সার সংকট ও বৈরী আবহাওয়ায় আটঘরিয়ায় আগাম শিম চাষে দুশ্চিন্তা
- আপডেট সময় : ০৩:৪০:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

প্রকাশ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩: ২৫। পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার কৃষকরা আগাম জাতের শিম চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন। উপজেলার চাঁদভা, মাজপাড়া ও দেবোত্তর ইউনিয়নের মাঠগুলো এখন শিমের সবুজ লতা আর ফুলে ছেয়ে গেছে। সাধারণ শীতের আগেই বাজারে শিম তুলে বাড়তি মুনাফা পাওয়ার আশায় শত শত কৃষক এই আগাম চাষাবাদে ঝুঁকেছেন। তবে তাদের এই প্রত্যাশায় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বৈরী আবহাওয়া ও সার সংকট। কখনো অতিরিক্ত গরম, আবার কখনো বৃষ্টির কারণে শিমের ফলন নিয়ে কৃষকরা বেশ দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
চলতি মৌসুমে আটঘরিয়া উপজেলায় ৭০০ হেক্টরেরও বেশি জমিতে আগাম শিম আবাদ করা হয়েছে, যার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ হাজার ৬০০ টন। বর্তমানে স্থানীয় বাজারে পাইকারি দরে প্রতি কেজি শিম ১৫০ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চাষিরা বলছেন, শুরু থেকেই তারা সার সংকটের মুখোমুখি হচ্ছেন। স্থানীয় বাজারে সময়মতো সার না পাওয়ায় উৎপাদন খরচও বেড়ে যাচ্ছে।
চাঁদভা ইউনিয়নের বয়ড়া গ্রামের কৃষক ফরিদ জানান, সার সংকটসহ নানামুখী সমস্যায় তাদের চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে। আব্দুল মজিদ, হেলাল উদ্দিন ও তোরাব আলীর মতো একাধিক কৃষক অভিযোগ করেছেন যে, অনুকূল আবহাওয়ার অভাবে ফলন নিয়ে শঙ্কা কাটছে না, সেই সাথে সার সংকট তাদের দুশ্চিন্তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। কৃষকদের আরও অভিযোগ, চাষাবাদের ক্ষেত্রে তারা কৃষি অফিস থেকে কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা বা পরামর্শ পাচ্ছেন না।
তবে কৃষকদের এই অভিযোগ পুরোপুরি মানতে নারাজ আটঘরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা মোতমাইন্না। তিনি দাবি করেন, মাঠপর্যায়ে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। বিশেষ করে আগাম জাতের শিমের ভালো ফলন নিশ্চিত করতে রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ ও সঠিক সময়ে সার ব্যবহারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, অনুকূল আবহাওয়া নিশ্চিত হলে এবং কৃষি পরামর্শ ও সারের সহজলভ্যতা থাকলে শিমের উৎপাদন বাড়বে এবং কৃষকদের মুখে হাসি ফুটবে।

























