ঢাকা ০৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গুরুদাসপুরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, আসামি ২৫০ নর্দার্ন টেরিটোরিকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে বাংলাদেশ এইচপি সোনিয়া গান্ধীর স্মৃতিকথা প্রকাশে পেঙ্গুইনের অনীহা ও নতুন সম্ভাবনা সরকার ফ্যাসিজমের দিকে এগোচ্ছে, জুলাই সনদ মানছে না: গোলাম পরওয়ার গোবিপ্রবিতে দুই দিনব্যাপী ইন্টারডিসিপ্লিনারি সামিট শুরু ‘রাস্তায় খুন’ গান পোস্টের দুই ঘণ্টা পরই গুলিতে নিহত গায়ক অঙ্কিত প্রেমভিত্তিক নাটক-সিনেমা বন্ধের আইনি নোটিশে বিনোদন অঙ্গনের প্রতিবাদ নেপালের ভয়াবহ বন্যায় পাশে থাকার আশ্বাস মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ইরানকে বহির্বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র: বিশ্লেষক আজ রাতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৯৫ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা

কুমিল্লায় তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষক আটক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুমিল্লার দেবিদ্বারে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্রেণিকক্ষে যৌন হয়রানির অভিযোগে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। ব্রাহ্মণখাড়া বটতলা বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত মো. খোরশেদ আলম (৫০) উপজেলার ব্রাহ্মণখাড়া গ্রামের মৃত শব্দর আলীর ছেলে এবং ব্রাহ্মণখাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। শুক্রবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, গত ২৬শে জুলাই ব্রাহ্মণখাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান চলাকালে খোরশেদ আলম ওই ১০ বছর বয়সী ছাত্রীর স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। শিক্ষার্থী বিষয়টি তার মাকে জানালে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ওই দিন স্থানীয়রা শিক্ষক খোরশেদ আলমকে বিদ্যালয় থেকে তুলে নিয়ে মারধর করেন এবং পরে ব্রাহ্মণখাড়া বটতলা বাজারের একটি চায়ের দোকানে হাত বেঁধে আটকে রাখেন। সে সময় বিক্ষুব্ধ জনতা শিক্ষকের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলও করেন। খবর পেয়ে দেবিদ্বার থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

এ ঘটনার পর খোরশেদ আলমের ছেলে আরিফ বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ২০ থেকে ২৫ জনের বিরুদ্ধে মারধর ও টাকা লুটের অভিযোগে মামলা করেন। ওই মামলার আসামিরা গত ৯ই আগস্ট আদালত থেকে জামিন পান। এছাড়া, ভুক্তভোগী ছাত্রীর দাদা বাদী হয়ে খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে পৃথক একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পর আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ভুক্তভোগী ছাত্রীর ২২ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়।

দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, মামলার পর থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষক পলাতক ছিলেন। গত তিন-চারদিন ধরে তিনি বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করছেন এমন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালালেও তাকে পাওয়া যায়নি। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণখাড়া বটতলা বাজার থেকে তাকে আটক করা হয়। ঘটনার সময় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হয়, যেখানে শিক্ষককে ক্ষমা চাইতে শোনা গিয়েছিল। এর আগে শিক্ষকের ওপর হামলার প্রতিবাদে উপজেলা শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশও অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

কুমিল্লায় তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষক আটক

আপডেট সময় : ০৪:০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

কুমিল্লার দেবিদ্বারে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্রেণিকক্ষে যৌন হয়রানির অভিযোগে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। ব্রাহ্মণখাড়া বটতলা বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত মো. খোরশেদ আলম (৫০) উপজেলার ব্রাহ্মণখাড়া গ্রামের মৃত শব্দর আলীর ছেলে এবং ব্রাহ্মণখাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। শুক্রবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, গত ২৬শে জুলাই ব্রাহ্মণখাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান চলাকালে খোরশেদ আলম ওই ১০ বছর বয়সী ছাত্রীর স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। শিক্ষার্থী বিষয়টি তার মাকে জানালে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ওই দিন স্থানীয়রা শিক্ষক খোরশেদ আলমকে বিদ্যালয় থেকে তুলে নিয়ে মারধর করেন এবং পরে ব্রাহ্মণখাড়া বটতলা বাজারের একটি চায়ের দোকানে হাত বেঁধে আটকে রাখেন। সে সময় বিক্ষুব্ধ জনতা শিক্ষকের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলও করেন। খবর পেয়ে দেবিদ্বার থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

এ ঘটনার পর খোরশেদ আলমের ছেলে আরিফ বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ২০ থেকে ২৫ জনের বিরুদ্ধে মারধর ও টাকা লুটের অভিযোগে মামলা করেন। ওই মামলার আসামিরা গত ৯ই আগস্ট আদালত থেকে জামিন পান। এছাড়া, ভুক্তভোগী ছাত্রীর দাদা বাদী হয়ে খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে পৃথক একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পর আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ভুক্তভোগী ছাত্রীর ২২ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়।

দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, মামলার পর থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষক পলাতক ছিলেন। গত তিন-চারদিন ধরে তিনি বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করছেন এমন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালালেও তাকে পাওয়া যায়নি। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণখাড়া বটতলা বাজার থেকে তাকে আটক করা হয়। ঘটনার সময় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হয়, যেখানে শিক্ষককে ক্ষমা চাইতে শোনা গিয়েছিল। এর আগে শিক্ষকের ওপর হামলার প্রতিবাদে উপজেলা শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশও অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin