ঢাকা ০৯:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে ফিরলে কিছু হবে না’ মন্তব্য করা ওসি রাকিবুল গ্রেপ্তার অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য পোর্টালে এআই এজেন্টের অননুমোদিত প্রবেশ, তীব্র উদ্বেগ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ নতুন রোগী এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর ক্রিকেটার রবিন দাসের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, আদালতে হাজিরা ৯ অক্টোবর বিকাশ, রবিসহ ৪ ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক শাহ আলীতে পলিথিন ব্যাগ থেকে নবজাতক উদ্ধার, ৯৯৯-এ ফোন সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতা রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাসুয়ার কোপে মা নিহত, বাবা আহত সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত গোবিপ্রবির ৫ শিক্ষার্থী

একসঙ্গে জন্ম ও বেড়ে ওঠা, এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেল তিন ভাই

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:১৮:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের ফুলবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা মামুনুর রহমানের তিন ছেলে ফাহিম হোসাইন, ফরহাদ হোসাইন ও ফয়সাল হোসাইন এবারের এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে। ২০০৯ সালের ১০ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করা এই তিন ভাই কেএসএম ঢাকা মিনাপাড়া উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সব কটি বিষয়ে এ প্লাস অর্জন করেছে।

তাদের বাবা মামুনুর রহমান জানান, ছেলেদের জন্মের আগে প্রসূতি-সংক্রান্ত নানা জটিলতায় তাদের মা টানা ২৭ দিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। অনেক কষ্ট আর ত্যাগের পর জন্ম নেওয়া এই তিন ছেলে এখন তাদের পরিবারকে আলোকিত করেছে। ফলাফলের দিন বাবা মামুনুর রহমান তিন সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে শহরে নিজের অফিসে গিয়ে কম্পিউটারে ফলাফল দেখেন। তিনি জানান, তাদের ওপর বিশ্বাস থাকলেও কোনো কারণে একজন না পেলে সে যেন ভেঙে না পড়ে, সেজন্যই তাদের কাছে রেখেছিলেন।

তিন ভাইয়ের শিক্ষাজীবন শুরু হয়েছিল বাড়ির পাশের একটি কিন্ডারগার্টেনে। এরপর কুষ্টিয়া শহরে তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করে। ঝিনাইদহে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার পর তারা কেএসএম ঢাকা মিনাপাড়া উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তি হয়। নবম ও দশম শ্রেণিতে তারা বাড়িতেই একজন শিক্ষকের কাছে টানা দুই বছর প্রাইভেট পড়েছে।

ফাহিম হোসাইন জানায়, তাদের সাফল্যের পেছনে বাবা-মায়ের অনেক কষ্ট রয়েছে। পড়াশোনায় কোনো বিষয় বুঝতে না পারলে তারা তিন ভাই একে অপরকে সহযোগিতা করত। ফরহাদ হোসাইন জানায়, তারা তিন ভাই একসঙ্গে স্কুলে যেত, এক টেবিলে বসে পড়ত এবং দ্রুত ঘুমিয়ে খুব সকালে পড়তে বসত। তবে তারা খেলাধুলায় সময় কম দিত। তিন ভাইয়েরই প্রিয় বিষয় গণিত। ফাহিমের মতে, গণিত দিয়ে সৌরজগৎ ব্যাখ্যা করা যায়, যা তাদের কাছে খুব মজার।

ভবিষ্যতে তিন ভাইয়ের মধ্যে দুজন চিকিৎসক ও একজন প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্ন দেখছে। তারা কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হওয়ার জন্য আবেদন করেছে। পড়াশোনার পাশাপাশি তারা ফুটবল, ক্রিকেট ও ব্যাডমিন্টন খেলতে পছন্দ করে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

একসঙ্গে জন্ম ও বেড়ে ওঠা, এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেল তিন ভাই

আপডেট সময় : ০৮:১৮:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের ফুলবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা মামুনুর রহমানের তিন ছেলে ফাহিম হোসাইন, ফরহাদ হোসাইন ও ফয়সাল হোসাইন এবারের এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে। ২০০৯ সালের ১০ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করা এই তিন ভাই কেএসএম ঢাকা মিনাপাড়া উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সব কটি বিষয়ে এ প্লাস অর্জন করেছে।

তাদের বাবা মামুনুর রহমান জানান, ছেলেদের জন্মের আগে প্রসূতি-সংক্রান্ত নানা জটিলতায় তাদের মা টানা ২৭ দিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। অনেক কষ্ট আর ত্যাগের পর জন্ম নেওয়া এই তিন ছেলে এখন তাদের পরিবারকে আলোকিত করেছে। ফলাফলের দিন বাবা মামুনুর রহমান তিন সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে শহরে নিজের অফিসে গিয়ে কম্পিউটারে ফলাফল দেখেন। তিনি জানান, তাদের ওপর বিশ্বাস থাকলেও কোনো কারণে একজন না পেলে সে যেন ভেঙে না পড়ে, সেজন্যই তাদের কাছে রেখেছিলেন।

তিন ভাইয়ের শিক্ষাজীবন শুরু হয়েছিল বাড়ির পাশের একটি কিন্ডারগার্টেনে। এরপর কুষ্টিয়া শহরে তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করে। ঝিনাইদহে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার পর তারা কেএসএম ঢাকা মিনাপাড়া উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তি হয়। নবম ও দশম শ্রেণিতে তারা বাড়িতেই একজন শিক্ষকের কাছে টানা দুই বছর প্রাইভেট পড়েছে।

ফাহিম হোসাইন জানায়, তাদের সাফল্যের পেছনে বাবা-মায়ের অনেক কষ্ট রয়েছে। পড়াশোনায় কোনো বিষয় বুঝতে না পারলে তারা তিন ভাই একে অপরকে সহযোগিতা করত। ফরহাদ হোসাইন জানায়, তারা তিন ভাই একসঙ্গে স্কুলে যেত, এক টেবিলে বসে পড়ত এবং দ্রুত ঘুমিয়ে খুব সকালে পড়তে বসত। তবে তারা খেলাধুলায় সময় কম দিত। তিন ভাইয়েরই প্রিয় বিষয় গণিত। ফাহিমের মতে, গণিত দিয়ে সৌরজগৎ ব্যাখ্যা করা যায়, যা তাদের কাছে খুব মজার।

ভবিষ্যতে তিন ভাইয়ের মধ্যে দুজন চিকিৎসক ও একজন প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্ন দেখছে। তারা কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হওয়ার জন্য আবেদন করেছে। পড়াশোনার পাশাপাশি তারা ফুটবল, ক্রিকেট ও ব্যাডমিন্টন খেলতে পছন্দ করে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo