ঢাকা ০৯:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিবগঞ্জে বাল্যবিয়ে থেকে বাঁচলেন ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী, পাশে ইউএনও ‘শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে ফিরলে কিছু হবে না’ মন্তব্য করা ওসি রাকিবুল গ্রেপ্তার অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য পোর্টালে এআই এজেন্টের অননুমোদিত প্রবেশ, তীব্র উদ্বেগ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ নতুন রোগী এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর ক্রিকেটার রবিন দাসের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, আদালতে হাজিরা ৯ অক্টোবর বিকাশ, রবিসহ ৪ ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক শাহ আলীতে পলিথিন ব্যাগ থেকে নবজাতক উদ্ধার, ৯৯৯-এ ফোন সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতা রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাসুয়ার কোপে মা নিহত, বাবা আহত

রংপুরের কাউনিয়ায় বাঁশের সাঁকোয় ঝুঁকি নিয়ে পারাপার ৫০ হাজার মানুষের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৫৮:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার ১০টি গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ বছরের পর বছর ধরে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তিস্তা নদীর বন্যার পানিতে একটি কংক্রিটের সেতুর সংযোগ সড়ক ধসে যাওয়ায় প্রতিদিন তাদের একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে। ২০১৪ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ৩৭ লাখ ২৪ হাজার টাকা ব্যয়ে এই সেতুটি নির্মাণ করেছিল, কিন্তু নির্মাণের কয়েক বছর পরই বন্যার কারণে দুই পাশের সংযোগ সড়ক ভেসে যায়।

কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো সংস্কার কাজ না হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের উদ্যোগে কাঠ ও বাঁশ দিয়ে এই অস্থায়ী সাঁকোটি তৈরি করেছেন। এর ফলে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ভ্যান ও ঘোড়ার গাড়িসহ হাজার হাজার যাত্রী প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই পথ ব্যবহার করছেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, সাঁকোটিতে প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে এবং রাতের বেলা চলাচল করা অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে। তারা সেতু পুনর্নির্মাণ ও সংযোগ সড়ক সংস্কারের জন্য জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার আবেদন করলেও কেবল আশ্বাসই পেয়েছেন।

বালাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হাফিজার রহমান জানান, ১০টি গ্রামের ৫০ হাজার মানুষের যাতায়াতের জন্য এই পারাপার অত্যন্ত জরুরি। দ্রুত কাজটি বাস্তবায়ন হলে এলাকাবাসী উপকৃত হবেন। বালাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আনসার আলী জানিয়েছেন, নতুন সেতু নির্মাণের জন্য এলজিইডিতে একাধিক প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে।

কাউনিয়া উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. মনিরুল ইসলাম জানান, নতুন সেতুর একটি প্রস্তাব ইতোমধ্যে অনুমোদিত হয়েছে এবং সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। তিনি বলেন, প্রকল্পটি এখন ডিজাইন বা নকশা তৈরির পর্যায়ে রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, দ্রুতই দরপত্র অনুমোদন পাবে এবং এরপরই নির্মাণকাজ শুরু হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

রংপুরের কাউনিয়ায় বাঁশের সাঁকোয় ঝুঁকি নিয়ে পারাপার ৫০ হাজার মানুষের

আপডেট সময় : ১০:৫৮:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার ১০টি গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ বছরের পর বছর ধরে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তিস্তা নদীর বন্যার পানিতে একটি কংক্রিটের সেতুর সংযোগ সড়ক ধসে যাওয়ায় প্রতিদিন তাদের একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে। ২০১৪ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ৩৭ লাখ ২৪ হাজার টাকা ব্যয়ে এই সেতুটি নির্মাণ করেছিল, কিন্তু নির্মাণের কয়েক বছর পরই বন্যার কারণে দুই পাশের সংযোগ সড়ক ভেসে যায়।

কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো সংস্কার কাজ না হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের উদ্যোগে কাঠ ও বাঁশ দিয়ে এই অস্থায়ী সাঁকোটি তৈরি করেছেন। এর ফলে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ভ্যান ও ঘোড়ার গাড়িসহ হাজার হাজার যাত্রী প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই পথ ব্যবহার করছেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, সাঁকোটিতে প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে এবং রাতের বেলা চলাচল করা অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে। তারা সেতু পুনর্নির্মাণ ও সংযোগ সড়ক সংস্কারের জন্য জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার আবেদন করলেও কেবল আশ্বাসই পেয়েছেন।

বালাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হাফিজার রহমান জানান, ১০টি গ্রামের ৫০ হাজার মানুষের যাতায়াতের জন্য এই পারাপার অত্যন্ত জরুরি। দ্রুত কাজটি বাস্তবায়ন হলে এলাকাবাসী উপকৃত হবেন। বালাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আনসার আলী জানিয়েছেন, নতুন সেতু নির্মাণের জন্য এলজিইডিতে একাধিক প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে।

কাউনিয়া উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. মনিরুল ইসলাম জানান, নতুন সেতুর একটি প্রস্তাব ইতোমধ্যে অনুমোদিত হয়েছে এবং সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। তিনি বলেন, প্রকল্পটি এখন ডিজাইন বা নকশা তৈরির পর্যায়ে রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, দ্রুতই দরপত্র অনুমোদন পাবে এবং এরপরই নির্মাণকাজ শুরু হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh