সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৪০ বছর করার দাবি
- আপডেট সময় : ০৪:৩৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ন্যূনতম ৪০ বছর এবং বেসরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত খাতে বয়সসীমা সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করার দাবিতে রাজপথে নেমেছে ‘চাকরিতে আবেদন প্রত্যাশী সমন্বিত বয়সবৃদ্ধি আন্দোলন’। শনিবার রাজধানীর শাহবাগে সংগঠনটির পক্ষ থেকে আহ্বায়ক মামুনুর রশিদ রতন ৯ দফা সম্বলিত একটি রূপরেখা তুলে ধরেন।
আন্দোলনকারীরা জানান, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও উন্নত দেশের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ন্যূনতম ৪০ বছর পর্যন্ত বর্ধিত করা প্রয়োজন। একইসঙ্গে এনটিআরসিএ (NTRCA), প্রাইভেট ও বিশেষায়িত ব্যাংক, এনজিও, রিসার্চ ফার্ম, আন্তর্জাতিক সংস্থা, কারিগরি প্রতিষ্ঠান, প্রাইভেট হাসপাতাল, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে আবেদনের বয়সের ঊর্ধ্বসীমা সম্পূর্ণ তুলে দেওয়ার দাবি জানান তারা।
সংগঠনটির অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে প্রিলিমিনারি, লিখিত ও ভাইভা পরীক্ষার উত্তর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রদান এবং চূড়ান্ত ফলাফলের আগে পূর্ণ নম্বরপত্র অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা। তারা একই দিনে বা সময়ে একাধিক চাকরির নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজনের বৈষম্যমূলক চর্চা বন্ধের আহ্বান জানান। এছাড়া পিএসসির (PSC) মাধ্যমে কেবল রাজস্ব খাতের নিয়োগ পরীক্ষা পরিচালনা এবং অন্যান্য খাতের জন্য পৃথক কমিশন গঠনের পাশাপাশি স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে স্বাধীন অডিট বা তদন্ত কমিশন গঠনের দাবিও তোলা হয়েছে।
বক্তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ৩২ বছরের বয়সসীমা প্রত্যাখ্যান করে তা অনতিবিলম্বে ৪০ বছরে উন্নীত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি বিগত দেড় বছরে (২০ জানুয়ারি ২০২৫ থেকে ৯ আগস্ট ২০২৬) ৩২ বছরের সীমা প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলনকারী বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের দ্রুত আবেদনের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান তারা। বিএনপি কর্তৃক রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ রূপরেখার ২৩ নম্বর দফায় উল্লিখিত চাকরির বয়সসীমা সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়নেরও আহ্বান জানানো হয়েছে।
২০০৭ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রশ্নফাঁস, দলীয় বিবেচনা, প্রক্সি বাণিজ্য, সেশনজট ও করোনা মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত মেধাবীদের সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুযোগ প্রদানের দাবি জানিয়ে বক্তারা সকল চাকরিপ্রার্থীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।


























