ঢাকা ০২:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাশিয়ার গ্যাস কমপ্লেক্সে বিস্ফোরণ: নিহত ১ বাংলাদেশি কানাডায় বাংলাদেশি সিনেমায় জুটি বাঁধছেন জায়েদ খান ও অধরা ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ হাজার মিয়ানমার নাগরিককে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া ঢাকার মঞ্চ মাতাতে আসছেন সেই ভাইরাল গানের ওটিলিয়া কলকাতা বইমেলার সুবর্ণজয়ন্তী: যুক্ত হচ্ছে ইজেডসিসি ও বুক ট্রাস্ট প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও সাবেক সচিব ড. হারুনুর রশিদ আর নেই পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পে পিডি নিয়োগ দিল পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় প্রাচীন চীনের হুয়াই গাছের নিচে বইয়ের বাজারের ইতিহাস চেলসিতে যেতে পারেন মার্টিনেজ, আলোচনা চালাচ্ছে দুই ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে টাইগারদের মন্ত্রিসভার অভিনন্দন

সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে নতুন কড়াকড়ি, মানতে হবে যেসব শর্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩৯:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়ায় নতুন কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। এখন থেকে চাকরিতে যোগদানের দুই বছর পূর্ণ না হলে কোনো শিক্ষক বদলির আবেদন করতে পারবেন না। একই সঙ্গে, একবার বদলি হওয়ার পর পুনরায় বদলি হতে হলে অন্তত তিন বছর অপেক্ষা করতে হবে। সিলেট বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের সাম্প্রতিক এক নোটিশে শিক্ষক বদলি সংক্রান্ত এসব নতুন শর্তের কথা জানানো হয়েছে।

নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, কোনো বিদ্যালয়ে অনুমোদিত শূন্য পদ থাকলেই কেবল সেখানে নতুন শিক্ষক বদলি করা সম্ভব হবে। শূন্য পদ না থাকলে বদলির কোনো সুযোগ থাকবে না। এছাড়া শিক্ষক সংকটে থাকা বিদ্যালয়গুলো থেকে শিক্ষক বদলির ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছে। যেসব বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকের সংখ্যা পাঁচজন বা তার কম অথবা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর অনুপাত ১:৪০-এর বেশি, সেসব বিদ্যালয় থেকে কোনো শিক্ষককে অন্য কোথাও বদলি করা যাবে না।

শিক্ষকদের নিজস্ব আবেদন ছাড়া কাউকে এক বিদ্যালয় থেকে অন্য বিদ্যালয়ে বদলি করা হবে না বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে একই বিদ্যালয় থেকে যদি একাধিক শিক্ষক বদলির আবেদন করেন, সে ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠ শিক্ষকরা অগ্রাধিকার পাবেন। নারী শিক্ষকদের জন্য বিশেষ অগ্রাধিকারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে নারী শিক্ষকেরা তাদের নিজেদের স্থায়ী ঠিকানা অথবা স্বামীর স্থায়ী ঠিকানার কাছাকাছি কোনো বিদ্যালয়ে বদলি হওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন।

নোটিশ অনুযায়ী, অন্তঃবিভাগীয় বদলির আবেদনগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য যাচাই-বাছাই করে একটি নির্ধারিত কমিটির মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে। অন্যদিকে, আন্তঃবিভাগীয় বদলির আবেদনের ক্ষেত্রে সর্বশেষ বদলি নীতিমালা অনুসরণ করা হবে। এসব আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় নথিপত্রসহ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের মাধ্যমে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূলত শিক্ষক সংকটে থাকা বিদ্যালয়গুলোতে প্রয়োজনীয় জনবল ধরে রাখা এবং বদলি প্রক্রিয়াকে আরও সুশৃঙ্খল করতেই এই নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে নতুন কড়াকড়ি, মানতে হবে যেসব শর্ত

আপডেট সময় : ০২:৩৯:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়ায় নতুন কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। এখন থেকে চাকরিতে যোগদানের দুই বছর পূর্ণ না হলে কোনো শিক্ষক বদলির আবেদন করতে পারবেন না। একই সঙ্গে, একবার বদলি হওয়ার পর পুনরায় বদলি হতে হলে অন্তত তিন বছর অপেক্ষা করতে হবে। সিলেট বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের সাম্প্রতিক এক নোটিশে শিক্ষক বদলি সংক্রান্ত এসব নতুন শর্তের কথা জানানো হয়েছে।

নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, কোনো বিদ্যালয়ে অনুমোদিত শূন্য পদ থাকলেই কেবল সেখানে নতুন শিক্ষক বদলি করা সম্ভব হবে। শূন্য পদ না থাকলে বদলির কোনো সুযোগ থাকবে না। এছাড়া শিক্ষক সংকটে থাকা বিদ্যালয়গুলো থেকে শিক্ষক বদলির ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছে। যেসব বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকের সংখ্যা পাঁচজন বা তার কম অথবা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর অনুপাত ১:৪০-এর বেশি, সেসব বিদ্যালয় থেকে কোনো শিক্ষককে অন্য কোথাও বদলি করা যাবে না।

শিক্ষকদের নিজস্ব আবেদন ছাড়া কাউকে এক বিদ্যালয় থেকে অন্য বিদ্যালয়ে বদলি করা হবে না বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে একই বিদ্যালয় থেকে যদি একাধিক শিক্ষক বদলির আবেদন করেন, সে ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠ শিক্ষকরা অগ্রাধিকার পাবেন। নারী শিক্ষকদের জন্য বিশেষ অগ্রাধিকারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে নারী শিক্ষকেরা তাদের নিজেদের স্থায়ী ঠিকানা অথবা স্বামীর স্থায়ী ঠিকানার কাছাকাছি কোনো বিদ্যালয়ে বদলি হওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন।

নোটিশ অনুযায়ী, অন্তঃবিভাগীয় বদলির আবেদনগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য যাচাই-বাছাই করে একটি নির্ধারিত কমিটির মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে। অন্যদিকে, আন্তঃবিভাগীয় বদলির আবেদনের ক্ষেত্রে সর্বশেষ বদলি নীতিমালা অনুসরণ করা হবে। এসব আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় নথিপত্রসহ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের মাধ্যমে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূলত শিক্ষক সংকটে থাকা বিদ্যালয়গুলোতে প্রয়োজনীয় জনবল ধরে রাখা এবং বদলি প্রক্রিয়াকে আরও সুশৃঙ্খল করতেই এই নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din