ঢাকা ১০:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে লিগ্যাল অফিসার হলেন জাইমা রহমান জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর বাসের নতুন ভাড়া প্রকাশ, কোন রুটে কত বাড়ল? অসুস্থ রিফাত চৌধুরীর পাশে জায়েদ খান, দিলেন আর্থিক সহায়তা জয়পুরহাটে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ শিবগঞ্জে বাল্যবিয়ে থেকে বাঁচলেন ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী, পাশে ইউএনও ‘শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে ফিরলে কিছু হবে না’ মন্তব্য করা ওসি রাকিবুল গ্রেপ্তার অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য পোর্টালে এআই এজেন্টের অননুমোদিত প্রবেশ, তীব্র উদ্বেগ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ নতুন রোগী এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর ক্রিকেটার রবিন দাসের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, আদালতে হাজিরা ৯ অক্টোবর

রাবিতে তিন শিক্ষার্থীকে দফায় দফায় মারধর, তদন্তের ঘোষণা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:০০:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ ৩১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও এক রাকসু নেতার ওপর হামলার ঘটনার জেরে তিন শিক্ষার্থীকে দফায় দফায় পিটিয়েছেন আম্মারসহ রাকসু ও শাখা ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। মারধরের শিকার শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১৭-১৮ বর্ষের শিক্ষার্থী আনাস, একই বিভাগের হাসিব এবং সংস্কৃত বিভাগের মাহমুদুল হাসান।

ঘটনার সূত্রপাত হয় রোববার সংস্কৃত বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থীর অভিযোগকে কেন্দ্র করে, যেখানে তিনি তার নিজ বিভাগের জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থী মহসিন আলমের বিরুদ্ধে প্রেমের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ায় হুমকির অভিযোগ আনেন। এই বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান রোববার রাতে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীসহ কয়েকজনের সঙ্গে একটি সভা করেন। এ সময় আনাস, হাসিব ও মাহমুদুল হাসানসহ কয়েকজন সেখানে উপস্থিত হয়ে অভিযোগ অস্বীকার করে প্রক্টরের সঙ্গে উচ্চবাচ্য করেন।

সোমবার দুপুরে প্রক্টর দপ্তরে পুনরায় সভা ডাকা হলে রাকসু নেতারা আনাসের মোবাইল ফোন চেক করে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ হিল গালিবসহ কয়েকজনের সঙ্গে তার ছবি খুঁজে পান। এরপর প্রক্টর দপ্তরেই আম্মার ও সালমান সাব্বির তাকে মারধর করেন। প্রক্টর বিষয়টি সাময়িক সমাধান করে দিলে তারা দপ্তর থেকে চলে যান। এর জের ধরে বিকাল ৩টার দিকে আনাস, হাসিব ও মাহমুদুলসহ কয়েকজন রাকসু ভবনে ঢুকে আম্মারসহ কয়েকজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এতে রাকসুর তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক নাজমুস সাকিব আহত হন।

হামলা চালানোর পর আনাসসহ সঙ্গীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পাঠকক্ষে আশ্রয় নেন। পরে শিবির ও রাকসু নেতারা পাঠকক্ষের ফটক থেকে প্রক্টরকে ধাক্কা দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং ওই শিক্ষার্থীদের মারধর শুরু করেন। ভুক্তভোগী আনাস দাবি করেন, তিনি ছাত্রলীগের সাবেক কর্মী নন; অতীতে তার বন্ধুরা ছাত্রলীগ করায় তাদের সঙ্গে তার ছবি থাকতে পারে, তবে ছাত্রলীগের ব্যানার-ফেস্টুনে তার কোনো ছবি নেই।

অন্যদিকে, শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান হামলার বিষয়ে শিবিরের দায় অস্বীকার করে বলেন, সেখানে শিবিরের কেউ ছিল না। তারা রাকসু নেতাদের ওপর হামলার খবর শুনে সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার দাবি করেন, রাকসু ভবনে গিয়ে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক আব্দুল আলীম বলেন, দিনব্যাপী এই ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। প্রশাসন পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডির সঙ্গে সভা করেছে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনার তদন্তে কমিটি গঠন করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী বিচার করা হবে বলেও তিনি জানান।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

রাবিতে তিন শিক্ষার্থীকে দফায় দফায় মারধর, তদন্তের ঘোষণা

আপডেট সময় : ১১:০০:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও এক রাকসু নেতার ওপর হামলার ঘটনার জেরে তিন শিক্ষার্থীকে দফায় দফায় পিটিয়েছেন আম্মারসহ রাকসু ও শাখা ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। মারধরের শিকার শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১৭-১৮ বর্ষের শিক্ষার্থী আনাস, একই বিভাগের হাসিব এবং সংস্কৃত বিভাগের মাহমুদুল হাসান।

ঘটনার সূত্রপাত হয় রোববার সংস্কৃত বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থীর অভিযোগকে কেন্দ্র করে, যেখানে তিনি তার নিজ বিভাগের জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থী মহসিন আলমের বিরুদ্ধে প্রেমের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ায় হুমকির অভিযোগ আনেন। এই বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান রোববার রাতে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীসহ কয়েকজনের সঙ্গে একটি সভা করেন। এ সময় আনাস, হাসিব ও মাহমুদুল হাসানসহ কয়েকজন সেখানে উপস্থিত হয়ে অভিযোগ অস্বীকার করে প্রক্টরের সঙ্গে উচ্চবাচ্য করেন।

সোমবার দুপুরে প্রক্টর দপ্তরে পুনরায় সভা ডাকা হলে রাকসু নেতারা আনাসের মোবাইল ফোন চেক করে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ হিল গালিবসহ কয়েকজনের সঙ্গে তার ছবি খুঁজে পান। এরপর প্রক্টর দপ্তরেই আম্মার ও সালমান সাব্বির তাকে মারধর করেন। প্রক্টর বিষয়টি সাময়িক সমাধান করে দিলে তারা দপ্তর থেকে চলে যান। এর জের ধরে বিকাল ৩টার দিকে আনাস, হাসিব ও মাহমুদুলসহ কয়েকজন রাকসু ভবনে ঢুকে আম্মারসহ কয়েকজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এতে রাকসুর তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক নাজমুস সাকিব আহত হন।

হামলা চালানোর পর আনাসসহ সঙ্গীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পাঠকক্ষে আশ্রয় নেন। পরে শিবির ও রাকসু নেতারা পাঠকক্ষের ফটক থেকে প্রক্টরকে ধাক্কা দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং ওই শিক্ষার্থীদের মারধর শুরু করেন। ভুক্তভোগী আনাস দাবি করেন, তিনি ছাত্রলীগের সাবেক কর্মী নন; অতীতে তার বন্ধুরা ছাত্রলীগ করায় তাদের সঙ্গে তার ছবি থাকতে পারে, তবে ছাত্রলীগের ব্যানার-ফেস্টুনে তার কোনো ছবি নেই।

অন্যদিকে, শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান হামলার বিষয়ে শিবিরের দায় অস্বীকার করে বলেন, সেখানে শিবিরের কেউ ছিল না। তারা রাকসু নেতাদের ওপর হামলার খবর শুনে সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার দাবি করেন, রাকসু ভবনে গিয়ে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক আব্দুল আলীম বলেন, দিনব্যাপী এই ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। প্রশাসন পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডির সঙ্গে সভা করেছে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনার তদন্তে কমিটি গঠন করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী বিচার করা হবে বলেও তিনি জানান।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor