বীরগঞ্জে বেগুনখেতে বিষ দিল দুর্বৃত্তরা, লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি
- আপডেট সময় : ০৪:৪৫:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় রাতের আঁধারে প্রায় এক একরের একটি ফলন্ত বেগুনখেতে তরল বিষ প্রয়োগ করেছে দুর্বৃত্তরা। এতে খেতের অধিকাংশ বেগুন গাছ মরে গিয়ে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। উপজেলার পাল্টাপুর ইউনিয়নের ছয়ঘটি মৌজায় এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পার্শ্ববর্তী জমির মালিকদের ধারণা, পূর্বশত্রুতা বা প্রতিহিংসার জেরে এমন নিষ্ঠুর কাজ করা হয়ে থাকতে পারে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক দুলাল হোসেন জানান, তিনি স্থানীয় হাজি গোলাম মোস্তফার কাছ থেকে জমিটি বন্ধক নিয়ে বেগুনের চাষ করেছিলেন। এর আগে ওই জমি হাজি সাহেবের এক আপন ভাগিনা বন্ধক নিয়ে চাষাবাদ করতেন। বর্তমানে হাজি গোলাম মোস্তফা ও তাঁর ভাগিনার মধ্যে পারিবারিক বিবাদ চলছে বলে উল্লেখ করেছেন দুলাল হোসেন। তবে ঠিক কে বা কারা এই বিষ প্রয়োগের ঘটনা ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন。
শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খেতের প্রায় প্রতিটি গাছেই থোকা থোকা বেগুন ঝুলছে। তবে ঘাস মারার বিষ দেওয়ার কারণে বেগুনসহ অধিকাংশ গাছই দ্রুত মরে যাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক দুলাল হোসেন জানান, গাছগুলো বাঁচাতে তিনি খেতে সেচ দিয়েছিলেন, কিন্তু তাতে কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। এই ঘটনায় তাঁর লক্ষাধিক টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
এ ঘটনায় বীরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী কৃষক। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করেছে। বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পূর্বশত্রুতার জেরে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। পুলিশ ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল তদন্ত করেছে এবং জড়িত দুষ্কৃতকারীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
এদিকে বেগুনখেতে বিষ দিয়ে ফসল নষ্ট করার এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন স্থানীয় পাল্টাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম এবং ইউপি সদস্য শরিফসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। তাঁরা এই বর্বরোচিত ঘটনার সাথে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৬: ১১আপডেট : ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৬: ২৯
দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার পাল্টাপুর ইউনিয়নের ছয়ঘটি মৌজায় দুর্বৃত্তরা রাতের আঁধারে প্রায় ১ একরের ফলন্ত বেগুন ক্ষেতে ঘাস মারা তরল বিষ প্রয়োগ করায় ফলসহ বেগুন গাছগুলি মরে যায়।
























