন; নারীদের জন্য বিশেষভাবে শালীন পোশাক ও সৌন্দর্য প্রদর্শনে সংযমের নির্দেশ এসেছে। (সুরা : নুর, আয়াত : ৩০-৩১) তাই পোশাকের ক্ষেত্রে শুধু ‘কী পরলাম’ নয়, বরং কেন পরলাম, কোথায় পরলাম এবং এতে ইসলামী শালীনতা বজায় থাকছে কি না—এসব বিষয়ও বিবেচনা করা জরুরি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

জীবনে শালীনতা ও সংযম চর্চার ১০টি কার্যকরী উপায়

আপডেট সময় : ১০:২৭:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শালীনতা এমন একটি গুণ, যা মানুষকে গোপনেও আল্লাহকে ভয় করতে শেখায় এবং প্রকাশ্যেও মর্যাদা ও সংযমের সঙ্গে চলতে সাহায্য করে। একজন মুমিনের জীবনে শালীনতা কোনো সাময়িক অভ্যাস নয়; বরং এটি ঈমানের সৌন্দর্য ও চরিত্রের পরিচয়।

শালীনতার সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি হলো আল্লাহর সর্বক্ষণিক নজরদারির কথা স্মরণ করা। মানুষ যখন একাকী থাকে, তখনো আল্লাহর দৃষ্টি থেকে সে আড়াল হতে পারে না। পবিত্র কোরআনের সুরা আলে ইমরানের ২৯ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘তোমরা যা প্রকাশ করো এবং যা গোপন করো, আল্লাহ তা জানেন।’ এই অনুভূতিই একজন মানুষকে প্রকাশ্য এবং গোপন সব ধরনের অশ্লীলতা, হারাম দৃষ্টি ও অন্যায় কাজ থেকে বিরত রাখতে যথেষ্ট।

চোখকে হারাম দৃষ্টি থেকে হেফাজত করা শালীনতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। সুরা নুরের ৩০ নম্বর আয়াতে মুমিন পুরুষদের দৃষ্টি সংযত রাখা ও লজ্জাস্থান হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরের আয়াতে মুমিন নারীদেরও একই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাই রাস্তাঘাটে, কর্মস্থলে, বিনোদনের ক্ষেত্রে কিংবা মোবাইলের পর্দায় যেখানেই হারাম দৃশ্য সামনে আসে, সেখান থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে নেওয়ার অভ্যাস করতে হবে।

কথাবার্তায় অশ্লীলতা ও কটু ভাষা পরিহার করাও জরুরি, কারণ মুখের ভাষা চরিত্রের আয়না। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন ভালো কথা বলে অথবা নীরব থাকে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬০১৮)। তাই কথা বলার আগে নিজেকে প্রশ্ন করা উচিত—আমার এই কথাটি কি সত্য, প্রয়োজনীয় ও শালীন? উত্তর নেতিবাচক হলে নীরব থাকাই উত্তম।

পোশাকের ক্ষেত্রে ইসলামী শালীনতা ও মর্যাদা বজায় রাখা জরুরি। ইসলাম এমন পোশাকের শিক্ষা দেয়, যা শরিয়তের নির্দেশনা মেনে শরীরকে আবৃত করে এবং ব্যক্তির মর্যাদা রক্ষা করে। পোশাক নির্বাচনের সময় শুধু ‘কী পরলাম’ নয়, বরং কেন পরলাম, কোথায় পরলাম এবং এতে ইসলামী শালীনতা বজায় থাকছে কি না—এসব বিষয় বিবেচনা করা প্রয়োজন।

বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম শালীনতা রক্ষার একটি বড় প্রতিবন্ধক। অশ্লীল ছবি ও ভিডিও থেকে দূরে থাকতে হবে এবং অশালীন পেজ ও অ্যাকাউন্ট আনফলো করতে হবে। নিজের ছবি, ব্যক্তিগত বিষয় বা সৌন্দর্য প্রদর্শনের ক্ষেত্রেও শরিয়তের সীমা বিবেচনা করতে হবে। অনলাইনে করা প্রতিটি কাজও আমলনামার বাইরে নয়, কারণ মানুষের প্রতিটি কথা লিপিবদ্ধ হয় (সুরা কাফ, আয়াত ১৮)।

শালীন জীবনযাপনের জন্য নেককার ও আল্লাহভীরু মানুষের সঙ্গ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাসুলুল্লাহ (সা.) উত্তম ও মন্দ সঙ্গীর উদাহরণ দিয়েছেন আতর বিক্রেতা ও কামারের হাপরের সঙ্গে (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৬২৮)। এমন বন্ধু বেছে নিতে হবে, যাদের সঙ্গে থাকলে নামাজ, পর্দা, পবিত্রতা ও আল্লাহর স্মরণ বাড়ে।

অশ্লীল বিনোদন ও পরিবেশ থেকে নিজেকে দূরে রাখা জরুরি। যে পরিবেশে অশ্লীলতা স্বাভাবিক হয়ে যায়, সেখানে দীর্ঘদিন থাকলে অন্তর ধীরে ধীরে গুনাহকে স্বাভাবিক মনে করতে শুরু করে। তাই অশ্লীল সিনেমা, ভিডিও, গান বা কনটেন্ট থেকে দূরে থাকতে হবে। সুরা মায়িদার ২ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘তোমরা পাপ ও সীমালঙ্ঘনের কাজে একে অপরকে সহযোগিতা করো না।’

প্রতিদিন রাতে আত্মসমালোচনার মাধ্যমে নিজের কাজের হিসাব নেওয়া শালীন জীবন গড়ার অন্যতম উপায়। সুরা হাশরের ১৮ নম্বর আয়াতে আল্লাহ মুমিনদের আল্লাহকে ভয় করতে এবং আগামীকালের জন্য কী পাঠিয়েছে তা দেখতে বলেছেন। এই আত্মজিজ্ঞাসা ভুল শনাক্ত করে তাওবা ও সংশোধনের সুযোগ করে দেয়।

রিজিক, খাদ্য ও উপার্জনের ক্ষেত্রেও শালীনতা ও ভারসাম্য থাকা জরুরি। হারাম উপার্জন করে বাহ্যিকভাবে ভদ্রতা প্রদর্শন প্রকৃত পবিত্রতা নয়। সুরা মায়িদার ৮৮ নম্বর আয়াতে হালাল ও পবিত্র রিজিক আহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাই ব্যবসায় আমানতদারি ও লেনদেনে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে।

সবশেষে, নিজের প্রচেষ্টার পাশাপাশি আল্লাহর কাছে সুন্দর চরিত্রের জন্য দোয়া করতে হবে। রাসুলুল্লাহ (সা.) দোয়া করতেন, ‘হে আল্লাহ! আমাকে সর্বোত্তম চরিত্রের দিকে পরিচালিত করুন। আপনি ছাড়া কেউ উত্তম চরিত্রের দিকে পরিচালিত করতে পারে না। আর আমার থেকে মন্দ চরিত্র দূরে রাখুন।’ রাসুলুল্লাহ (সা.) ছিলেন শালীনতার সর্বোত্তম আদর্শ; আবু সাঈদ খুদরি (রা.) বলেন, তিনি পর্দানশীন কুমারী নারীর চেয়েও অধিক লজ্জাশীল ছিলেন (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৩২০)।

পোশাকে ইসলামী শালীনতা ও মর্যাদা বজায় রাখা পোশাক মানুষের ব্যক্তিত্বের প্রকাশ। ইসলাম এমন পোশাকের শিক্ষা দেয়, যা শরিয়তের নির্দেশনা মেনে শরীরকে আবৃত করে এবং ব্যক্তির মর্যাদা রক্ষা করে। আল্লাহ মুমিন নারী-পুরুষ উভয়কেই দৃষ্টি ও পবিত্রতা রক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন; নারীদের জন্য বিশেষভাবে শালীন পোশাক ও সৌন্দর্য প্রদর্শনে সংযমের নির্দেশ এসেছে। (সুরা : নুর, আয়াত : ৩০-৩১) তাই পোশাকের ক্ষেত্রে শুধু ‘কী পরলাম’ নয়, বরং কেন পরলাম, কোথায় পরলাম এবং এতে ইসলামী শালীনতা বজায় থাকছে কি না—এসব বিষয়ও বিবেচনা করা জরুরি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin