সিলেটে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, ছাত্রদলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

- আপডেট সময় : ০৭:৩১:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

সিলেটের গোলাপগঞ্জ পৌর শহরে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দুপুরে সাত শহীদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে কানাইঘাটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেওয়ার সময় পৌর শহরের চৌমুহনী এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। অডিটোরিয়ামে সমাবেশ চলাকালে ছাত্রদলের নেতারা শহরের চৌমুহনীর পৌরসভার সামনের এলাকায় অবস্থান নেন এবং এনসিপি’র নানা বক্তব্যের প্রতিবাদে স্লোগান দেন। বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে শহীদ পরিবারের সঙ্গে অনুষ্ঠান চলাকালে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের সমন্বয়ক সারজিসের গাড়িতে বোতল ও পাথর ছুড়ে মারলে গাড়িটির পেছনের গ্লাস ভেঙে যায়। এ ঘটনায় এনসিপি নেতারা ছাত্রদলকে দায়ী করেছেন।
ঘটনার পর সারজিস অভিযোগ করেন, সংঘবদ্ধ ছাত্রদলকর্মীরা তাদের গাড়িবহরে হামলা চালিয়েছে। এমনকি সিলেট ফেরার পথে পাঁচ মাইল এলাকায়ও দা ও রামদা নিয়ে হামলার চেষ্টা করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তবে সিলেট জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হাজী দিনার আহমদ এ অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, এই ঘটনার দায়ভার ছাত্রদল নিতে পারে না এবং গোলাপগঞ্জের ঘটনায় ছাত্রদল সম্পৃক্ত নয়।
গোলাপগঞ্জের ওসি ছবেদ আলী জানান, হামলার ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জড়িতদের পরিচয় নিশ্চিত করে মামলা দায়ের করা হলে পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এদিকে, এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, সরকার সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে দেশকে পরিণত করছে। তিনি দেশবাসীকে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
অন্যদিকে, হবিগঞ্জে এনসিপি নেতাদের ওপর হামলার ঘটনায় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাজিব আহমেদ রিংগনসহ ১০০ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৯শে জুলাই জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এনসিপি’র কেন্দ্রীয় নেতাদের বহরে হামলা চালিয়ে তাদের হত্যার চেষ্টা, মারধর, গাড়ি ভাঙচুর এবং মালামাল ছিনিয়ে নেয়া হয়। হবিগঞ্জ সদর থানায় দায়ের করা এই মামলায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি ও ৫০ হাজার টাকার মালামাল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। এর আগে হবিগঞ্জে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে জেলা প্রশাসন অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করেছিল, যা পরে প্রত্যাহার করা হয়।

























